মজুরি বাড়ায় রক্তক্ষরণ হচ্ছে: বিজিএমইএ

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৫ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার, ৪:২৮ | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৪৬
সরকারের পক্ষ থেকে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করায় পোশাক শিল্পের উদ্যাক্তাদের রক্তক্ষরণ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান। সোমবার বিজিএমইএ কার্যালয়ে ‘পোশাক শিল্পের ন্যূনতম মজুরি ও বর্তমান পরিস্থিতি’ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। মালিক শ্রমিক সব পক্ষ বিষয়টি মেনে নিয়েছে। কিন্তু কিছু শ্রমিক নেতা, এনজিও ও দুষ্কৃতিকারী বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে প্রগাগান্ডা ছড়াচ্ছে। তিনি বরেন, ‘জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন’ নামের একটি সংগঠন বিভিন্ন ভুল তথ্য সম্বলিত প্রচারপত্র বিলি করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।
তিনি বলেন, ২০১০-১৮ সাল পর্যন্ত পোশাক শিল্পের মজুরি বৃদ্ধির হার ৩৮১.৩৫ শতাংশ। তারপরও তথা কথিত শ্রমিক নেতারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে এ খাতকে অস্থির করার পায়তারা করছে।

সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কারখানা সংস্কার, মজুরি বৃদ্ধিসহ নানা কারণে ২০১৪-১৮ সাল চার বছরে প্রায় ১২০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আমাদের আশঙ্কা ভবিষ্যতে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে।
তাই নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়ন বিশাল চ্যালেঞ্জ বলে জানান পোশাক মালিকদের এ নেতা। এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে সরকার।

ঘোষণা অনুযায়ী, দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয় ৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে বেসিক ৪ হাজার ১০০ টাকা; বাড়ি ভাড়া ২০৫০ টাকা; চিকিৎসা ভাতা ৬০০ টাকা; যাতায়াত ভাতা ৩৫০ টাকা; খাদ্য ভাতা ৯০০ টাকা। এদিকে সর্বশেষ ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর ৫ হাজার ৩০০ টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করেছিল সরকার। সেই হারেই এখন বেতন পাচ্ছিলেন পোশাক শ্রমিকরা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও মঈনুদ্দিন আহমেদ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

বাচ্চু মিয়া

২০১৮-১০-১৫ ২৩:৫০:০৫

আজ পর্যন্ত যখনই শ্রমিকের মজুরী বৃদ্ধির আওয়াজ এসেছে তখনই বিজিএমই বলেছে তাদের কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। প্রশ্ন হচ্ছে সিদ্দিকুর রহমান এর আগে কয়টি ফ্যাক্টরি ছিলো আর এখন কয়টি হয়েছে? আগে কত টাকার মালিক ছিলো আর এখন কত টাকা হয়েছে? এখন পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে কত সুবিধা মালিকরা পেয়েছে আর কত সুবিধা শ্রমিকরা পেয়েছে? সর্বশেষ বলতে চাই, আপনাদের উচিত ছিলো জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন এর বক্তব্য নেয়া একতরফা মালিকদের বক্তব্য প্রচার করা ঠিক না।

আপনার মতামত দিন

পদ হারালেন জিএম কাদের

গণপরিবহনে বিশৃঙ্খলার নেপথ্যে

অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন মেনন, লাইসেন্স ছিল না চালকের

পতাকা উত্তোলন দিবস আজ

ওয়াশিংটনে মোমেন-পম্পেও বৈঠক ১০ই এপ্রিল

ইন্টারনেটে ব্ল্যাকমেইল

বরিশালে দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ নিহত ৭

ডাকসুর নেতৃত্ব দেবেন নুর, থাকবেন আন্দোলনেও

ঐক্যফ্রন্টের কর্মী সমাবেশ এপ্রিলে

দুই মিনিট স্তব্ধ নিউজিল্যান্ড, সংহতি অস্ট্রেলিয়ারও

বিমানবন্দরে অস্ত্রসহ আওয়ামী লীগ নেতা আটক

বিয়ের পিঁড়িতে ‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজ

যক্ষ্মা: ২৬ শতাংশ রোগী শনাক্তের বাইরে

ওবায়দুল কাদের শঙ্কামুক্ত

কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ীসহ নিহত ৩

দর্শকশূন্যতার বড় কারণ হলের বাজে পরিবেশ