সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহিদ

সিলেটের এমপি কয়েসের বাবা ছিলেন শান্তি কমিটির আহ্বায়ক

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার
সিলেট-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মাহমুদ উস-সামাদ চৌধুরী কয়েস একজন রাজাকারের ছেলে। তার বাবা ছিলেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শান্তি কমিটির আহ্বায়ক দেলোওয়ার হোসেন ওরফে ফিরু রাজাকার। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে স্থানীয় ফেঞ্চুগঞ্জ পশ্চিমবাজারে কাইয়ার গুদামে নিরীহ নারীদের নির্যাতন, স্বাধীনতার সপক্ষের মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের  হত্যা এবং অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে ফিরু রাজাকারের তালিকা অনুযায়ী। এমপি কয়েসও  মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকবাহিনীর স্থানীয় কমান্ডার ক্যাপ্টেন আনসারীর জলপাই রংয়ের জিপ গাড়িতে চড়ে ফেঞ্চুগঞ্জের আনাচে কানাছে ঘুরে বেড়াতেন। তিনি নির্যাতনের ছক তৈরি করেছিলেন স্থানীয়ভাবে। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর লেখনীতে সেই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমনইভাবে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান আবু জাহিদ। তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের অসহযোগিতার কারণেই দক্ষিণ সুরমা উপজেলাবাসী উন্নয়ন বঞ্চিত বলে অভিযোগ করেছেন এ উপজেলার চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবু জাহিদ। গতকাল দুপুরে নগরীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ উত্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সিলেটে ৩ আসনের এমপি মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েসের অসহযোগিতা ও উন্নয়ন বিমুখ অসৎ মানসিকতার কারণে দক্ষিণ সুরমার মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি সময়ের ব্যবধানে পাহাড়সম হলেও দক্ষিণ সুরমার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও অবকাঠামোর উন্নয়ন হয়নি। রাস্তাঘাটের বেহালদশা। সিলেট- সুলতানপুর-বালাগঞ্জ সড়কের ২২ কিলোমিটারের অবস্থা করুণ। এই রাস্তা নিয়ে এমপি বিরূপ মন্তব্য করে বলেছেন, রাস্তা নদী হয়ে গেলেও তার কিছু যায় আসে না। এছাড়া দক্ষিণ সুরমার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি এখন পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। দক্ষিণ সুরমা স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রক্রিয়া এখন অন্ধকারে। সাইন বোর্ডে ঝুলে আছে দক্ষিণ সুরমার বিভাগীয় স্টেডিয়ামের কার্যক্রম। মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার তোড়জোড় শুনা গেলেও বাস্তবে কোনো তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। দক্ষিণ সুরমায় ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগটিও এমপির অদক্ষতায় স্থানান্তরিত হয়ে গেছে। বঞ্চিত হয়েছে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের বিশাল সুযোগ। বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুল সরকারিকরণে এমপির ব্যক্তিগত পছন্দ ও অপছন্দের কারণে শিক্ষা বিপ্লব থেকে বঞ্চিত দক্ষিণ সুরমাবাসী। উন্নয়ন চিত্রের পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক অবস্থা আরো করুণ। এখানে সরকারদলীয় এমপি থাকলেও সরকার দল সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজিত করা হয় স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে। এমপি তার আধিপত্য ধরে রাখতে দলীয় প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব হাইব্রিডদের পৃষ্ঠপোষকতার কারণে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা আজ নিষ্ক্রিয়। এমপির ছত্রছায়ায় সরকারি বরাদ্দ লুটপাটের তীব্র প্রতিযোগিতা এখানে চলছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ইসির অনাপত্তি, মুহিতকে নিষেধ

নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের স্ট্যাটাস কী হবে জানতে চান কূটনীতিকরা

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের উদ্বেগ

কারাগারে থেকে ভোটের প্রস্তুতি

শহিদুল আলমের জামিন

ধানের শীষে লড়বে ঐক্যফ্রন্ট

নিপুণ রায় চৌধুরী গ্রেপ্তার

আতঙ্ক উপেক্ষা করে পল্টনে ভিড়

বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত

কুলাউড়ায় সুলতান মনসুরের বিপরীতে কে?

ঢাকার প্রচেষ্টা ব্যর্থ

নির্বাচন পেছাবে না ইসির সিদ্ধান্ত

ঝিনাইদহে ৩৭৪ মামলায় আসামি ৪১ হাজার

বিএনপি আবার আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে

বড় জয়ে সিরিজে সমতা

উত্তেজনায় ফুটছে বৃটিশ রাজনীতি, চার মন্ত্রীর পদত্যাগ