সংবাদ সম্মেলনে

অভিযোগ করিমগঞ্জে মামলায় পরিবারকে হয়রানি

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ থেকে | ১৩ জুলাই ২০১৮, শুক্রবার
করিমগঞ্জে অনার্স পড়ুয়া দুই ছাত্রসহ একটি নিরীহ পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। উপরন্তু ওই পরিবারের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে মূল্যবান মালামাল ভাঙচুর করে তিনটি গরু লুট করে নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষ। নির্যাতিত পরিবারের সিদ্দিক মিয়ার স্ত্রী আছিয়া আক্তার (৫০) বাদী হয়ে করিমগঞ্জ থানায় মামলা করলে পুলিশ লুট করা গরু উদ্ধারও করেছে। হয়রানির শিকার পরিবারটি প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ডেকে মিথ্যা মামলা ও হামলার বিবরণ দিয়ে এর প্রতিকার দাবি করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নির্যাতিত পরিবারের পক্ষে আছিয়া আক্তারের ছেলে মুখলেছুর রহমান (৩২) লিখিত বক্তব্য রাখেন। তিনি জানান, তাদের বাড়ি করিমগঞ্জের আশুতিয়াপাড়া এলাকায়। গত ১৩ই জুন দুপুরে বাড়িতে কোনো পুরুষ লোক না থাকার সুযোগে জমি সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জের ধরে তাদের প্রতিবেশী নূরুল ইসলামের চার ছেলে মো. আলম (৪০), মো. সাইরুল (৩৫), মো. মানিক (২৮) ও আবু কালাম (২৪) এবং তাজুল ইসলামের তিন ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৮), আবদুল কাদির (২৮) ও জাহাঙ্গীর (৩৯) অতর্কিতে বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে ৫০-৬০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে।
শোকেস থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা লুট করে। এ সময় সিদ্দিক মিয়ার স্ত্রী আছিয়া আক্তার বাধা দিলে তাকে মারপিটসহ শ্লীলতাহানি করে। এরপর দুটি দুগ্ধবতী গাভীসহ প্রায় দুই লাখ টাকা দামের তিনটি গরু হামলাকারীরা লুট করে নিয়ে যায়। পরদিন ১৪ই জুন আছিয়া আক্তার বাদী হয়ে করিমগঞ্জ থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ লুট করা তিনটি গরু উদ্ধার করে। অথচ হামলার দু’দিন আগে ১২ই জুন হামলাকারীদের পক্ষের শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে অনার্স পড়ুয়া মিজানুর রহমান (২২) ও হাদিস মিয়াসহ (২৮) নির্যাতিত পরিবারের ১১ জনের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর এবং ধান, টাকা ও অলঙ্কার লুটের মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। আর মামলার দু’দিন পর পুরুষ লোকেরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে নিজেরাই উল্টো হামলা করে ভাঙচুর, মারপিট, শ্লীলতাহানি ও লুটতরাজ চালিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে এ ধরনের মিথ্যা মামলা, হামলা ও হয়রানির প্রতিকার দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মুখলেছুর রহমানের বাবা সিদ্দিক মিয়া ও চাচা আবু তাহেরসহ অন্যান্য স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে আছিয়া আক্তারের দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মো. আলমকে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন করলে তাদের বিরুদ্ধে হামলা এবং লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুলিশ কর্তৃক গরু উদ্ধারের যে কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো গরুর মালিকরা নিজেরাই লুকিয়ে রেখেছিল।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

কিশোরিদের বাল্যবিবাহ না করার শপথ

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ নারী এমপি

৫৫ দিন ধরে বেডরুমে মায়ের মৃতদেহ লুকিয়ে রেখে ধরা পড়ল মেয়ে

ঘুম থেকে দেরি করে উঠলে কি হয়?

ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা তুঙ্গে, যুদ্ধের আশঙ্কা

কেজির দরে প্রাথমিকের বই

৪৭ বছর পর ক্ষমা চাওয়ার বিষয় কেনো এলো?

শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন

সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের পাকিস্তান সফর বিলম্বিত

আজিমপুর-ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর-মিরপুরে ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

সি জিনপিংয়ের বৈশ্বিক স্বপ্নে বাধা

ইয়াবা ও অস্ত্র জমা দিয়ে ১০২ মাদক ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ

নাটোরে অগ্নিকান্ডে সর্বশান্ত দিনমজুর

রূপপুর প্রকল্পে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাশিয়ান নাগরিকের মৃত্যু

‘মিয়ানমার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপরে আঘাত করেছে’

কবি আল মাহমুদের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক