খালেদার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি আসছে

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০৯
সুষ্ঠু নির্বাচনসহ খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি নতুন কর্মসূচি দেবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। বলেছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনি প্রক্রিয়ায় হওয়ার কথা কিছুটা ভুলে যেতে হবে। তার মুক্তির একমাত্র পথ হলো রাজপথ। রাজপথেই এর মোকাবিলা করতে হবে। রাজপথের মাধ্যমেই তার মুক্তি আমাদের অর্জন করতে হবে। আমরা এজন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। নতুন করে কর্মসূচি দেয়া হবে।

সেই কর্মসূচির সঙ্গে আমাদের আগামী দিনের রাজনীতি, ভোটের অধিকার, গণতন্ত্রের ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার অধিকার জড়িত।
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন হয়। নতুন কর্মসূচি সফল করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য এই সরকারকে বাধ্য করতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য অন্য কোনো পথ নেই। ১৬ কোটি মানুষের মুক্তি এখন নির্ভর করছে এই জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে আন্দোলনকে সফল করার উপর। ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এই আন্দোলনে সমবেত হই।

এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। দেশের সকল শ্রেণির মানুষ আপামর সাধারণ জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ করে এই আন্দোলন সফল করবো। আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার মুক্তিতে নিম্ন আদালতকে ব্যবহার করে সরকারের হস্তক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন সাবেক এ আইনমন্ত্রী। মওদুদ বলেন, আমাদের আইনজীবীরা অনেক পরিশ্রম করেছেন। এমন কোনো পথ নেই, যে পথে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার চেষ্টা আমরা করিনি।

কিন্তু সরকার, সরকারের প্রভাবের কাছে, নিম্ন আদালতের সঙ্গে এখন পর্যন্ত আমরা জয়লাভ করতে পারিনি। কারণ, সরকার চায় না খালেদা জিয়া মুক্ত হোক। তিনি বলেন, নিম্ন আদালতের ওপর সুপ্রিম কোর্টের এখন কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। নিম্ন আদালত সম্পূর্ণ সরকারের ‘নিয়ন্ত্রণে’ চলে গেছে। সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবে এখন নিম্ন আদালতের কাজ চলছে। মানববন্ধনে লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও’ আন্দোলনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম, মিয়া মো. আনোয়ার ও ফখরুল আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

SM BASHAR

২০১৮-০৯-২০ ১০:২১:১৭

বাংলাদেশের গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরো মজবুত করার জন্য অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের কোন বিকল্প নাই।

kazi

২০১৮-০৯-১৯ ১৯:২৬:৩৮

একজন ব্যারিস্টার যদি আদালতের রায় শক্তি প্রয়োগে ভাঙ্গার পরামর্শ দেয় তাহলে আদালতে অবৈধ ঘোষনা করা উচিত । সব আদালত তার মামলা গুলি শোনানি বন্ধ করে দিতে পারে।

আপনার মতামত দিন

দেশের স্বার্থে নতুন মেরূকরণ হতে পারে

এমপিদের লাগাম টানছে না ইসি

স্টিয়ারিং কমিটিতে যারা থাকছেন

এনডিআই-এর নির্বাচনী ২০ দফা

সিলেটে একদিন পিছিয়েও সমাবেশের অনুমতি পায়নি ঐক্যফ্রন্ট

জাপার দুর্গে আওয়ামী লীগের দৃষ্টি

শিক্ষকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সৌদি আরবে শঙ্কায় লাখ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক

তিন জেলায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৪

তিনদিনের সফরে ঢাকায় এলিস ওয়েলস

টাঙ্গাইলে দীপু মনির জনসভা বাতিল, উত্তেজনা

খাসোগি হত্যার দায় স্বীকার সৌদির

ল্যান্ডমার্ক ম্যাচে মাশরাফিদের অন্য ‘লড়াই’

জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্ট ঘোষণা

‘ক্ষমতায় গেলে ৭ দিনের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল’

‘ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই’