এবারের বিশ্বকাপের তথ্যকণিকা

ঈদ আনন্দ ২০১৮

সারওয়াত আহমেদ বিস্ময় | ৩০ জুন ২০১৮, শনিবার
বিশ্বকাপে অংশ নেয়া প্রতিটি দলেরই রয়েছে একটি আদুরে ‘ডাক নাম’। আসরে বল পায়ে নৈপুণ্য ও গোলবারের নিচে গ্লাভস হাতে দৃঢ়তা দেকিয়ে ইতিহাস হয়ে আছেন অনেকে। আবার বিরল ও চমকপ্রদ ঘটনায় রেকর্ড বইয়ে উঠেচে কারো নাম।
অংশ নেয়া ৩২ দলের ডাকনাম
সবারই একটা ডাকনাম থাকে। মানুষ হোক কিংবা পশুপাখি, প্রিয়জনদের কাছে ডাকনামের মাহাত্ম্য অনেক। তেমনি ফুটবল দলগুলোরও আছে ‘নিকনেম’ তথা ডাকনাম। ভক্তরা আদুরে সুরে ওসব নামে ডাকেন। অনেক দলের ডাকনাম তাদের অবস্থান নির্ণয় করে। রাশিয়া বিশ্বকাপের ৩২ দলের ডাকনাম।
রাশিয়া
ডাকনাম: বর্নিয়া
অর্থ: বর্নিয়া শব্দের অর্থ দল, ক্ষেত্রবিশেষে নির্বাচন।
মূলত, মাঠে যে দলটা খেলে তাকেই বর্নিয়া নামে ডাকা হয়। এক কথায় বলা যায় ‘প্রতিনিধি’।

ব্রাজিল
ডাকনাম: ক্যানারিনহো, সেলেকাও
অর্থ: ক্যানারি, এক ধরনের ছোট হলদে পাখি যারা গুনগুনাতে ভালোবাসে। ব্রাজিল আর হলুদ তো একই বৃন্তে দুটি ফুল।

আর্জেন্টিনা
ডাকনাম: লা আলবিসেলেস্তে
অর্থ: দ্য স্কাই ব্লু। বাংলায় ‘আকাশী নীল’।

কলম্বিয়া
ডাকনাম: লস ক্যাফেটেটোর্স
অর্থ: কফি উৎপাদক। কফি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থান কলম্বিয়ার। ফুটবল দলের ডাকনাম একেবারেই সার্থক।

উরুগুয়ে
ডাকনাম: লা সেলেন্তে
অর্থ: দ্য স্কাই ব্লু। বাংলায় ‘আকাশী নীল’।

বেলজিয়াম
ডাকনাম: রেড ডেভিল
অর্থ: লাল শয়তান!


অস্ট্রেলিয়া
ডাকনাম: সকারু
অর্থ: ‘সকারু একটি মিশ্র শব্দ। অস্ট্রেলিয়া ফুটবল দলের ‘সকার’, জাতীয় প্রাণী ক্যাঙ্গারুর ‘রু’ মিলিয়ে ‘সকারু’ নামটির উদ্ভব।

ইরান
ডাকনাম: টিম মিলি
অর্থ: এটি একটি ফার্সি শব্দ। যার অর্থ ‘জাতীয় দল’।


মিশর
ডাকনাম: দ্য ফারাও’স
অর্থ: মিশরের প্রাচীন সম্রাটদের ফারাও বলা হতো।


ডেনমার্ক
ডাকনাম: ড্যানিশ ডায়নামাইট


ইংল্যান্ড
ডাকনাম: থ্রি লায়ন্স
অর্থ: ইংলিশদের লোগোতে সাজানো রয়েছে তিনটি সিংহ। সেখান থেকেই থ্রি লায়ন্সের আবির্ভাব।

জার্মানি
ডাকনাম: ডাই ম্যানশ্যাফট
অর্থ: ওরা এগারো জন!

