হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু,মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর মিনা

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৯ আগস্ট ২০১৮, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৫৫
মিনায় যেতে শুরু করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পবিত্র হজ পালনে যাওয়া মুসল্লিরা। সৌদি আরবের মিনায় মুসল্লিদের জড়ো হওয়ার মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। শনিবার সন্ধ্যায় মক্কা থেকে মিনায় আস্তে আস্তে যাত্রা শুরু করেন মুসল্লিরা। এবার প্রায় ২০ লাখ মানুষ হজ পালন করছেন। হাজিরা আজ রাতে মিনায় অবস্থান করবেন। সোমবার (২০ আগস্ট) ফজরসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের পর তারা যাবেন মিনা থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত আরাফাতের ময়দানের দিকে। আরাফাতে যাওয়ার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে মুসল্লিরা পায়ে হেঁটে, হুইল চেয়ারে, বাসে, যে যেভাবে পারেন পৌঁছাবেন। সবার শরীর সাদা কাপড়ে ঢাকা থাকবে।
তাদের ‘লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক’ ধ্বনিতে মুখরিত হবে আরাফাতের ময়দান।  আরাফাতের ময়দান থেকে মুসল্লিরা মাগরিবের নামাজ আদায় না করেই রওনা দেবেন মুজদালিফার দিকে। সেখানে পৌঁছে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন তারা। এখানে খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করবেন তারা। তারপর মিনার জামারায় (প্রতীকী) শয়তানকে নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন।
মঙ্গলবার (২১ আগস্ট) সকালে ফজরের নামাজ শেষে হাজিরা আবার ফিরে আসবেন মিনায়। বুধবার (২২ আগস্ট) সকালে জামারাতে পাথর নিক্ষেপ ও পশু কোরবানির পর পুরুষরা মাথা মুণ্ডন করে ইহরাম ত্যাগ করবেন। এরপর পবিত্র কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ করে হজের পূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবেন হাজিরা। হজ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু করতে সৌদি আরবের সরকার বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। বাদশাহ সালমানের উপদেষ্টা প্রিন্স খালিদ আল-ফয়সাল হজ ব্যবস্থাপনা তদারকি করছেন।
হজের নিরাপত্তা প্রধান জানিয়েছেন, এবার হজযাত্রীদের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। তবে হাজিদের চূড়ান্ত সংখ্যা মঙ্গলবার ঈদুল আজহার দিন ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল মনসুর আল-তুর্কি।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৬ জন হজ পালন করছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ অফিস ঢাকার পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সৌদি আরবের বাংলাদেশ মিশনসহ প্রায় ২৫০ জন বাংলাদেশি কর্মকর্তা হজ পালনের সময় গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মোতায়েন থাকবেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বেশিরভাগ কর্মকর্তা ইতোমধ্যেই সৌদি আরব গিয়েছেন বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সহযোগিতা ও জরুরি সেবা দেওয়ার জন্য। জেদ্দা, মক্কা ও মদিনাতে তিনটি মেডিক্যাল স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যাম্পে ৩০ জন চিকিৎসক ও নার্স হজযাত্রীদের চিকিৎসা সেবা দেবেন। একেবারে জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে স্থানীয় হাসপাতালে হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

প্রেমিককে হত্যার পর...

সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন নয়

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আরব আমিরাতে বৃটিশ শিক্ষার্থীর জেল

বয়সের পার্থক্য ৪৫ বছর, দাম্পত্যের গোপন রহস্য

প্রতিযোগিতাপূর্ণ অর্থনীতিতে সুশাসন প্রয়োজন

বিএনপি নেতা গিয়াস কাদের চৌধুরী কারাগারে

১৫ ডিসেম্বরের পর মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনী

বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে আমরা অর্থনৈতিক কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছি

‘খাসোগি হত্যায় ক্রাউন প্রিন্সের বিচার চাওয়া সীমা লঙ্ঘন’

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে যা থাকছে

জনগণের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে

পৌঁছামাত্র বাংলাদেশীদের ভিসা দেবে চীন

ব্যারিস্টার মইনুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১০ জানুয়ারি

ঢাকায় ডেঙ্গু নিয়ে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন, এ বছর মারা গেছেন ১৭ জন

তৈরির পোশাক খাতের জন্য অশনি সংকেত

৮ ভক্তকে ধর্ষণ, সিউলে যাজকের ১৫ বছরের জেল