আফগানিস্তানে নির্বাচনে দেশজুড়ে ব্যাপক হামলা, শৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২১ অক্টোবর ২০১৮, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৩৫
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণের সময় আÍঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা। হামলায় আহত হয়েছেন আরো ৬৭ জন। আফগান কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে বৃটেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এখন পর্যন্ত কোনো জঙ্গি গোষ্ঠী শনিবারের হামলার দায় স্বীকার করেনি। নির্বাচনের দিন সমগ্র আফগানিস্তান জুরেই অনেক হামলা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে হতাহত হয়েছেন অন্তত ১৭০ জন। ভোট কেন্দ্রগুলোতে রকেট লাঞ্চার ও বন্দুক নিয়ে হামলা হয়।
হামলার পাশাপাশি দুর্বল ব্যবস্থাপনা আর কারিগরি সমস্যার কারণেও ভোট গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। প্রথম দিনে সব মিলিয়ে দেশটির একুশ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। হামলার কারণে কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিছুক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের সময়সীমা রবিবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রবিবারে কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে এখন পর্যন্ত আফগানিস্তানে কমপক্ষে ১০ জন প্রার্থী বিভিন্ন হামলায় নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরো দুইজন প্রার্থী অপহরণের শিকার হয়েছেন, যাদের স¤পর্কে এখনো কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আফগানিস্তানে কর্তব্যরত আল-জাজিরার সাংবাদিক হামজা মোহাম্মদ জানিয়েছেন, নির্বাচনে এখন পর্যন্ত সবথেকে বড় সমস্যা নিরাপত্তা। হামলা আতঙ্কে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে আসছে না। তালেবানের হুমকি মোকাবেলায় দেশজুরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
শনিবার, বায়োমেট্রিক সিস্টেম ঠিকভাবে কাজ না করায় ও সময়মতো ভোটার তালিকা না পৌঁছানোয় বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্ভব হয়নি। কিছু ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ দেরিতে শুরু হওয়ায় সারা দেশে ভোট দানের সময় স্থানীয় সময় রাত আটটা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়। যেসব ভোট কেন্দ্রে প্রথম দিন ভোট গ্রহণ সম্ভব হয়নি, সেসব কেন্দ্রে রবিবার ভোট গ্রহণ হয়েছে। গজনি এবং কান্দাহারে বৃহস্পতিবার তালেবানের ভয়াবহ হামলার কারণে সেখানে ভোট গ্রহণ এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। শনিবার ভোট গ্রহণের সময় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ এনেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, এখানে সবকিছুই বিশৃঙ্খলায় পূর্ন, কিছুই ঠিকভাবে কাজ করছে না। দেশটির নির্বাচন কমিশন বলেছে, সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনে সেখানে পুনরায় ভোটগ্রহন হবে। ট্রান্সপারেন্ট ইলেকশন ফাউন্ডেশন অব আফগানিস্তানের পরিচালক নায়িম আইয়ুবজাদা আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, শতকরা ২৫ ভাগেরও বেশি ভোটকেন্দ্রে খুলে নি। ৩২ শতাংশ বায়োমেট্রিক সিস্টেম সমস্যা করেছে ও ২২ শতাংশ কাজই করেনি। এছাড়া ৯ শতাংশ কেন্দ্রে বায়োমেট্রিক সিস্টেম ব্যবহার করা হয়নি।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ইসির অনাপত্তি, মুহিতকে নিষেধ

নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের স্ট্যাটাস কী হবে জানতে চান কূটনীতিকরা

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের উদ্বেগ

কারাগারে থেকে ভোটের প্রস্তুতি

শহিদুল আলমের জামিন

ধানের শীষে লড়বে ঐক্যফ্রন্ট

নিপুণ রায় চৌধুরী গ্রেপ্তার

আতঙ্ক উপেক্ষা করে পল্টনে ভিড়

বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত

কুলাউড়ায় সুলতান মনসুরের বিপরীতে কে?

ঢাকার প্রচেষ্টা ব্যর্থ

নির্বাচন পেছাবে না ইসির সিদ্ধান্ত

ঝিনাইদহে ৩৭৪ মামলায় আসামি ৪১ হাজার

বিএনপি আবার আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে

বড় জয়ে সিরিজে সমতা

উত্তেজনায় ফুটছে বৃটিশ রাজনীতি, চার মন্ত্রীর পদত্যাগ