নতুন মোড়কে ড. নূরুন নাহারের আন্তর্জাতিক মানবিক আইন গ্রন্থ

শিক্ষাঙ্গন

ইবি প্রতিনিধি | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:১৮
বহুল প্রচলিত ‘এ টেক্সট বুক অব ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিটারিয়ান ল’ আইন গ্রন্থটি নতুন মোড়কে প্রকাশ হয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. নূরুন নাহার রচিত বইটি নকল এড়াতে স্বাক্ষরসহ নতুন রূপে বাজারে এনেছেন। পরিমার্জিত এ বইয়ে আন্তর্জাতিক আইনের সকল পাঠ সংযোজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ড. নাহার বলেন, ২০১২ সালে দেশের সকল বিশ্বববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম অনুযায়ী বইটি লিখেছিলাম। এতে রয়েছে চারটি জেনেভা কনভেনশন ও অতিরিক্ত অসংখ্য প্রটোকল বিশ্লেষণ। যা একই সাথে ¯œাতক, ¯œাতোকোত্তর এবং গবেষণা স্তরে শিক্ষাগ্রহন ও তথ্যঅনুসন্ধানে ভূমিকা রাখবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের ধারনা, মূলনীতি, উৎস, ক্রমবিকাশ। সশস্ত্র সংঘাতের ধারনা, শ্রেনীবিন্যাস এবং সংশ্লিষ্ট বিধান। বেসামরিক ব্যাক্তির শ্রেনীভাগ ও সুরক্ষা সমূহ, নারী ও শিশুদের বিশেষ সুরক্ষাসমূহ। যুদ্ধবন্দীর ধারনা এবং তাদের সাথে আচরণ ও সুরক্ষা সমূহ। যুদ্ধে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক সম্পদের সুরক্ষা। যুদ্ধে অসীম ব্যবহার নিষিদ্ধ কৌশল ও অস্ত্রের বর্ণনা। শরণার্থী ও তাদের সুরক্ষায় জাতিসংঘের পদক্ষেপ এবং সুরক্ষা। এছাড়া যুদ্ধকালে অপরাধ, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, দখলকৃত ভূখন্ড, যুদ্ধে অবশ্য পালনীয় বিধান, আন্তর্জাতিক রেডক্রস সংস্থার গঠন, কার্যপদ্ধতি, নীতিমালা ও বাংলাদেশে সাফল্যসমূহ বিস্তর ভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

প্রকল্পের কেনাকাটায় সতর্ক থাকার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

রাব্বানী পদত্যাগ না করলে ব্যবস্থা: নুর

ঢাবিতে যত অনিয়ম, বিতর্ক

পার্লামেন্ট স্থগিত করা নিয়ে বৃটিশ সুপ্রিম কোর্টে শুনানি শুরু

নবম সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ডের রোয়েদাদ বাস্তবসম্মত নয়

আমাকে এই জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন

কাউন্সিলে বড় পরিবর্তন আসছে আওয়ামী লীগে

পিয়াজে এত ঝাঁজ

ডেঙ্গুতে দু’মাসে ক্ষতি সাড়ে ৩০০ কোটির উপরে

যুদ্ধ চাই না, তবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত আছি

‘আলামতে’ ঘুম ভাঙছে নেতাদের

মৃত্যুর আগে রিকশাচালককে যা বলেছিলেন রিফাত

আফগান প্রেসিডেন্টের নির্বাচনী সমাবেশে হামলায় নিহত ২৬

প্রত্যাবাসনে ত্রিদেশীয় বৈঠক ২৪শে সেপ্টেম্বর থাকছেন জাতিসংঘ মহাসচিবও

ছাত্রদল নেতাদের মতামত শুনলেন তারেক রহমান

প্রেস কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার চায় এলআরএফ