ফ্রান্স
ডাকনাম: লেস ব্লিউস
অর্থ: নীল।

আইসল্যান্ড
ডাকনাম: স্ট্রাকামির ওক্কার
অর্থ: আমাদের আইসল্যান্ডের ছেলেরা!


ক্রোয়েশিয়া
ডাকনাম: ভাত্রেনি
অর্থ: রূপকথার বালক!

কোস্টারিকা
ডাকনাম: লস টিকোস
অর্থ: লালেরা!

জাপান
ডাকনাম: ব্লু- সামুরাই
অর্থ: ব্লু- সামুরাই বলতে দেশকে প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবেই তাদের তুলে ধরা হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া
ডাকনাম: এশিয়ান টাইগারস

মেক্সিকো
ডাকনাম: এল ট্রিকোলার্স


মরক্কো
ডাকনাম: এটলাস লায়ন্স
অর্থ: এটলাস পর্বতমালার নামানুসারে এমন নামকরণ।


নাইজেরিয়া
ডাকনাম: সুপার ঈগলস
অর্থ: নাইজেরীয় ঈগলের মতো বিচক্ষণতার দরুন এমন নামকরণ।


পানামা
ডাকনাম: লা মারেয়া রোহা
অর্থ: লাল ঢেউ

পর্তুগাল
ডাকনাম: সেলেকসাও দ্যা কুইনোস
অর্থ: ইউরোপের ব্রাজিল


পোল্যান্ড
ডাকনাম: বিয়ালো সিজ্রেওনি
অর্থ: পোলিশ ভাষায় যার অর্থ ‘সাদা লাল’


সেনেগাল
ডাকনাম: লায়ন্স অবতেরঙ্গা
অর্থ: সেনেগালের পতাকায় বিদ্যমান তিনটে রঙের আবহেই এই ডাকনাম

পেরু
ডাকনাম: লা ব্লাংকুইরোহা
অর্থ: স্প্যানিশ শব্দ। বাংলা করলে দাঁড়ায় সাদা লাল। পেরুভিয়ানদের জার্সির রঙও লাল সাদাই।

সৌদি আরব
ডাকনাম: আল সোগুর, আল আখদার
অর্থ: সবুজ বাজপাখি, মরুর সন্তান।


সুইডেন
ডাকনাম: ব্লাগল্ট
অর্থ: নীল হলুদের মুকুটধারী


সুইজারল্যান্ড
ডাকনাম: সুইজার নাটি
অর্থ: দেশটির নামের শর্টফর্ম


সার্বিয়া
ডাকনাম: প্লাভি
অর্থ: সার্বিয়ান ঈগল

স্পেন
ডাকনাম: লা ফুরিয়ারোহা
অর্থ: উত্তেজিত। স্প্যানিশ ম্যাটাডোরদের শারীরিক ভাষার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

তিউনিসিয়া
ডাকনাম: লেইস ঈগলদো কার্থেজ
অর্থ: কার্থেজের ঈগল

বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বোচ্চ ১৩ জন গোলদাতা
আরও একটি বিশ্বকাপ সামনে আসায় আগের বিশ্বকাপগুলোর বিভিন্ন পরিসংখ্যান নিয়ে ফুটবল ভক্তদের মাঝে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। তবে এখন যে পরিসংখ্যান সম্পর্কে জানবেন সে বিষয়ে বিতর্কের কিছু নেই। বরং এমন ১৩ জন ফুটবলার সম্পর্কে জানবেন, যারা বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১২০০ ফুটবলারের মধ্যে শুধু তারাই ১০ বা তার অধিক গোল করতে পেরেছেন। চলুন জেনে নিই ১৩ জন ফুটবলার সম্পর্কে।
পেলে, ব্রাজিল
মোট গোল: ১২টি
বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মানা হয় পেলেকে। ব্রাজিলের হয়ে ৩ বারের বিশ্বকাপজয়ী পেলে তার পুরো ক্যারিয়ারে ১ হাজারের বেশি গোল করেছেন। কিন্তু বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারেননি তিনি। ১৯৫৮’র বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক এবং ফাইনালে জোড়া গোলসহ মোট ৬ গোল করেন ফুটবলের এ কালো মানিক। ১৯৬২’র বিশ্বকাপের মাঝপথে ইনজুরির কারণে ছিটকে যাওয়ার আগে এক গোল করেন। এর পরের আসরেও ১টি গোল করেন পেলে। ১৯৭০ বিশ্বকাপে ৪ গোল করার পাশাপাশি ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জেতান তিনি।

