রাতবিরেতে ষড়যন্ত্রকারীরা বিভিন্ন জায়গায় বসছে

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার | ১১ আগস্ট ২০১৮, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:১৮
রাত-বিরাতে ষড়যন্ত্রকারীরা বিভিন্ন জায়গায় বসছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এ বসায় কোনো লাভ হবে না। যারা এই আন্দোলনে হতাশ হয়েছেন তারা চূড়ান্ত হতাশ হবেন আগামী ডিসেম্বর মাসে। নিজের দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দল ভিমরুলের চাক। কেউ ঢিল ছুড়লে যেমন ভিমরুল এসে হুল ফোটায়, আওয়ামী লীগও সেরকম। খোঁচা দিলে জ্বলে ওঠে। কিন্তু নেত্রী আমাদের শান্ত থাকতে বলেছেন, সেজন্য আমরা শান্ত আছি। আপনারা বসে বসে ষড়যন্ত্র করবেন, আর আওয়ামী লীগের কর্মীরা সবসময় বসে বসে শান্ত থাকবে সেটা হবে না।
আমি নেতাকর্মীদের বলবো সজাগ দৃষ্টি রাখতে। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন সেই আন্দোলনে প্রথম থেকে আমাদের দল এবং পুলিশ প্রশাসন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সেই আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিল একটি মহল। সেখানে বিএনপি-জামায়াতের গুণ্ডাদের অনুপ্রবেশ ঘটে। তারা একটি বিশেষ পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। এই ষড়যন্ত্রের পেছনে যারা ছিলেন তারা এখন হতাশ হয়ে নানা কথা বলছেন। ‘ড. কামাল হোসেনের ভাষা আর গুণ্ডাদের ভাষার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি একজন বিজ্ঞ আইনজীবী। তিনি এই কয়দিন যে ভাষায় কথা বলছেন তা কাম্য নয়। তিনি বলছেন গুণ্ডাতন্ত্র। অবশ্য উনার কথা একদিকে ঠিক আছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যেই গুণ্ডা নামিয়ে ছিলেন তাদের পরিচয় বেরিয়ে আসছে। যারা স্কুল ব্যাগে করে চাপাতি পাথর নিয়ে এসেছে, যারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে তাদের পরিচয় সামাজিক মাধ্যমে বেরিয়ে আসছে। ড. কামাল হোসেন সম্ভবত সেগুলোর কথা বলেছেন। উনার ভাষার মধ্যে আর গুণ্ডাদের ভাষার মধ্যে আমি কোনো পার্থক্য পাচ্ছি না। এটি অত্যন্ত হতাশাজনক। আপনার যে ভাবমূর্তি ছিল তা রক্ষার্থে আপনার ভাষা একটু শালীন হওয়া দরকার। প্রকৃতপক্ষে মানুষ যখন হতাশ হয় তখন হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। আন্দোলন থেমে যাওয়ার পর ১/১১-এর কুশীলব এবং তাদের নেতারা হতাশ। তাই তাদের শালীন ভাষা হারিয়ে গিয়ে পার্থক্য কমে গেছে। তিনি বলেন, রিজভী আহমেদ সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন এই ছাত্র আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। ছাত্ররা কিন্তু ঘরে ফেরত চলে গিয়েছে। তারা কিন্তু বুঝতে পেরেছে যে তাদের আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াতের গুণ্ডারা অনুপ্রবেশ করেছে। কারা তাদের নামিয়ে ছিল এটাও তারা বুঝতে পেরেছে। প্রধানমন্ত্রী ছাত্রদের দাবি দাওয়া মেনে নেয়ায় তারা অনেক জায়গায় আনন্দ মিছিলও করেছে। সেই প্রেক্ষিতে বিএনপি-জামাতও প্রচণ্ড হতাশ। এই ইস্যুতে বিএনপি জামাত ও ১/১১ কুশীলবরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটা প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। এজন্য তিন পক্ষই প্রচণ্ড হতাশ। হতাশা থেকে রিজভী আহমেদ সংবাদ সম্মেলন করে অনেক কথা বলেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন সাইরেন বেজে গেছে। আসলে এই সাইরেন বেজেছে বিএনপি এবং ১/১১-এর কুশীলবদের নির্মূল করার জন্য।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সিসিইউতে লতিফ সিদ্দিকী

২৪ ঘণ্টায় বিএনপির ২৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

কঙ্গোতে গোষ্ঠী সংঘর্ষে নিহত ১২০

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, আহত ৭

আজাদের পক্ষে একাট্টা আড়াইহাজার বিএনপি

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তদন্ত

বাংলাদেশে বাসরত ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ

নরসিংদীতে বিএনপি প্রার্থীর গাড়ী বহরে হামলা, আহত ৫

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির প্রচার সম্পাদক ভিপি হানিফ গ্রেপ্তার

ভেড়ামারায় বোমা হামলার ঘটনায় ৮৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যেতে চাই না

‘ইন্টারনেটের গতি কমানোর সিদ্ধান্ত নির্বাচনকে বিতর্কিত করবে’

ফেতুল্লাহ গুলেনের ভাইয়ের ছেলের কারাদণ্ড

ময়মনসিংহ-২ আসনে বিএনপির ৩ নেতা গ্রেপ্তার

জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ সালাহ্উদ্দিনের

কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ঐক্যফ্রন্ট