চলে যাওয়ার এক বছর

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার
মঞ্চ, বেতার, টিভি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা আবদুর রাতিনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গেল বছরের এ দিনে চিকুনগুনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার নিজ বাসভবন ২০এ/বি নারিন্দা রোডে আজ দিনব্যাপী কোরআন খতম, গরিবদের মাঝে খাদ্য বিতরণ ও বাদ আসর মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আবদুর রাতিনের সহকর্মী, সহশিল্পী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মিলাদ মাহফিলে অংশ নিতে অনুরোধ করেছে তার পরিবার। অভিনেতা আবদুর রাতিনের জন্ম ১৯৫২ সালের ১৩ই জুলাই। চলচ্চিত্রের সূচনালগ্নের শক্তিমান অভিনেতা আবদুল মতিন আর আয়শা খাতুনের সন্তান আবদুর রাতিন। স্বাধীনতার পর থেকে নাট্যাভিনয়ে সাধনা ও উন্নয়নে মঞ্চ, বেতার, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। বাংলাদেশের বিখ্যাত সব পরিচালকের ছবিতে কাজ করেছেন এ অভিনেতা।
সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য চাষী নজরুল ইসলামের ‘দেবদাস’, মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের ‘বড় ভালো লোক ছিলেন’, সৈয়দ হাসান ইমামের ‘লাল সবুজের পালা’ প্রভৃতি। ‘দেবদাস’ চলচ্চিত্রে পার্বতীর ছেলে ‘মহেন’ চরিত্রে অভিনয় করে এখনো তিনি দর্শক হদয়ে অমর হয়ে আছেন। এছাড়াও তিনি ‘জিদ্দি’, ‘হারানো সুর’, ‘জবাব চাই’, ‘অবুঝ হৃদয়’, ‘কৈফিয়ত’, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘আমার সংসার’, ‘লালু সরদার’, ‘স্নেহের প্রতিদান’ ও ‘মোঘলে আযম’সহ প্রায় ২০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। টেলিভিশনে তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘সকাল সন্ধ্যা’, ‘মহুয়ার মন’, ‘অস্থির পাখিরা’সহ ‘হীরামন’ নাটকের ২০০ পর্ব ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নিরাপত্তার অভাবে এলাকা ছাড়লেন রেজা কিবরিয়া

হামলার বিচার চেয়ে লতিফ সিদ্দিকীর অবস্থান

নির্বাচনের আগে চারটি জনসভা করবেন শেখ হাসিনা

ভারতীয় নেতারা বিজয় দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেননি

নির্বাচন না হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে

অভিযোগের প্রতিকার নেই ইসিতে

নির্বাচনে বলপ্রয়োগ গ্রহণযোগ্য হবে না

পরিস্থিতি নো ইলেকশনের দিকেই যাচ্ছে

হাসিনা না খালেদা ভারতের উভয় সংকট

ঐক্যফ্রন্টের শোভাযাত্রায় জনতার ঢল

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার আজ

নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারত থেকে আসছে অস্ত্র

ভারতীয় নেতারা বিজয় দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেন নি

বিজয় দিবসে দেশ গড়ার দৃপ্ত শপথ

সাতক্ষীরায় ধানের শীষ প্রার্থী নজরুল গ্রেপ্তার

'ধানের শীষে ভোট মানেই ৩০ লাখ শহীদের হত্যাকারীদের পক্ষে ভোট'