গ্রেগর ল্যাটো, পোল্যান্ড
মোট গোল: ১০টি
১৯৭৪ বিশ্বকাপে গ্রেগর ল্যাটোর একক নৈপুণ্যে তৃতীয় স্থান নিয়ে আসর শেষ করে পোল্যাান্ড। ১৯৭৪ বিশ্বকাপে এই তারকা ফুটবলার আর্জেন্টিনা ও হাইতির বিপক্ষে জোড়া গোল করেন। পরে সুইডেন এবং যুগোস্লাভিয়াকে হারিয়ে তার দল সেমিফাইনালে উঠে। উভয় ম্যাচে তিনি ১টি করে গোল করেন। কিন্তু সেমিফাইনালে হেরে যাওয়ার পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে তার একমাত্র গোলে ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নেয় পোল্যান্ড। ১৯৭৪ বিশ্বকাপে গ্রেগর ল্যাটো ৭ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ‘গোল্ডেন বুট’ জিতে নেন। পরে দুই বিশ্বকাপে যথাক্রমে ২টি এবং একটি করে গোল করেন ল্যাটো। মোট ১০টি গোল করে তিনি সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ১৩তম অবস্থানে রয়েছেন।
 
টমাস মুলার, জার্মানি
মোট গোল : ১০টি
জার্মান ফুটবল তারকা থমাস মুলারও এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ১০টি গোল করেছেন। এবারের বিশ্বকাপে জার্মানির মূল দলে রয়েছেন এ স্ট্রাইকার। তাই নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার আরো একবার সুযোগ রয়েছে তার। ২০১০-এ নিজ দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে টমাস মুলার ‘বেস্ট ইয়াং প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড’সহ সর্বোচ্চ ৫ গোল করে গোল্ডেন বুটও জিতে নেন। ২০১৪ বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ১ গোল এবং আসরের সেমিফাইনালে ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করার দিনে তিনিই প্রথম গোলটি করেন। ২০১৪ বিশ্বকাপে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে তিনি ৫ গোল করে বড় অবদান রাখেন।
 
তিওফিলো কুবিল্লাস, পেরু
মোট গোল: ১০টি
পেরুর ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং বিশ্বকাপের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ২ বিশ্বকাপে ৫টি করে গোল করার রেকর্ড করেন তিওফিলো কুবিল্লাস। ১৯৭০ বিশ্বকাপে তিনি পেরুর হয়ে ৪টি ম্যাচ খেলেন ৫ গোল করেন। যার মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে এক গোল করেন। ১৯৭৮ বিশ্বকাপে তিওফিলো কুবিল্লাস পুনরায় ৫টি গোল করেন। ৫ গোলের মধ্যে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ছিল দুটি এবং ইরানের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের কৃতিত্ব দেখান কুবিল্লাস।

গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা, আর্জেন্টিনা
মোট গোল: ১০টি
আর্জেন্টিনার সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা ১৯৯৪তে নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই গ্রিসের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন। ১৯৯৪’র যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে এক গোল করেন। ১৯৯৮’র বিশ্বকাপে জ্যামাইকার বিপক্ষে তিনি আরো একবার হ্যাটট্রিকের কৃতিত্ব দেখান। যা আসরে ইতিহাসে কোনো খেলোযাড়ের পর পর ২ বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড। ২০০২ বিশ্বকাপে জাপান, ইংল্যান্ড এবং নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ১টি করে গোল করেন এ আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর্জেন্টিনার একমাত্র ফুটবলার হিসেবে ১০ গোলের কৃতিত্ব দেখান বাতিস্তুতা।

