শহিদুল আলমের মুক্তি দাবি করলেন অরুন্ধতী রায় সহ দক্ষিণ এশিয়ার ৩৪ বিশিষ্ট ব্যক্তি

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৩ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:২৮
কারাবন্দির শততম দিবসে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফটোসাংবাদিক ড. শহিদুল আলমের মুক্তি দাবি করেছেন অরুন্ধতি রায় সহ দক্ষিণ এশিয়ার লেখক, ইতিহাসবিদ, অভিনেতা, বুদ্ধিজীবি সহ সুপরিচিত ৩০ জনেরও বেশি ব্যক্তিত্ব। মঙ্গলবার তারা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফটোসাংবাদিক ও অধিকারকর্মী শহিদুল আলমকে অবিলম্বে জেল থেকে মুক্তি দেয়ার। এ খবর দিয়েছে অনলাইন স্ক্রোল ডট ইন। এতে বলা হয়েছে, শহিদুল আলমের মুক্তি দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন ওইসব ব্যক্তিত্ব। এতে স্বাক্ষর করেছেন ৩৪ জন। এর মধ্যে রয়েছেন লেখিকা অরুন্ধতি রায়, বিক্রম শেঠ, মোহাম্মদ হানিফ, চলচ্চিত্র নির্মাতা বুদ্ধদেব দাশগুপ্তা, অপর্না সেন, ভাস্কর অনিশ কাপুর, অভিনেত্রী নন্দিতা দাস ও শাবানা আজমি, ইতিহাববিদ রামচন্দ্র গুজ ও রমিলা থাপার। সাংবাদিক রাজদীপ সারদেসাই, প্যাট্রিসিয়া মুকিম ও কনক মনি দিক্ষিত।
ঢাকার রাজপথে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকে সমর্থন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেয়ার কারণে শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয় গত ৫ই আগস্ট।
৬৩ বছর বয়সী শহিদুলের বিরুদ্ধে সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা ও মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে তিনি ঢাকায় কারাবন্দি। মঙ্গলবার তার শততম কারাদিবস। এ উপলক্ষে তার মুক্তি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, আমরা বাংলাদেশের শুভাকাঙ্খী। এখানে মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধির জন্য লড়াইরত ১৬ কোটি ৬০ লাখ নাগরিকের পক্ষে আমাদের অবস্থান। ফটোগ্রাফার ও সাংস্কৃতিক অধিকারকর্মী শহিদুল আলমের অব্যাহত কারাবন্দিত্বের কারণে আমরা হতাশাগ্রস্ত।   
ওই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা বলেছেন, সমাজের নাগরিক সমাজের সদস্যদের সমালোচনাকে দমিয়ে রাখার উপায় হিসেবে শহিদুল আলমের মামলাটিকে ব্যবহার করছে সরকার। চিঠিতে আরো বলা হয়, তাকে (শহিদুল) গ্রেপ্তার ও অব্যাহতভাবে আটক রাখায় দৃশ্যত স্পষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশে অসহনশীল এক রাজনৈতিক পরিবেশ। এর উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের নাগরিকদের কণ্ঠকে হুমকিতে ফেলা ও তাদের কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দেয়া।
উল্লেখ্য, সেপ্টেম্বরে শহিদুল আলমের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে ঢাকার একটি আদালত। তার আইনজীবিরা বলছেন, তারা জামিন পাওয়ার জন্য অব্যাহতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেছেন, পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগের পর শহিদুল আলমকে মেডিকেল পরীক্ষার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এটাই ছিল আমার একটিমাত্র সফলতা।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সারা দেশে ধরপাকড় গ্রেপ্তার ২৫০

খোকন গুলিবিদ্ধ, আব্বাস-সুব্রতের ওপর হামলা, কর্নেল অলির ছেলের আঙুল কর্তন

অর্থনীতিতে বড় অর্জন রাষ্ট্র মেরামতের তাগিদ

সংকটময় মুহূর্তে বাংলাদেশ

জনগণ ঘুরে দাঁড়ালে পালানোর পথ পাবেন না: আ স ম রব

৩০-৩১ ডিসেম্বরের এয়ারলাইন্সের টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে গ্রেপ্তার করতে পারবে সেনাবাহিনী

নৌকার জোয়ার দেখে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বেসামাল হয়ে পড়েছেন

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীদেরকে দুই দিনের আল্টিমেটাম

‘নৌকা’-‘সিংহ’ এক ভাই

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি গঠন

সিলেটে ভোটের মাঠে উন্নয়ন নিয়ে ‘বিতর্ক’

রাজাপাকসের পদত্যাগ

এবার প্রজার ছেলে রাজা হবে

বাবা জীবিত থাকলে আওয়ামী লীগ করতেন না : রেজা কিবরিয়া

চট্টগ্রামে গণসংযোগে চাঙ্গা বিএনপি নেতাকর্মীরা