নির্বাচন নিয়ে কর্নেল অলি’র সংশয়

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ অক্টোবর ২০১৮, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৭
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি’র) সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, দেশে আদৌ কোনো নির্বাচন হবে কিনা এ নিয়ে আমি এখনো নিশ্চিত নই। নির্বাচন হলেও জনগণ ভোট দিতে পারবে কি না সে প্রশ্নও তুলেছেন কর্নেল অলি। গতকাল রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন

রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে একটি ক্রান্তিকাল চলছে। সমগ্র দেশে উৎকণ্ঠা, আতঙ্ক ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। কেউ জানে না আগামী দিন কী হতে যাচ্ছে। জাতির সামনে, এখন যারা সরকারে আছে এবং আমাদের সামনে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো যদি আমরা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মোকাবিলা না করি তাহলে আমি তৃতীয়বার বলছি রক্তাক্ত পরিস্থিতি এড়ানো যাবে না।


কেউ যদি মনে করে ২০১৪ সাল পুনরায় ফিরে আসবে তাহলে সে বোকার স্বর্গে বাস করছেন। সেটা আর কখনোই ফিরে আসবে না। সবাই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকবে আগামী নির্বাচনে। জোট-মহাজোট যারাই যেখানে আছে কেউ কাউকে ছাড় দেবে না।

 কর্নেল অলি বলেন, সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সবার কাছে এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে কি না। এ নির্বাচন না হলে মানুষ আগামী দিনে ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নেমে পড়বে। বেশি দিন এটা আর কেউ সহ্য করবে না। সুশাসনের জন্য এটা বড় চ্যালেঞ্জ।

এলডিপি সভাপতি বলেন, আমরা ২০ দলীয় ঐক্যজোটে আছি। বিএনপি হলো সব থেকে বড় রাজনৈতিক দল। তারা ড. কামাল হোসেন এবং ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছে। আমি আমাদের পক্ষ থেকে তাদের শুভ কামনা করি।

আমি প্রথম থেকেই বলে আসছি সময় খুবই কম। কাজটি অনেক কঠিন। এই কঠিন সময়ে ভাগাভাগি কতটা সম্পন্ন হবে। বাংলাদেশের মানুষের যে চরিত্র সেটা দেখে আমার সন্দেহ হয়েছিল, তাই এলডিপির পক্ষ থেকে সেদিন পরিষ্কার উল্লেখ করেছি।

অলি আহমদ বলেন, যাদের কাছে দুজন প্রার্থী নেই তারাও এখন ১৫০ জন প্রার্থী চায়। এটা দিয়ে রাজনীতি হয় না। এটা ভাগ বাটোয়ারার রাজনীতি। এ রাজনীতি হবে না। প্রাধান্য দিতে হবে যোগ্যতা এবং জনগণের কাছে যার যোগ্যতা আছে তাকে। না হলে দেশের মানুষের জনরোষ থেকে কেউই রক্ষা পাবে না। সময় থাকতে সবাইকে আমি সাবধান করছি। আগামীদিনে এত সহজেই আপনারা পার পাবেন না। যে যতই আনন্দ করুক না কেন, তারা যে যা পাপ করেছে, সেটা তাদের অন্তর জানে।

তিনি বলেন, আমি সর্বশেষ আবারো বঙ্গবন্ধু কন্যাকে আহ্বান জানাব আলোচনার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করার। যাতে মানুষের ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। তাছাড়া নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা দিলে দেশে আরেকটি রক্তপাত অপেক্ষা করছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক হুইপ আবদুল করিম আব্বাসি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক এমপি প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক এমপি আবদুল গণি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার কামাল উদ্দিন মোস্তফা, এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম প্রমুখ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

৪০তম বিসিএসে ৪ লাখের বেশি আবেদন!

হেলমেটধারীসহ ৬ জন ৫ দিনের রিমান্ডে

বিদেশি চ্যানেলে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের ঘোষণা

‘এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায় করলে ব্যবস্থা’

‘পুলিশ হেড কোয়ার্টারে বসে কারচুপির ষড়যন্ত্র করছে’

মনোনয়ন পাচ্ছেন না বদি-রানা

আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

রফিকুল ইসলাম মিয়ার ৩ বছর কারাদণ্ড

এরশাদ কন্যা মৌসুমীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

প্রেস পাস পুনর্বহাল সাংবাদিক অ্যাকস্টার

গাংনীতে অস্ত্র-মাদকসহ আটক ১

এরশাদকে ছেড়ে যাবো না

পর্যবেক্ষকরা মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে ভোট পর্যবেক্ষণ করবেন: ইসি সচিব (ভিডিও)

ভারতভুক্তির তিন বছর পর সাবেক ছিটবাসীরা জমির স্বত্ব পাচ্ছেন

‘পাকিস্তানকে বলির পাঁঠা বানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র’

ফিরলেন এরশাদ