মিরোসøাভ ক্লোসা, জার্মানি
মোট গোল: ১৬টি
বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোসøাভ ক্লোসা। বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা ১৬টি। ২০০২ বিশ্বকাপে তার করা ৫ গোলের সবগুলোই করেন হেডের মাধ্যমে। ২০০৬ বিশ্বকাপে আবারও ৫টি গোল করে ‘গোল্ডেন বুট’ জেতেন ক্লোসা। ২০১০’র দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ৪ গোল করেন এবং ২০১৪ বিশ্বকাপে ২ গোল করে আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম লেখান এ জার্মান স্ট্রাইকার।

গ্যারি লিনেকার, ইংল্যান্ড
মোট গোল: ১০টি
ইংল্যান্ডের ১৯৬৬ বিশ্বকাপের নায়ক জিওফ হার্স্টের পর দ্বিতীয় ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের গৌরব অর্জন করেন গ্যারি লিনেকার। এ আসরে পোল্যাান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৬ গোল করে জেতেন ‘গোল্ডেন বুট’ পুরস্কার। এর পরের বিশ্বকাপে তার ৪ গোলের উপর ভর করে সেমিফাইনাল খেলে ইংল্যান্ড।
 
হেলমুট রন, পশ্চিম জার্মানি
মোট গোল: ১০টি
পশ্চিম জার্মানির প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক ছিলেন হেলমুট রন। ১৯৫৪’র বিশ্বকাপে ফাইনালে হাঙ্গেরির মুখোমুখি হয়েছিল জার্মানি। যারা আগের ৪ বছরের মধ্যে কোনো ম্যাচ হারেনি। হাঙ্গেরি ৮ মিনিটের মধ্যে ২ গোলে এগিয়ে যায়। এরপর হেলমুট রন একটি গোলে অ্যাসিস্ট করেন এবং নিজে একটি গোল করে পশ্চিম জার্মানিকে ম্যাচে সমতায় ফেরান। ম্যাচ শেষ হওয়ার ৬ মিনিট আগে হেলমুট রন দ্বিতীয় গোল করে পশ্চিম জার্মানিকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জেতান। টুর্নামেন্টে ৪ গোল করেন তিনি। এর পরের বিশ্বকাপে ৬ গোল করেন রন।
 
ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান, জার্মানি
মোট গোল: ১১টি
ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান একই সঙ্গে পশ্চিম জার্মানি এবং বৃহত্তর জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন। ১৯৯০তে ক্লিন্সম্যান পশ্চিম জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন এবং এ আসরে ৩ গোল করেন। ১৯৯৪’র যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে এবং ১৯৯৮’র ফ্রান্স বিশ্বকাপে বৃহত্তর জার্মানির হয়ে ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান যথাক্রমে ৫ ও ৩টি করে গোল করেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পরপর ৩ বিশ্বকাপে ৩টি করে গোল করার রেকর্ড করেন ক্লিন্সম্যান।
 
স্যান্দর ককসিস, হাঙ্গেরি
মোট গোল: ১১টি
হাঙ্গেরিয়ান তারকা স্যান্দর ককসিস মাত্র এক বিশ্বকাপেই করেছেন ১১ গোল। হাঙ্গেরির সর্বকালের সেরা ফুটলারেরও একজন তিনি। ফেরেঙ্ক পুসকাসের সঙ্গে হাঙ্গেরির হয়ে ১৯৫৪’র বিশ্বকাপে খেলেন এবং প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেন ককসিস। দ্বিতীয় ম্যাচে হ্যাটট্রিকসহ করেন ৪ গোল। কোয়ার্টার ফাইনাল এবং সেমিফাইনালে জোড়া গোল করে মোট ১১ গোল করলেও কিন্তু ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে কোনো গোলের দেখা পাননি ককসিস। জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে ৩-২ গোলে হেরে শিরোপা বঞ্চিত হয় হাঙ্গেরি।
 
