খালেদার অনুপস্থিতিতে বিচার কাজ বেআইনি : ফখরুল

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ২:১১
 বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলার বিচার কাজ চালু রাখা বেআইনি বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এটা তার প্রতি অবিচার করা যা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।
আজ শুক্রবার বেলা পৌনে ১১ টার দিকে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাগারে স্থানান্তরিত আদালত রায় দিয়েছে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার কাজ চলবে। এটা বেআইনি, তার প্রতি অবিচার, এটা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।’
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ, তিনি হাঁটতে পারেন না, অথচ তাকে চিকিৎসা না দিয়ে আদালতকে কারাগারে স্থানান্তরিত করে বিচার কাজ পরিচালনা করছে। অথচ আইনে বলা আছে বিচার কাজ চলতে হবে অভিযুক্ত ব্যক্তির সামনে। কিন্ত আদালত আদেশ দিলো তার অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ চলবে। ’ আদালতের এ আদেশ জনগণ মেনে নিতে পারছে না এমনটা উল্লখ করে তিনি বলেন, ‘এ আদেশ পরিবর্তন হওয়া জরুরি। আমরা আবারও দাবী জানাচ্ছি খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতলে চিকিৎসা দেয়া হোক।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে গায়েবী মামলার সংখ্যা ৩৭০৬ টি, আর এজাহারে নাম আসছে ৩ লক্ষ ১৩ হাজারের বেশি, আর অজ্ঞাতনামা আসামী ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩০ জন, আটক করা হয়েছে ৩ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি।’
নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও বিরোধী মতকে বাহিরে রাখতে সরকার বিএনপি ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে গায়েবী মামলা দিয়ে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনের আগ মুহূর্তে পৃথিবীর কোনো দেশে এমন গায়েবী মামলা দায়ের করে না।
বিশ্বের যে কোনো দেশে নির্বাচনের সময় জনগণ কে নির্বাচন মুখি করা হয়। অথচ বাংলাদেশে সরকার নিজেদের অবৈধ ক্ষমতা দখলে রাখতে বিরোধী দলের নেতাকর্মী সমর্কদের নামে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। যাতে আবারো ৫ জানুয়ারি মত নির্বাচন করে ক্ষমতায় যায়।’
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই আইন করা হলো যাতে কেউ আর সরকারের অপশাসন, অন্যায় দুনীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারে। এ আইনে কোনো সরকারী কর্মকর্তার গোপন তথ্য, বা দুনীতির খবর প্রকাশ করলে ১৪ বছরের কারাদন্ড ও ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা। তাহলে বলেন গণতন্ত্র কোথায়?’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-০৯-২১ ০৩:০৫:৪২

Why don't you challenge it in supreme court ?

আপনার মতামত দিন

১০ বছরে দ্রুত বেড়েছে ধনী-গরিব বৈষম্য

ধ্রুপদী লড়াই

ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ

বিএনপিতে নতুন মুখের জয়জয়কার

উন্মুক্ত আসনের রাজনীতির নেপথ্যে কী?

মহাজোটে পুরনো আর অভিজ্ঞদের প্রাধান্য

প্রার্থিতা ফিরে পেতে খালেদা জিয়ার রিট

ব্যাংক লুটেরাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি টিআইবির

পেট্রোলবোমার পাশাপাশি লগি-বৈঠা, ব্যাংক লুট বাকস্বাধীনতা হরণের কথাও তুলে ধরা যেতো

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়ে বিব্রত ইসি

যে ব্যাখ্যা দিলেন কামাল মজুমদার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশিদের ভ্রমণ বন্ধ!

ঝিনাইদহে বিএনপি প্রার্থী মজিদের কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুর, আহত ১৫

মর্যাদার আসনে লড়াইয়ে মোমেন-মুক্তাদির

পাকিস্তান দূতাবাসে ফখরুলদের বৈঠক, ষড়যন্ত্রের আভাস- আওয়ামী লীগ

বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের খবর ভিত্তিহীন- পাকিস্তান হাইকমিশন