ভারতে একটি পরিবারের ১১ জনের গণ আত্মহত্যা

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১ জুলাই ২০১৮, রোববার
একজন, দুইজন নয়, একসঙ্গে একটি পরিবারের ১১ জনের গণ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে দিল্লির বুখারি এলাকায়। প্রতিবেশিদের কাছে খবর পেয়ে রবিবার সকালে পুলিশ ঘরের দরজা ভেঙ্গে দেখে ১১ জনের ঝুলন্ত লাশ। প্রত্যেকের চোখ ও মুখ কাপড়ে বাঁধা ছিল। হতবাক হয়ে যান পুলিশ কর্তারাও। রবিবার সকালে এমনই ঘটনার সাক্ষী হল বুখারি। জানা গেছে এরা সকলেই একটি পরিবারের। মৃতদের মধ্যে ৫টি শিশু রয়েছে। কোনও আত্মহত্যার নোট পাওয়া যায়নি।
পুলিশ লাশগুলি ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জানিয়েছে, এটা মনে করা হচ্ছে গণ আত্মহত্যার ঘটনা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০ বছর ধরে বুখারি এলাকার ২৪ সন্ত নগরের দোতলা বাড়িতে থাকত ওই পরিবারটি। দুই ভাই ললিত এবং ভুবনেশ্বর তাদের পরিবার নিয়ে ওই বাড়িতে থাকতেন। সঙ্গে থাকতেন তাদের মা, এক বিধবা বোন। তাদের আসল বাড়ি রাজস্থানে। পারিবারিক মুদির দোকানের ব্যবসা রয়েছে ললিত-ভুবনেশ্বরদের। এ ছাড়াও বড় ভাই ললিতের একটি আসবাবের দোকানও ছিল বাড়ির নীচেই। প্রতিবেশিরা জানিয়েছেন, দুই ভাই এক সঙ্গেই থাকতেন। তাদের পরিবারে কোনও আর্থিক অস্বচ্ছলতা ছিল বলে কোনও দিনই মনে হয়নি। এমনকি, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কোনও ঘটনাও শোনা যায়নি। পরিবারটি খুব মিশুক ছিল বলেও জানিয়েছেন তারা। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। পাশাপাশি খুন না আত্মহত্যা সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

স্বজনদের কান্নায় ভারি মর্গের বাতাস (ভিডিও)

চকবাজার ট্রাজেডি: অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি

বার্ন ইউনিটে ভর্তি ৯ জনই ঝুঁকিতে, একজন আইসিইউতে

গার্ডিয়ানে চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও

‘কিছুই নিতে পারিনি, তার আগেই সবশেষ’

বোনের বিয়ের সদাই আনতে গিয়ে লাশ হলেন ভাই(ভিডিও)

পিতার লাশের অপেক্ষায় দুই যমজ শিশু

আগেই সতর্কতা দেয়া হয়েছিল

দুর্ঘটনা, না হত্যা?

মর্গে আছিয়া বেগমের কান্না, ‘আমার ভাইডারে আনে দাও’

‘শামিমাকে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না’

‘৭০টি লাশ উদ্ধার, আরও থাকতে পারে’

অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কিভাবে?

চুড়িহাট্টা যেন আগুনে পুড়ে যাওয়া এক জনপদ (ভিডিও ও স্থির চিত্র)

‘এটা তারা ভুল বলছে’