৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হস্তক্ষেপ হবে না

প্রথম পাতা

বিশেষ প্রতিনিধি | ১২ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৫৯
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, চাকরি ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষিত কোটায় হস্তক্ষেপ করার কোনো সুযোগ নেই। গতকাল সচিবালয়ে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সামপ্রতিক কার্যক্রম  নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন। উচ্চ আদালতের রায়ের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা কোটা থেকে পূরণ করার সুযোগ থাকলেও ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই এই আদেশ উপেক্ষা করে ভিন্নতর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ নেই। এটা করা হলে তা আদালত অবমাননার শামিল হবে।

তিনি বলেন, কোটা পর্যালোচনায় গঠিত সরকারের কমিটি এ বিষয়ে সচেতনতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেবে। এ বিষয়ে আদালতের রায়ের কপি ওই কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে চাকরিপ্রত্যাশীরা কোটা সংস্কারের আন্দোলনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটার মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা। সার্বিকভাবে কোটা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। এ ছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরির বয়সসীমা ৩০ বছর হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের ক্ষেত্রে তা ৩২ বছর। একটি অভিন্ন বয়সসীমার দাবিও রয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের।

এই আন্দোলন নিয়ে কিছুদিন ধরেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আন্দোলনকারীরা এ ব্যাপারে সংসদে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দাবি করেছেন। সামপ্রতিক সময়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ২রা জুলাই বিদ্যমান কোটাপদ্ধতি পর্যালোচনা, সংস্কার বা বাতিলের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। সেই কমিটি এর মধ্যে একটি সভাও করেছে।

এমন অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী কোটা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন। জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিল করার ঘোষণা দেয়ার পর এবং কমিটির কার্যক্রম শুরুর পর এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আইনগত বাধ্যবাধকতার বিষয়টিই তিনি শুধু জানিয়েছেন। আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যাপারে আইনগত বাধ্যবাধকতা আছে। আদালতের আদেশ বহাল থাকা পর্যন্ত এটা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এখন সরকার চাইলে সেটা আদালতে আসতে হবে। মন্ত্রী বলেন, আমার ধারণা, উনারা (কমিটি) এটা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) ঠিক রেখে অন্যান্য যে কোটা আছে, তা পুনর্বিবেচনা করে মতামত দিতে পারবেন। সেখানে সরকারের বিবেচনায় যা করার সেটা করা যাবে। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন মন্ত্রী মোজাম্মেল হক।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

MD MASUM AHMAD

২০১৮-০৭-১৩ ০২:৫৭:১৭

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা কখনও কোটা দাবি করে না,

MD MASUM AHMAD

২০১৮-০৭-১৩ ০২:৫৪:০৭

২% লোকের জন্য যখন ৩০% কোটা লাগে.. তখন সেটা প্রশ্নবিদ্ধ হবে এটাই স্বাভাবিক,আবার দেখি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সন্তান দিনমজুর! কোটা তুমি কার?

আপনার মতামত দিন

উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে উ. কোরিয়া

মমতা ব্যানার্জীর ক্ষোভ: পশ্চিমবঙ্গের নাম পরিবর্তন আটকে আছে

গৃহবধুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা,স্বামী আটক

যাত্রাবাড়ীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ১, দগ্ধ ৬

‘তার সঙ্গে খুবই স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করছি’

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ইসির অনাপত্তি, মুহিতকে নিষেধ

নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের স্ট্যাটাস কী হবে জানতে চান কূটনীতিকরা

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের উদ্বেগ

টেনশনে প্রার্থীরা

কারাগারে থেকে ভোটের প্রস্তুতি

শহিদুল আলমের জামিন

ধানের শীষে লড়বে ঐক্যফ্রন্ট

নিপুণ রায় চৌধুরী গ্রেপ্তার

আতঙ্ক উপেক্ষা করে পল্টনে ভিড়

বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত

কুলাউড়ায় সুলতান মনসুরের বিপরীতে কে?