জাস্ট ফন্টেইন, ফ্রান্স
মোট গোল: ১৩টি
স্যান্দর ককসিসের মতো জাস্ট ফন্টেইন মাত্র এক বিশ্বকাপ খেলেই করেছেন ১৩ গোল। ফ্রান্সের হয়ে মাত্র ২১ ম্যাচ খেলে ৩০ গোল করেছেন তিনি। ১৯৫৪’র বিশ্বকাপে ফ্রান্সের স্কোয়াডে না থাকলেও পরের আসরে এ গোলের রেকর্ড গড়েন।

জার্ড মুলার, পশ্চিম জার্মানি
মোট গোল: ১৪টি
পশ্চিম জার্মানির ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মানা হয় জার্ড মুলারকে। বিশ্বের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এক বিশ্বকাপে ১০ বা তার অধিক গোল করার রেকর্ড স্পর্শ করেছেন মুলার। ১৯৭০’র বিশ্বকাপে জার্মানির হয়ে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন। পরের আসরে আরও ৪ গোল করে জার্মানিকে বিশ্বকাপ জিততে বড় অবদান রাখেন।
 
রোনালাদো ডি লিমা,
ব্রাজিল
মোট গোল: ১৫টি
১৯৯৪’র বিশ্বকাপে মাত্র ১৭ বছর বয়সী ফুটবলার হিসেবে ব্রাজিলের স্কোয়াডে জায়গা হয় রোনালদো ডি লিমার। কিন্তু দলে থাকলেও কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি তিনি। ১৯৯৮’র ফ্রান্স বিশ্বকাপে ৪ গোল করেন এবং ২০০২ বিশ্বকাপে ৮ গোল করে গোল্ডেন বুট জয়ের পাশাপাশি ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জয় করেন রোনালদো। ২০০৬ বিশ্বকাপে তিনি ৩ গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে রেকর্ড গড়েন। কিন্তু পরে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা এ রেকর্ড ভেঙে দেন।



সর্বোচ্চ বিশ্বকাপজয়ী দল
স্বপ্নের বিশ্বকাপ ট্রফিটা পাঁচবার ঘরে তুলেছে ব্রাজিল। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। ট্রফিটি চারবার ঘরে তুলে ইতালি। ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি। এ ছাড়া জার্মানিও চারবার ট্রফিটি ঘরে তুলেছে। ১৯৫৪, ১৯৭৮, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালে তারা চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনা ২ বার করে, ইংল্যান্ড ১ বার, ফ্রান্স ১ বার ও স্পেন ১ বার বিশ্বকাপ জিতেছে।



বিশ্বকাপে ‘গোল্ডেন বল’
বিজয়ী যারা
রাশিয়ায় বসছে ফুটবলের মহাযজ্ঞ বিশ্বকাপের ২১তম আসর। বিশ্বকাপের শুরুর ১১ আসরে সেরা খেলোয়াড়ের (গোল্ডেন বল) পুরস্কারের প্রচলন ছিল না। ১৯৮২’র বিশ্বকাপ থেকে অ্যাডিডাস ও ফরাসি ফুটবল পত্রিকা ‘ফ্রান্স ফুটবল’র উদ্যোগে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা (ফিফা) শুরু করে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। শুধু যে বিশ্বকাপ জয়ী দলের খেলোয়াড়ই টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছেন তেমন নয়। রানার্সআপ কিংবা অন্য দলের খেলোয়াড়রাও জিতেছেন এ পুরস্কার। শেষ তিন আসরে যারা গোল্ডেন বল জিতেছেন তাদের কারো দলই জেতেনি শিরোপা। গোল্ডেন বলের প্রচলন শুরু হয়েছিল যে আসরে, সেই আসরে সেরা খেলোয়াড়ের সম্মান পেয়েছিলেন ইতালির পাওলো রসি। সর্বশেষ ২০১৪’র ব্রাজিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে প্রায় একক নৈপুণ্যে ফাইনালে নিয়েছিলেন দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে গেলেও গোল্ডেন বল উঠেছিল মেসির হাতেই। শুধু যে ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার কিংবা ফরোয়ার্ডরাই জিতেছেন গোল্ডেন বল, তেমন নয়। ২০০২’র কোরিয়া-জাপান বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল পুরস্কার জেতেন টুর্নামেন্ট জুড়ে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখানো গোলরক্ষক অলিভার কান। বিশ্বকাপের ইতিহাসে একমাত্র গোলরক্ষক হিসেবে এই জার্মান জিতেছেন সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে সর্বাধিক দুই বার করে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও ইতালির ফুটবলাররা। এ ছাড়া এক বার করে এ পুরস্কারের কৃতিত্ব দেখান ফ্রান্স, উরুগুয়ে ও জার্মানির একজন করে খেলোয়াড়।


