‘গায়েবী’ মামলা নিয়ে রিটের শুনানি শুরু

পুলিশের ইমেজ ও বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হচ্ছে: হাইকোর্ট

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৮ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার, ৫:২৭ | সর্বশেষ আপডেট: ৯:২৩
রাজধানীসহ সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মী ও দলটির আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ‘গায়েবী’ ও ‘কাল্পনিক’ মামলা নিয়ে করা রিট আবেদনের শুনানি শুরু হয়েছে।

বিচারপতি মইনুল হোসেন ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ এ শুনানি শুরু হয়। শুনানিকালে বেশকিছু মামলার এজাহার পর্যবেক্ষন করে আদালত বলেন, এ ধরনের মামলায় পুলিশের ইমেজ ও বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হচ্ছে। সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রসঙ্গে বিষ্ময় প্রকাশ করে আদালত বলেন, খন্দকার মাহবুব হোসেন বারের সিনিয়র আইনজীবী। তিনিও ককটেল মেরেছেন? এটা হাস্যকর।

এর আগে রিটের শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, যেসব গায়েবি মামলা হয়েছে সেগুলোর অভিযোগ সব একই। একই স্থানে একাধিক ঘটনার কথা বলা হয়েছে।
১০ বছর আগে মৃত্যুবরণ করা ব্যক্তিও না-কি পুলিশকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ককটেল মেরেছেন। শুনানি শেষে আদালতের কাছে রুল চান ড. কামাল হোসেন। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানির জন্য সময় চাইলে আদালত মঙ্গলবার তাঁকে শুনানি করতে বলেন। পাশাপাশি তাঁকে উদ্দেশ্য করে আদালত বলেন, আপনি যদি নির্দেশনা দিতেন তাহলে এ ধরনের মামলা হত না। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

রিটের পক্ষে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, মওদুদ আহমদসহ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, মাহবুব উদ্দিন খোকন, সারা হোসেন, কায়সার কামাল, একেএম এহসানুর রহমান, মাসুদ রানা প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আজ অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করবেন। এর আগে গত ২৩শে সেপ্টেম্বর এই রিট আবেদন করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী ও দলটির আইন বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লা মিয়া।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোঃ জুলকার নাইণ

২০১৮-১০-০৯ ০১:২৩:৩৯

এটা হাস্যকর।এ সকল আইনজীবীরাও ককটেল মারছেন? সত্যিই হাস্যকর। পুলিশ প্রশাসনের উচিত বাস্তব মামলার উপোযোগী হলে মামলা করা। সরকারকে খুশি করতে যেয়ে উল্টো সরকারকে বিব্রত করা হয়ে যায়। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়।

Nazrul Islam

২০১৮-১০-০৮ ২৩:৪৫:১০

২ য় বিশ্বযুদ্বে জার্মানীর সেনারা হিটলারের নির্দেশে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিল এই ভেবে তাদের দায়িত্ব বস অথবা নেতার নির্দেশ মান্য করা । একইভাবে কমিউনিষ্টরা হত্যা করেছিল লক্ষ লক্ষ মানুষ ষ্ট্যলিন এবং মাও সেতং এর নির্দেশে আর বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে ইয়হিয়া খানের নির্দেশে । স্বাধিনতার পরের সরকার গুলোও আজ অবদি ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে দিয়ে জনগনের উপর নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে । নিরাপত্তা বাহিনীর লোকদের প্রতি আমার অনুরোধ আপনারা দরকার হয় অন্য যে কোন চাকুরী করুন তবুও নিরাপরাধ মানুষকে গ্রেপ্তার, অাঘাত কিংবা হত্যা করবেন না । মনে রাখবেন অত্যচারীদের শাস্তি একদিন না একদিন হবেই এবং আপনাদের সন্তানরাও আপনাদেরকে ঘৃণা করবেই ।উল্লেখ্য পুলিশের আইনের বইয়ে লিখা আছে কেহ অন্যায় কোন নির্দেশ দিলে পুলিশ সেটা শুনতে বাধ্য নয় ।

ইনাম

২০১৮-১০-০৮ ০৫:৫৫:৫৪

পুলিশের ইমেজ ও বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক আগেই নষ্ট হয়ে গেছে । এর জন্য দায়ী রাজনৈতিক নেতারা । এক জন থানার ওসি, এস পি কে যা ভয় পায়, তার থেকে বেশী ভয় পায় উপজেলা পর্যায় এক জন নেতাকে ।

মশিউর

২০১৮-১০-০৮ ০৫:২৪:২৯

যা দেখলাম যা দেখবো ! যাই হোক ড, কামাল স্যার সহ কিছু ব্যক্তি দ্বারা দেশের সুশাসন সম্ভব ।আসলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখি পুলিশের পাওয়ার ।পুলিশ ইচ্ছা করলেই সকল প্রকার মাস্তান দুর করতে পারবে কিন্তু তারা করে না ।

SM Rafiqul Islam

২০১৮-১০-০৮ ০৪:৪৪:০৮

No comments. Wait & see. Pray to Allah.

আপনার মতামত দিন

এমন নির্বাচন হওয়া উচিত যাতে বৈধতার সংকট থেকে শাসনব্যবস্থা মুক্ত হয়

সেপ্টেম্বরে খাসোগি হত্যার নীলনকশা তৈরি হয়

খালেদা জিয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চায় দুদক

মানহানির মামলায় মইনুল হোসেন কারাগারে

মইনুলকে গ্রেপ্তার জরুরি ছিল- কাদের

ঢাবি’র ‘ঘ’ ইউনিটের উত্তীর্ণদের নিয়ে আবার পরীক্ষা

সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে ড. কামালের উদ্বেগ

সেলিম ওসমানকে অব্যাহতি

কোটা আন্দোলনের চার নেতাকে ছাত্রলীগের মারধর

জয়-পরাজয়ে অন্তরায় কোন্দল

পার্বত্য অঞ্চলের শান্তিতে হুমকি ৯৬৯-এর তৎপরতা

সিলেটে রাতে ধরপাকড়ের অভিযোগ

সিলেটে মাজার জিয়ারতে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ( ভিডিও)

এবার মোবাইল অ্যাপ দেবে অ্যাম্বুলেন্সের সন্ধান

মধ্যরাতে তরুণীর সঙ্গে পুলিশের অশোভন আচরণ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ

সৌদিতে ‘যৌনদাসী’ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি নারীরা