দাবি না মানলে রাজপথই হবে ভরসা: বাম জোট

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ৮ নভেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার
বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক সাইফুল হক বলেছেন, আমাদের দাবি-দাওয়ার কথা সংলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সুনির্দিষ্টভাবে উত্থাপন করেছি। এখন দাবি-দাওয়া মানা না মানা তার বিষয়। তিনি বলেন, যদি দাবি মানা হয় তাহলে আমরা নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করবো। আর যদি আমাদের দাবি মানা না হয়, তাহলে রাজপথই হবে আমাদের ভরসা। গতকাল পল্টনে জোটের অস্থায়ী কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। সাইফুল হক বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে সংসদ বিলুপ্ত করে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি আমরা। এছাড়া নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করার ও ইভিএম ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের বক্তব্য শুনেছেন।
আমরা বলেছি, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। আর বর্তমান সংসদ এখনও বহাল আছে। তাই আমরা আশা করতে চাই, শেষ মূহূর্তে হলেও সরকারের সদিচ্ছা জাগ্রত হবে। এই জনদাবি পূরণ করার জন্য প্রয়োজনে সরকার সংসদ ডেকে সাংবিধান সংশোধনীর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন কীভাবে হবে, তা এখন সরকারি দলের রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর অনেকখানি নির্ভর করছে। ৮টি বাম দলের এই সমন্বয়ক বলেন, আমরা নির্বাচন করতে চাই। আর সেই সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করার জন্যই সংলাপ করছি। তবে রাজপথেও ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করছি। এখন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের জন্য আমরা অপেক্ষা করবো। দাবি মেনে নিলে আমার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। আর যদি আমাদের সুনির্দিষ্ট দাবি মানা না হয়, তাহলে দাবি আদায়ে রাজপথই হবে আমাদের শেষ ভরসা। এ সময় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, বল এখন প্রধানমন্ত্রীর কোর্টে। এখন উনি কী করবেন সেটা উনিই ভালো বোঝেন। তিনি বিবেচনা করে যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তার উপরই নির্ভর করবে নির্বাচনটি কেমন হবে। সংলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করবেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সেই সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করবো। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, আশা ও আশঙ্কা নিয়ে আমাদের সংলাপ শেষ হয়েছে। এখন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমেই এই সংলাপের ফল বোঝা যাবে বলে জানান তিনি। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা সংলাপে অংশ নিয়েছি। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা ৮ দফা, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে ৭ দফা দাবি জানিয়ে এসেছি। সিপিবি সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আকবর খান, বাসদের (মার্ক্সবাদী) কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটি সদস্য শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, আলমগীর হোসেন দুলাল, গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নুসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

z Ahmed

২০১৮-১১-০৮ ১৩:৫৫:৩৩

Go ahead, People will support you for the novel cause. Save and establish democracy.

আপনার মতামত দিন

মার্চে জাতীয় কাউন্সিল করতে পারে বিএনপি

জাপানে বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীর ছবি নিয়ে তোলপাড়

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ার নির্দেশ

প্রতি তিনজনে একজন নারী পারিবারিক সহিংসতার শিকার

বর্বরতা!

ঐক্যফ্রন্টের জাতীয় সংলাপ ৬ই ফেব্রুয়ারি

জানুয়ারিতে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ১৩০০ রোহিঙ্গা

প্লাস্টিক ও গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ মেলার উদ্বোধন

বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা ভারতীয় পাসপোর্টে যাচ্ছে সার্বিয়া

সালমান এফ রহমানকে উপদেষ্টা করায় প্রধানমন্ত্রীকে এফবিসিসিআই ও ঔষধ শিল্প সমিতির অভিনন্দন

৮৮ ‘বাংলাদেশির’ ভারতীয় নাগরিকত্বের দরখাস্ত বিবেচনাধীন

রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ, ১৫ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন

সন্ত্রাস-দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স সুশাসনের অঙ্গীকার

আশা করি বিএনপি সংসদে যাবে: আইনমন্ত্রী

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ১০ হাজার টাকা কমলো

মার্চে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা