সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে ৩শ’ ফেক ফেসবুক আইডি

দেশ বিদেশ

সংসদ রিপোর্টার | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার
বিএনপি-জামায়াতের অর্থায়নে ৩০০ ফেক (ভুয়া) ফেসবুক আইডি গুজব ছড়াচ্ছে। এদের এডমিন দেশের বাইরে থেকে পরিচালনা করছে। এদের উদ্দেশ্যই হলো সরকার তথা আওয়ামী লীগ দলীয় এমপিদের চরিত্র হনন করা। আমরা গুজব শনাক্ত করার জন্য পিআইডিতে একটি গুজব প্রতিরোধ সেল করছি। এদের কাজ হবে কোনটা গুজব সেটা শনাক্ত করা। আর গুজব যখন ছড়ানো হয় তখন অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।

গতকাল সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তথ্য প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম এ তথ্য জানান। সরকার দলীয় সংরক্ষিত সংসদ সদস্য নুরজাহান বেগমের সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম আরো বলেন, গুজব ছড়িয়ে পড়ার আগেই আমরা সেটা প্রতিরোধ করতে চাই।
আমরা যে সেল করব তাতে তিনটি বিভাগে বিভক্ত হয়ে তরুণরা কাজ করবে। তিনি বলেন, টেলিভিশন টক শো’র সময় ফেসবুক পেজে বাজে মন্তব্য করা হয়। আওয়ামী লীগের এমপিদের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করা হয়। বিএনপি-জামায়াতের ৩০০ ফেসবুক পেজ থেকেই এগুলো করা হচ্ছে।

এদের অর্থায়ন করে বিএনপি-জামায়াত। কারণ তাদের অর্থের অভাব নেই। আমরা আগামী রোববার থেকে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে বলব যাতে তারা এই ধরনের অশালীন গালিগালাজ প্রকাশ না করা হয়। কারণ এগুলো শালীনতা পরিপন্থি। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, বর্তমান সরকার গণমাধ্যম বান্ধব। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক ও ভাবপ্রকাশের ও সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। সংবিধানের অনুশাসন ও বর্তমান সরকারের ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রদত্ত অঙ্গীকার অনুযায়ী সকল প্রকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতকরণ তথা গণমাধ্যমের বিকাশে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, সাংবাদিকদের জন্য গত ২৯শে জানুয়ারি ৯ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের জন্য জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা-২০১৭ প্রণয়ন করেছে। সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের জন্য সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গণমাধ্যম বান্ধব সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে সবসময় সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছে। চলতি অর্থবছরে সরকার বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকুলে পাঁচ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছে। এদিকে হলুদ সাংবাদিকতা নিয়ে প্রশ্ন করেন হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ১২২০টি। ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় ৪৮৭টি। পাক্ষিক পত্রিকার সংখ্যা সারা দেশে ২১৪টি। ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় ১৪৮টি।

 টেলিভিশন চ্যানেলের মধ্যে বর্তমানে ৪৪টি অনুমোদিত। চালু আছে ৩০টি। কাজেই এ থেকে সহজে বোঝা যায় কি বিপুল সংখ্যক পত্রিকা ও চ্যানেলের অনুমোদন দিয়েছে বর্তমান সরকার। বাংলাদেশের মানুষের মনে আছে ২০০১ সালে কিভাবে সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। আমরা যখন ভালো সময় পার করি তখন অন্ধকারাছন্ন সময় ভুলে যাই। তিনি বলেন, যে তথ্য মানুষকে জানাতে হবে সেটা হতে হবে তথ্য নির্ভর। সত্য তথ্য।

যেকোনো ধরনের মিডিয়ার কাছে মানুষ এটা প্রত্যাশা করে। যেকোনো মিডিয়া যদি হলুদ সাংবাদিকতা করে তাহলে প্রেস কাউন্সিলের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে পারে। অভিযোগের ভিত্তিতে অনেক রায় তারা প্রদান করতে পারেন। এছাড়া প্রচলিত আইনেও মামলা হতে পারে। এছাড়াও ডিজিটাল আইন রয়েছে, ৫৭ ধারা রয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিবিসি ওয়ার্ল্ডের লোগো ব্যবহার করে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করা হয়। বিএনপি-জামায়াত এভাবে অনেক অসত্য সংবাদ বা গুজব প্রকাশ করে আসছে। প্রচলিত আইনে এসবের শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে ‘ঢাকা পরিচ্ছন্নতা অভিযান’

৫৭ ধারায় গ্রেপ্তার চবি শিক্ষক

আড়াই বছরের শিশুকে ধর্ষণ

নিম্ম আদালতেও আমীর খসরুর জামিন

‘মিয়ানমারে হস্তক্ষেপের কোনোই অধিকার নেই জাতিসংঘের’

বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে পানিপথ করিডোর নির্মাণ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে ভারত

‘জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্য হতে পারে’

আদালতের প্রতি দুই আসামীর অনাস্থা একজনের জামিন বাতিল

২৭শে সেপ্টেম্বর বিএনপির জনসভার ঘোষণা

আপিলেও বৃটিশ যুবতীর জেল বহাল

বাংলাদেশের ইতিহাসে যেখানে মাশরাফিই প্রথম

বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ি, আছে ৩টি হেলিপ্যাড, সিনেমা হল, ৬০০ কাজের লোক (ভিডিও)

‘সরকার উৎখাতে দুর্নীতিবাজরা জোট বেঁধেছে’

‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’ টিকবে না

‘গাড়িপ্রস্তুতকারক প্রোটন সফল ছিল’

চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী নিহত