বিশ্বকাপে ‘গোল্ডেন গ্লাভস’ জিতেছেন যারা
রাশিয়ায় বসবে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২১তম আসর। এর আগের ২০ আসরে অনেক ম্যাচেই ফরোয়ার্ড ও মিডফিল্ডারদের ছাপিয়ে দলের জয়ের নায়ক হয়েছেন অনেক গোলরক্ষক। তবে, টুর্নামেন্ট জুড়ে সেরা নৈপুণ্য দেখানোর পরেও তারা পেতেন না কোনো পুরস্কারের খেতাব। প্রথম বিশ্বকাপ থেকেই সেরা গোলরক্ষক নির্বাচনের শুরু হলেও পুরস্কারটা দেয়া হয় ১৯৯৪’র আসর থেকে। এর আগে ১৯৮২’র বিশ্বকাপ থেকে সেরা গোলদাতা (গোল্ডেন বুট) এবং সেরা খেলোয়াড় (গোল্ডেন বল) দেয়ার প্রচলন হলেও তখনো ছিল না গোলরক্ষকদের জন্য কোনো স্বীকৃতি। রাশিয়ার বিখ্যাত গোলরক্ষক লেভ ইয়াসিনের নামে ১৯৯৪’র যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ থেকে শুরু হয় সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার ‘লেভ ইয়াসিন অ্যাওয়ার্ড’। প্রথমবারেই এ পুরস্কার জেতেন বেলজিয়ান গোলরক্ষক মাইকেল প্রেডহোম। পরে ২০১০’র দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ থেকে নতুন করে এ পুরস্কারের নাম দেয়া হয় ‘গোল্ডেন গ্লাভস অ্যাওয়ার্ড’। গত ব্রাজিল বিশ্বকাপে ‘গোল্ডেন গ্লাাভস অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছিলেন জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ার। এখন পর্যন্ত ছয় বার জেতেন গোল্ডেন গ্লাভস পুরস্কার। তার মধ্যে বিশ্বকাপ বিজয়ী দলের চার গোলরক্ষকই জিতেন এ পুরস্কার। তবে, কপাল পুড়েছে প্রেডহোম ও ২০০২ আসরের সেরা গোলরক্ষক অলিভার কানের। ১৯৯৪’র আসরে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বিদায় নিয়েছিল বেলজিয়াম। কিন্তু ২০০২ বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে কানের জার্মানিকে।

বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল বিজয়ীরা
১৯৮২ বিশ্বকাপ : পাওলো রসি (ইতালি)
১৯৮৬ বিশ্বকাপ : দিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা) 
১৯৯০ বিশ্বকাপ : সালভাতোর শিলাচি (ইতালি)
১৯৯৪ বিশ্বকাপ : রোমারিও (ব্রাজিল)
১৯৯৮ বিশ্বকাপ : রোনালদো (ব্রাজিল)
২০০২ বিশ্বকাপ : অলিভার কান (জার্মানি)
২০০৬ বিশ্বকাপ : জিনেদিন জিদান (ফ্রান্স) 
২০১০ বিশ্বকাপ : দিয়েগো ফোরলান (উরুগুয়ে) 
২০১৪ বিশ্বকাপ : লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)

