ই-পাসপোর্ট ও মেশিন কিনতে লাগছে ৩৩৩৮ কোটি টাকা

শেষের পাতা

বিশেষ প্রতিনিধি | ১১ জুলাই ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:২০
ই-পাসপোর্ট অটোমেটেড বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আওতায় ৩৩৩৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকার মেশিনপত্র কিনতে যাচ্ছে সরকার। ২ মিলিয়ন  পাসপোর্ট কিনতে এবং ২৮ লাখ পাসপোর্ট বানাতে এসব যন্ত্রপাতি কেনা হবে। ফলে পরবর্তী পাসপোর্ট বই বাংলাদেশেই তৈরি সম্ভব হবে। জি-টু-জি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এসব পণ্য ও সেবা জার্মানি থেকে কেনা হবে। গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট অটোমেটেড বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২ মিলিয়ন পাসপোর্ট বুকলেট ক্রয় এবং ২৮ মিলিয়ন পাসপোর্ট তৈরির যাবতীয় উপাদানসহ আনুষঙ্গিক হার্ডওয়ার, সফটওয়্যার ও দশ বছরের রক্ষণাবেক্ষণসহ সব সেবা ক্রয়ের একটি প্রস্তাব কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।
এ জন্য ব্যয় হবে ৩৩৩৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এসব পণ্য ও সেবা জি-টু-জি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে জার্মানি থেকে সংগ্রহ করা হবে। এদিকে যন্ত্রে অপাঠযোগ্য কাগুজে পাসপোর্টের দিন অনেক আগেই শেষ হয়েছে। এখন যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্টের (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট-এমআরপি) যুগ চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের ১১৮টি দেশে চালু রয়েছে ই-পাসপোর্ট বা ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট। ওই দেশগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। আর এ কাজে টেকনিক্যাল এবং টেকনোলজিক্যাল দুটি কাজে সহায়তা দেবে জার্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভেরিডাস জিএমবিএইচ। প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি সফরের সময় এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। তার আলোকে ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের লক্ষ্যে জার্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভেরিডাস জিএমবিএইচ-এর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অধীনে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কর্তৃক জি-টু-জি (সরকার টু সরকার) পদ্ধতিতে কার্যসম্পাদনের অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থাৎ ই-পাসপোর্ট চালুর ক্ষেত্রে জার্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি আমাদের টেকনিক্যাল এবং টেকনোলজিক্যাল দুটি কাজে সহায়তায় দেবে। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তা চিহ্ন হিসেবে ই-পাসপোর্টে থাকবে চোখের মণির ছবি ও আঙুলের ছাপ। আর এর পাতায় থাকা চিপসে সংরক্ষিত থাকবে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য। ফলে পরিচয় গোপন করা সম্ভব হবে না। এর আগে ২০১৬ সালে এমআরপির পাশাপাশি ই-পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। একই সময় পাসপোর্টের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেদিন থেকে ই-পাসপোর্ট চালু হবে সেদিন থেকে এমআরপি পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেলে ই-পাসপোর্ট করতে হবে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, কানাডাসহ ১১৮টি দেশে ই-পাসপোর্ট চালু আছে। বর্তমানে সাধারণ ও জরুরি পাসপোর্ট করতে যথাক্রমে তিন হাজার ও ছয় হাজার টাকা ফি দিতে হয়, যার মেয়াদ পাঁচ বছর।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘জিতলে জার্মান, হারলে অভিবাসী’: বিদায়বেলায় ওজিল

চীনে চাইলেই বিবাহ বিচ্ছেদ নয়

নেতাকর্মীকে থানায় নিলে থানা ঘেরাও করতে হবে

চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আগুন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন,'সেফলি বের হয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করছি'

বিদেশে যেতে হাইকোর্টে ইমরানের রিট

গুলশান হামলায় ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

সিলেটে গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ আরিফের

আইএমএফ প্রধানকে নিয়ে বিমানের জরুরি অবতরণ

সুন্দরী গুপ্তচরের গোপন কাহিনী ফাঁস

আলিঙ্গন হজম করতে পারছে না বিজেপি

কুমিল্লার আদালতকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে খালেদার আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ

‘সরকারী কর্মকর্তাদের জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

কয়লা গেল কই, আর গুপ্তধন?

‘নওয়াজের কিডনি পুরোপুরি বিকল হওয়ার পথে’

ই-গভর্নমেন্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অগ্রগতি