২১ আগস্ট হামলা মামলার রায় স্টেট স্পন্সর জাজমেন্ট

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১১ অক্টোবর ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ১:১২ | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৫০
২১ অগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় স্টেট স্পন্সর জাজমেন্ট বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ বৃহস্পতিবার নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় গতকাল যে সাজা দেয়া হয়েছে তা ‘স্টেট স্পন্সর জাজমেন্ট’। বিএনপিকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার জন্যই সরকারের বিশেষ ব্যক্তির মনোবাঞ্ছা পূরণে এই রায়। এই রায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এজন্য যে, একতরফা নির্বাচন করার জন্য এই রায় একটি কারসাজি। রিজভী আহমেদ বলেন, ২১শে আগষ্ট বোমা হামলা মামলায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ফাঁসানোর জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে কি নির্মমভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল সে সম্পর্কে আপনাদের ইতোপূর্বে অবহিত করেছি। হাত-পায়ের নখ তুলে নিয়ে অকথ্য শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে সম্পূরক জবানবন্দি নেয়া হয়েছিল। মুফতি হান্নান দাবী করে বলেন, ব্যাপক নির্যাতন করে সিআইডি’র লিখিত কাগজে তার সই আদায় করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ২০১১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রথম আলো পত্রিকায়-“সম্পূরক জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন মুফতি হান্নানের" শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছে-‘২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ বিএনপি-জামায়াত নেতাদের জড়িয়ে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন মুফতি হান্নান। তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে এধরণের কোন জবানবন্দী দেননি বলে আদালতকে জানিয়েছিলেন।

সুতরাং বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোকে নিশ্চিহ্ন করার জন্যই কারো ইচ্ছা পূরণে গতকাল এই রায় দেয়া হয়েছে। কিন্তু জনগণ এই রায় প্রত্যাখান করেছে। এই রায়ের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে সারাদেশে বিক্ষোভ করেছে বিএনপিসহ সাধারণ জনগণও। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে বন্দুকের জোরে তাড়িয়ে দেয়া এবং সঠিক বিচার করতে গিয়ে জেলা জজ মোতাহার হোসেনকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। সুতরাং গতকাল নি¤œ আদালত যদি সঠিক রায় দিতো তাহলে তাকেও দুর্ভাগ্য বরণ করতে হতো। লক্ষীপুরে এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলামকে প্রকাশ্যে খুন করে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা নিয়ে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তথ্যমতে, এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিশেষ ক্ষমতায় অন্যান্যদের মধ্যে প্রায় ৬ হাজারের মতো ভয়ঙ্কর আসামীকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং সরকার এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত বিচার প্রক্রিয়া দুষ্টকে পালন করারই দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সুতরাং যতদিন এই ভোটারবিহীন সরকার ক্ষমতায় থাকবে ততদিন কেউ ন্যায়বিচার পাবে না বলেই জনগণ মনে করে।   
এসময় সারাদেশে বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের তথ্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতারা বিএনপি নেতাকর্মীদের দোকানপাট, বাড়ী ঘরে ব্যাপক হামলা চালিয়ে উল্টো বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

ব্রিফিংয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান, সাংগঠনিক সহ সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, দপ্তর সহ সম্পাদক মুনির হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

এমন নির্বাচন হওয়া উচিত যাতে বৈধতার সংকট থেকে শাসনব্যবস্থা মুক্ত হয়

সেপ্টেম্বরে খাসোগি হত্যার নীলনকশা তৈরি হয়

খালেদা জিয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চায় দুদক

মানহানির মামলায় মইনুল হোসেন কারাগারে

মইনুলকে গ্রেপ্তার জরুরি ছিল- কাদের

ঢাবি’র ‘ঘ’ ইউনিটের উত্তীর্ণদের নিয়ে আবার পরীক্ষা

সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে ড. কামালের উদ্বেগ

সেলিম ওসমানকে অব্যাহতি

কোটা আন্দোলনের চার নেতাকে ছাত্রলীগের মারধর

জয়-পরাজয়ে অন্তরায় কোন্দল

পার্বত্য অঞ্চলের শান্তিতে হুমকি ৯৬৯-এর তৎপরতা

সিলেটে রাতে ধরপাকড়ের অভিযোগ

সিলেটে মাজার জিয়ারতে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ( ভিডিও)

এবার মোবাইল অ্যাপ দেবে অ্যাম্বুলেন্সের সন্ধান

মধ্যরাতে তরুণীর সঙ্গে পুলিশের অশোভন আচরণ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ

সৌদিতে ‘যৌনদাসী’ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি নারীরা