চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে হালাল পণ্য বিরোধী অভিযান

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১১ অক্টোবর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৩২
মুসলিম অধ্যুষিত জিনজিয়াং প্রদেশে হালাল খাদ্য ও পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করেছে চীন। তবে দেশটির দাবি, তাদের এই অভিযান ধর্মীয় উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে। গত সোমবার প্রদেশটির রাজধানী উরুমকিতে এ অভিযান শুরু করেছে চীন। ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা-কর্মীরা হালালপন্থী প্রবণতা নি:শেষ করার শপথ নিয়েছেন। এর আগেও সেখানে বসবাসকারী মুসলিমদের ওপর বিভিন্ন বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে কমিউনিস্ট সরকার। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
খবরে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিনজিয়াংয়ে দফায় দফায় অভিযান চালিয়েছে বেইজিং। কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে এসব অভিযান চালিয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের রিপোর্টে জিনজিয়াংয়ে বসবাসকারী মুসলিমদের আরো ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রদেশটির প্রায় দশ লাখ উইঘুর মুসলিমকে জোরপূর্বকভাবে বেআইনি ‘পুন:শিক্ষা শিবিরে’ আটকে রাখা হয়েছে। এবার জিনজিয়াংয়ে নজিরবিহীনভাবে হালাল বিরোধী অভিযান শুরু করলো কমিউনিস্ট সরকার। ইসলাম ধর্মের রীতি অনুসারে যেসব পণ্য, খাদ্য বা পানীয় ব্যবহার বা ভক্ষণ বৈধ সেগুলোই হালাল বলে পরিচিত। এটা মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধান। কিন্তু গত সোমবার উরুমকির কমিউনিস্ট নেতারা তাদের অনুসারীদের হালাল বিরোধী যুদ্ধে নামার শপথ পড়িয়েছেন। উরুমকির দাপ্তরিক ‘উইচ্যাট’ অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে ধর্ম বর্জনের ডাক দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি  কমিউনিস্ট পার্টির নেতা-কর্মীদের হালাল বিরোধী যুদ্ধে শামিল হওয়ার শপথ নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া, হোটেলে হালাল খাদ্যের বিশেষ ব্যবস্থা রাখার প্রবণতা বাদ দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে সমর্থন দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত  গ্লোবাল টাইমস ট্যাবলয়েডের খবরে বলা হয়েছে, হালালপন্থি প্রবণতার কারণে ধর্মীয় উগ্রপন্থার উদ্ভব ঘটছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের প্রাণঘাতি সহিংসতার পর থেকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জিনজিয়াং প্রদেশে চীনা কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সেখানে উইঘুরসহ অন্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর নেমে এসেছে একের পর এক কঠোর বিধি নিষেধ। সেখানে মুসলিমদের দাড়ি ও বোরকা নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া, লাখ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বিচারবহির্ভূতভাবে ‘পুন:শিক্ষা’ কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়েছে। যদিও চীন এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

md. Abdur Rahim

২০১৮-১০-১৪ ০৪:১৬:২৪

Allah plz save Muslim community in China & other world. Ameen.

a-z

২০১৮-১০-১১ ২০:৩৬:০০

May ALLAH help our brothers.

আপনার মতামত দিন

বিয়ে নিয়ে এলাহিকান্ড

টুইটার প্রধান কী লিখে তোপের মুখে পড়েছেন ?

সতর্ক করা হয়েছে মিয়ানমারের মন্ত্রীকে

‘এখন আর সেই চাপ নেই’

হাইকোর্টের আদেশের পর ধানের শীষ পেলেন ৩ প্রার্থী

মাঠের লড়াই শুরু

১০ বছরে দ্রুত বেড়েছে ধনী-গরিব বৈষম্য

ধ্রুপদী লড়াই

ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ

বিএনপিতে নতুন মুখের জয়জয়কার

উন্মুক্ত আসনের রাজনীতির নেপথ্যে কী?

মহাজোটে পুরনো আর অভিজ্ঞদের প্রাধান্য

প্রার্থিতা ফিরে পেতে খালেদা জিয়ার রিট

ব্যাংক লুটেরাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি টিআইবির

পেট্রোলবোমার পাশাপাশি লগি-বৈঠা, ব্যাংক লুট বাকস্বাধীনতা হরণের কথাও তুলে ধরা যেতো

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়ে বিব্রত ইসি