গোল্ডেন গ্লাভস বিজয়ী
১৯৯৪ বিশ্বকাপ: মাইকেল প্রুডহোম (বেলজিয়াম)
১৯৯৮ বিশ্বকাপ: ফাবিয়েন বারথেজ (ফ্রান্স)
২০০২ বিশ্বকাপ: অলিভার কান (জার্মানি)
২০০৬ বিশ্বকাপ: জিয়ানলুইজি বুফন (ইতালি)
২০১০ বিশ্বকাপ: ইকার ক্যাসিয়াস (স্পেন)
২০১৪ বিশ্বকাপ: ম্যানুয়েল নয়্যার (জার্মানি)


সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলার
সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলার ফুটবল ইতিহাসে পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলার কীর্তি আছে মাত্র দু’জনের। মেক্সিকোর আন্তোনিও কারবাহালের ও জার্মানির লোথার ম্যাথিউসের। এবার মাঠে নামলে এই বিরল তালিকায় নাম লেখাবেন ৩৯ বছর বয়সি মেক্সিকান মিডফিল্ডার রাফায়েল মার্কেজ।

বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল
বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল তুরস্কের হাকান সুকুরের। ২০০২ বিশ্বকাপে এ কীর্তি গড়েন তিনি। খেলার মাত্র ১০.৮ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে এ ইতিহাস রচনা করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এ রেকর্ডের দেখা পান সুকুর। ওই ম্যাচে তুরস্ক জেতে ৩-১ গোলে। রাজনৈতিক কারণে তুরস্ক সরকারের রোষানলে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন এ রেকর্ডধারী।

এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল
বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল একটি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করেছেন ফ্রান্সের জাঁ ফন্টেইন। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে, সর্বমোট ১৩টি গোল করেন তিনি।

বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল
একাধিক বিশ্বকাপ মিলিয়ে সর্বোচ্চ গোল জার্মানির মিরোসøাভ ক্লোসার। ২৪টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন এ সেন্টার ফরোয়ার্ড। ১৬টি গোল করে তিনিই তালিকার শীর্ষে। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের অন্যতম কিংবদন্তি রোনাল্ডো বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন ১৯টি। ১৫টি গোল রয়েছে তার অর্জনের খাতায়।

বিশ্বকাপে তরুণ ও বয়স্ক ফুটবলার
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কনিষ্ঠ খেলোয়াড় উত্তর আয়ারল্যান্ডের নর্মান হোয়াইটসাইড। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে খেলেন তিনি। তার বয়স ছিল তখন ১৭ বছর ১ মাস ১০ দিন। বিশ্বকাপে প্রবীণতম খেলোয়াড় বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে প্রবীণ খেলোয়াড় ক্যামেরুনের রজার মিলা। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে খেলেন তিনি। তখন তার বয়স ছিল ৪২ বছর ১ মাস ৮ দিন।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি খেলা দল
সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলা দল স্বভাবতই ব্রাজিল (২০ বার)! সেলেকাওরাই একমাত্র দল যারা ১৯৩০ থেকে অদ্যাবধি কোনো বিশ্বকাপেই অনুপস্থিত থাকেনি। ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে।


বেশি ফাইনাল
সর্বোচ্চ ফাইনাল খেলা দল বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ ফাইনাল খেলা দল যৌথভাবে ব্রাজিল ও জার্মানি। দু’দলই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ৭ বার করে লড়েছে।

