নি র্বা চ নী হা ল চা ল (শরীয়তপুর ১)

প্রচারণায় আওয়ামী লীগ মাঠে নেই বিএনপি

শেষের পাতা

শেখ খলিলুর রহমান, শরীয়তপুর থেকে | ২৩ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৫
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে কাজ শুরু করেছেন। আওয়ামী লীগের  সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে থাকলেও বিএনপি’র প্রার্থী মাঠে নেই। ২৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত শরীয়তপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪২ জন। ১৯৯১ সালে এ আসনে  ভোটার ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৫০ জন। ইতিমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা  পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও এলাকায় বিভিন্ন হাট-বাজারে গিয়ে  ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।
২০০৮ ও ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

বর্তমান এমপি বি.এম মোজাম্মেল হকের ওপর শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলা আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ নেতা-কর্মীর আস্থা রয়েছে। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগে মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন কমপক্ষে ৬ প্রার্থী। বি.এম  মোজাম্মেল হক ছাড়াও রয়েছেন শরীয়তপুর পৌর  মেয়র সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা  মো. রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মোবারক আলী সিকদার, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর  পৌরসভার মেয়র আব্দুর রব মুন্সী  ও সাবেক এমপি মাস্টার মজিবুর রহমান।

এ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন  দৌড়ে রয়েছেন ৩ প্রার্থী।
এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক এমপি জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সরদার একেএম নাসির উদ্দীন কালু, আমিনুল ইসলাম (মিন্টু) সওদাগর ও আলতাফ হোসেন সিকদার। প্রধান এ দুটি দলের পাশাপাশি জাতীয় পার্টি (এরশাদ) একক প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান মাসুদ। শরীয়তপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করছেন। তবে সংসদের বাইরে  দেশের বড় আরেকটি রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রার্থীরা এখনো মাঠে নামেননি।

১৯৯১ সালে এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী প্রয়াত  কেএম হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গজেব ৫৪ হাজার ৯৫৩  ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপি’র সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালু ২৮ হাজার ৮৯ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়। ১৯৯৬ সালে ভোটার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৬৬ জন। এ সময় আওয়ামী লীগের প্রয়াত  নেতা আঃ রাজ্জাক ৬৮ হাজার ৯৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম খান ৩২ হাজার ২৬৬ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। ২০০১ সালে ভোটার সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৬৩ হাজার ৩০০ জন।

এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি প্রয়াত কেএম  হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গজেব ৯৮ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের মোবারক আলী সিকদার ৮১ হাজার ৯৩০ ভোট  পেয়ে পরাজিত হয়। বিএনপি’র প্রার্থী আলতাফ হোসেন সিকদার পান মাত্র ৭৭৯ ভোট। এ সময় বিএনপি’র বেশির ভাগ নেতাকর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী কেএম  হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গজেবের পক্ষে নির্বাচন করেন। ২০০৮ সালে  ভোটার ছিল ২ লাখ ১৬ হাজার ১০ জন। এ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি.এম মোজাম্মেল হক ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) মোবারক আলী সিকদার পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৫৩ ভোট। বিএনপি’র প্রার্থী শহিদুল হক সিকদার লিটু পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৫৮ ভোট। এ সময় বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন কালু সরদার সহ বেশির ভাগ বিএনপি’র নেতাকর্মীরা মোবারক আলী সিকদারের ব্যানারে কাজ করেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বি.এম  মোজাম্মেল হক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নির্বাচন বর্জন নয়, কেন্দ্র পাহারা দিন

হঠাৎ কবিতা খানমের সুর বদল

ফাঁকা মাঠে গোল নয়

রেজা কিবরিয়া ঐক্যফ্রন্টে

সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের নির্বাচনে মনোনয়ন না দেয়ার দাবি

‘ফের বাংলাদেশের বিরুদ্ধে’

মামলার বাদী যখন খুনি

ক্ষমতায় গেলে যেসব কাজ করবে ঐক্যফ্রন্ট জানালেন ডা. জাফরুল্লাহ

‘নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে’

বিএনপিতে মনোনয়ন যুদ্ধে সাবেক ছাত্র নেতারা

তলাফাটা নৌকা নিয়ে কতদূর যেতে পারেন দেখাতে চাই

সিলেটে জামায়াতকে ছাড় দিতে চায় না বিএনপি

রাষ্ট্র ভিন্নমতাবলম্বীদের সহ্য করতে পারছে না

নয়া মার্কিন দূত মিলার ঢাকা আসছেন আজ

দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে নাগরিক ঐক্য

ভোট পর্যবেক্ষণের আবেদন ২১ নভেম্বরের মধ্যে