মাতোয়ারা ফ্রান্স, এমবাপ্পেদের রাজকীয় সংবর্ধনা

অনলাইন

নিয়াজ মাহমুদ, ফ্রান্স থেকে | ১৭ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার, ১:২৩ | সর্বশেষ আপডেট: ২:৫২
১৯৯৮ থেকে ২০১৮। বিশ বছর পর বিশ্বকাপ জেতায় ব্যাপক সংবর্ধনা দেয়া হয় ফ্রান্স ফুটবল টিমকে। রাশিয়া থেকে ট্রফি নিয়ে স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা নাগাদ এয়ার ফ্রান্সের একটি বিমানে প্যারিস বিমান বন্দরে নামেন ফরাসি ফুটবল স্কোয়াড। ফুটবলারদের জন্য বিছানো হলো লাল গালিচা। বিমানের দরজা খুলতে সবার আগে ট্রফি নিয়ে বের হলেন ফ্রান্সের অধিনায়ক উগো লরি, পাশেই ছিলেন কোচ দিদিয়ের দেশম। একে একে আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান, কাইলিয়ান এমবাপে, পল পগবারা নামলেন বিমান থেকে।
লাল গালিচা সংবর্ধনা শেষে ‘বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন’ লিখা বাসে চড়লেন বিশ্ব জয়ী দল। সেখানে খানিকটা বিশ্রাম নিয়ে খোলা গাড়িতে চড়ে প্যারিস গেটে পৌঁছলে লাখ লাখ ফুটবল ভক্তরা তাদের অভিবাদন জানান। পাশাপাশি আকাশ চষে বেড়াল জেট বিমান, জাতীয় পতাকার লাল-সাদা-নীল রঙ ছড়ানো হয় আকাশজুড়ে। স্বাগত জানানো হয় তাদের। সেখান থেকে তারা সংবর্ধনাস্থল প্যালেস এলিজ(প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে)পৌঁছলে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও তার মিসেস বিজিত ম্যাক্রোঁ। সবাই একসঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে উৎসব উদযাপন করেন। স্থানীয় সময় বিকাল পৌনে ৮ টার দিকে তাদের প্যালেস এলিজের ভেতর সংবর্ধনা দেয়া হয়।

উচ্ছ্বসিত প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে বলেন আমাদের গর্বিত করার জন্য ধন্যবাদ। কখনও ভুলে যাবেন না আপনারা কোথায় থেকে এসেছেন: ফ্রান্সের সব ক্লাব আপনাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে।’সেখানে জাতীয় দলের ফুটবলারদের পরিবার, বিভিন্ন ক্লাবের ১,০০০ হাজার শিশুসহ আমন্ত্রিত দুই হাজার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তারা ফটোসেশন করেন। সংবর্ধনা শুরুর আগেই বিকাল ৩টা থেকে মানুষের সমাগম বাড়তে থাকে, কেউ আসেন জোড়া-জোড়ায়, কেউ আসেন দল বেঁধে। কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। কানায়-কানায় পূর্ণ হয়ে যায় প্যারিস গেট ও তার আশপাশ এলাকার সড়ক। জন সমাগম উপলক্ষে আগেই প্যারিস গেটের আশপাশের কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ কওে দেয়া হয়। এছাড়া, প্যারিস শহরের বার্সিসহ ৬টি মেট্টো স্টেশনের নাম সাময়িকভাবে পরিবর্তন করা হয় জাতীয় ফুটবল দলকে অভিবাদন জানাতে। বার্সি মেট্টো স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে করা হয় বার্সি লেজ ব্লুজ। এর আগে রোববার ফ্রান্সে ২জন ফুটবল ফ্যান নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন আনচি শহরের ৫০ বছর বয়ষ্ক পুরুষ ফুটবল ফ্যান। রেফারি বাশিঁতে শেষ হুইসেল দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে খুশিতে নেচে তিনি একটি লেকে ঝাঁপ দেন। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। আর অপর একজন জয় সেলিব্রেট করার সময় তার গাড়ি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় বলে ফরাসি পুলিশ নিশ্চিত করেছে। এছাড়া মোটর বাইকের ধাক্কার ৩ জন শিশু আহত হয়। দোকান ভেঙে শ্যাম্পেন ও ওয়াইন চুরির ঘটনাও ঘটে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

আইসিইউতে রাজধানী

ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টির চক্রান্ত করছে বিএনপি

ওয়ান ইলেভেনের বেনিফিশিয়ারি আওয়ামী লীগ

যেভাবে ঢাকার মেরামত সম্ভব

গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ফারিয়া রিমান্ডে

৪০ লাখ বাংলাভাষী হবে বৃহত্তম রাষ্ট্রবিহীন জনগোষ্ঠী!

ইমরান খানই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

মওদুদের বাড়ি ঘেরাও করে রাখায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য ও আন্দোলনের খসড়া রূপরেখা তৈরি

আত্মমর্যাদা ও মানবাধিকারের স্বপক্ষে একক কণ্ঠস্বর

ঈদের আগে ছাত্রদের মুক্তি দিন: ড. কামাল

‘কার কাছে গেলে ছেলেকে ফেরত পাবো’

বাজপেয়ীকে শেষ বিদায়

পশুবোঝাই ট্রাক ‘ছিনতাই’ শঙ্কায় সিলেটের বেপারিরা

ভোগান্তি মাথায় নিয়ে ঈদযাত্রা

মওদুদ আহমদকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