টানা শিরোপা জয়ী দল
টানা দু’বার শিরোপা জয়ের কীর্তি আছে ইতালি ও ব্রাজিলের। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে ফুটবলের বৈশ্বিক আসরের শিরোপা ঘরে তোলে আজ্জুরিরা। আর ১৯৫৮ ও ১৯৬২ বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি ছিনিয়ে নেয় সাম্বার দেশ।

ম্যাচে বেশি গোল
এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোল এ কীর্তি আছে ওলেগ সালেঙ্কোর। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে রাশিয়া-ক্যামেরুন ম্যাচে তিনি একই ঠিকানায় বল পাঠান পাঁচ বার।

সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা
সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে কনিষ্ঠ গোলদাতা ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলে। ১৭ বছর ২৩৯ দিনে বিশ্বকাপে গোলের খাতা খোলেন ফুটবলের রাজা।

বেশি সময় গোল না খাওয়ার রেকর্ড
সর্বোচ্চ সময় গোল না খাওয়া গোলরক্ষক বরাবরই বিখ্যাত সব গোলরক্ষকের চারণভূমি ইতালি। ওয়াল্টার জেঙ্গা তার মধ্যে অন্যতম। ১৯৯০ বিশ্বকাপে ৫১৭ মিনিট ধরে কোনো গোল হজম করেননি তিনি।

সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড়
সর্বোচ্চ বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড় এ রেকর্ডটির মালিক একমাত্র পেলে। সর্বোচ্চ তিন বার শিরোপা ছুঁয়ে দেখার রেকর্ড আছে তার। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ সালে এ নজির স্থাপন করেন তিনি।


কোচদের রেকর্ড
সবচেয়ে বেশি বয়সি কোচ এ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন অটো রেহেগাল। ২০১০ বিশ্বকাপে গ্রিসের ডাগআউটে বসে তা দেখান তিনি। ওই সময় তার বয়স ছিল ৭১ বছর ৩১৭ দিন। খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে টুর্নামেন্ট জয় এ নজির আছে মাত্র দু’জনেরÑ মারিও জাগালো ও ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের। পরিশেষে জেনে আশ্চর্য হবেন, বিদেশি কোচ নিয়ে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি কোনো দল।



এক ম্যাচে বেশি গোল
সবচেয়ে বেশি গোলের ম্যাচ অস্ট্রিয়া বনাম সুইজারল্যান্ড (৭-৫)। ১৯৫৪ বিশ্বকাপে এ গোলবন্যা দেখেন ফুটবলপ্রেমীরা।

ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সর্বমোট ৭৫টি দেশ বিশ্বকাপ ফুটবলের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও এ পর্যন্ত শিরোপা জয় করেছে মাত্র ৮টি দেশ।
বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বোচ্চ সংখ্যক দর্শক (প্রায় দুই লাখ)
উপস্থিত ছিলেন ১৯৫০ সালে ব্রাজিল এবং উরুগুয়ের
মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে।






এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

আপনার মতামত দিন

ইরানে সামরিক কুচকাওয়াজে গুলি, বহু হতাহত (ভিডিও)

প্রতিমা ভাংচুর করায় ইউপি সদস্য আটক

সাকা চৌধুরীর কবরের নাম ফলক উপড়ে ফেলেছে ছাত্রলীগ

কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু

পেট্রোল বোমাসহ ৫ শিবিরকর্মী আটক

বরিশালের উজিরপুরে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা

এবার সড়কপথে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা

ঐক্যের সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন ফখরুল

নাটোরে গ্রেনেড উদ্ধার

যশোরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

বন্দুক তাক করে থাকলে বিদেশে গিয়ে লিখবেন ছাড়া কি গণভবনে বসে লিখবেন ?

রূপগঞ্জে বিল থেকে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার

ডিএনসিসি'র প্যানেল মেয়র ওসমান গণি আর নেই

সুইসাইড নোট লিখে খুবি ছাত্রের আত্মহত্যা

সড়ক দুর্ঘটনার নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত

পরিবারের সদস্যদের বেঁধে রেখে দুই বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ বলছে নাটক