ওসমানী হাসপাতালে স্কুলছাত্রী ধর্ষিত, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১৭ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৮
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মধ্যরাতে রোগীর স্বজন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মেডিকেল এলাকায় তোলপাড় চলছে। ধর্ষণের অভিযোগে গতকাল সকালে পুলিশ ওই চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে।
অসুস্থ নানির সঙ্গে হাসপাতালে ছিল নবম  শ্রেণিপড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ১৭ নম্বর বেডে ভর্তি ছিলেন ওই স্কুলছাত্রীর নানি। রোববার রাতে ওই স্কুলছাত্রী ছাড়া আর কেউ রোগীর সঙ্গে ছিল না। রাতে ফাইল দেখার কথা বলে ডাক্তার মাহী ওই মেয়েটিকে একই ফ্লোরে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। সকালে বাবা-মা হাসপাতালে আসার পর স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা তাদের জানায়।


গতকাল সোমবার সকাল ৮টার দিকে মেয়ের বাবা-মা ওসমানী মেডিকেলের পরিচালকের কাছে চিকিৎসক মাহীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এর পর হাসপাতালের চিকিৎসক, পুলিশ ও স্কুলছাত্রীর স্বজনদের মধ্যে বৈঠক হয়। বেলা দেড়টা পর্যন্ত বৈঠক চলে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই মাহীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার একেএম মাহবুবুল হক জানিয়েছেন- ‘ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ওই স্কুলছাত্রীর স্বজনদের এবং ওই চিকিৎসককে নিয়ে বসি। মেয়ের পক্ষ এবং ওই ইন্টার্নি ডাক্তারদের পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। মেয়ের পরিবারের আনা অভিযোগ মাহী অস্বীকার করেছেন। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সুরাহা না হওয়ায় মাহীকে পুলিশে দেয়া হয়েছে। মেয়েটিকে ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। কোতোয়ালি থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম কাউসার দস্তগীর জানান- মাক্কাম মাহীকে আটক করা হয়েছে। স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ওই স্কুলছাত্রীকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।’ অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম মাক্কাম আহমদ মাহী। সে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার মোখলেসুর রহমানের পুত্র। সে ওসমানী মেডিকেলের নাক, কান ও গলা বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসক। স্কুলছাত্রীটি তার পরিবারের সঙ্গে সিলেট মহানগরীতেই থাকে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-০৭-১৬ ২৩:২৭:১৭

First of all he should be jailed as rapist and never be given licence to practice as doctor. Passing course successfully is not only criteria to issue licence.

আপনার মতামত দিন

সুবর্ণচরের পর এবার কবিরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগ

ইন্টারপোলের সাবেক প্রধানের স্ত্রী আশ্রয় চেয়েছেন ফ্রান্সে

সাভারে চলন্ত বাসে ছিনতাইয়ে হেলপার

১৪ দলের শরিকরা বিরোধীদলে এলে সংসদ আরও প্রাণবন্ত হবে: রাঙ্গা

নারায়ণগঞ্জে ১৮ জনকে কুপিয়ে জখম

দ্রুত ধনী মানুষ বাড়ার দিক দিয়ে বাংলাদেশ তৃতীয়

‘চোর মেশিন’ ইভিএম বন্ধ করার দাবি

নিশানের সাবেক প্রধানের বিরুদ্ধে ৯০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

আগামীকাল সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এরশাদ

নৈতিক পরাজয় ঢাকতে আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব : ফখরুল

৫ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ ২০ শ্রমিকের

প্রথম মা হচ্ছেন লুসি, সন্তানের পিতার পরিচয় গোপন রাখবেন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে মিয়ানমার অত্যন্ত ধীর গতিতে

‘ইসরাইলিদের মালয়েশিয়ায় আসা উচিত নয়’

বিজয় সমাবেশের মঞ্চে শেখ হাসিনা

অবশ্যই নির্বাচন ‘পারফেক্ট’ ছিল না- জাতিসংঘ