সম্পাদক পরিষদের সাত দফায় একাত্মতা সুপ্রিম কোর্ট বারের

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৭
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নিবর্তনমূলক ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৩ ধারা বাতিল চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। একই সঙ্গে এই আইন নিয়ে সম্পাদক পরিষদের সাত দফা দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন সমিতির নেতৃবৃন্দ। এই আইনের নিবর্তনমূলক ধারাগুলো চ্যালেঞ্জ করে সম্পাদক পরিষদ উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাইলে তাদের বিনা ফি’তে আইনি সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গতকাল দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি এ ঘোষণা দেয়।
এ সময় জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘বিভিন্ন মহলের ব্যাপক আপত্তি ও মতামত উপেক্ষা করে পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এই আইন নিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে দিন দিন সব মহলের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।’ ‘এই আইনটি সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি বাস্তব হুমকি বলে আমরা মনে করি।’ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘শুধু সাংবাদিক সমাজই নয়, এই আইনের ব্যাপারে আইনজীবীসহ অন্যান্য শ্রেণি-পেশা এবং সাধারণ মানুষসহ প্রায় সকলেই ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাই আমরা দেশ ও গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে এই আইনের নিবর্তনমূলক ধারা অনতিবিলম্বে বাতিলের জোর দাবি জানাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পূর্বের ৫৭ ধারার চেয়েও উদ্বেগজনক।
বর্তমান আইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অপরিসীম ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। সংবিধান প্রদত্ত ৩৯ (১) এবং ৩৯ (২)-এর সকল অধিকার হরণ করা হয়েছে।

তাই আমরা সম্পাদক পরিষদের সাত দফা দাবির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি।’ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা, কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট নাসরিন আক্তার, সিনিয়র সহ-সম্পাদক কাজী মো. জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-১০-১৭ ০১:১৬:৩২

সরকার নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাশ না করলেও পারত। নির্বাচনের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে সরকার গঠন করতে পারলেও আইন করা যেত। এখন সব বিতর্কিত বিষয়ে দোষী হবে আ লীগ । অথচ অন্যদল সরকার গঠন করলে ফায়দা লুটবে তারা । আ লীগকেও কোনঠাসা করবে।

আপনার মতামত দিন