গল্প

অপয়া বাড়ি

ঈদ আনন্দ ২০১৮

রুদ্র মিজান | ২৯ জুন ২০১৮, শুক্রবার
অস্পষ্ট শব্দ! ঘুমের মধ্যে মানুষ যেভাবে অকস্মাৎ ঘুঙানির শব্দ করে, ঠিক সেরকম। শব্দগুলো বোধোদয় হয় না মেহেদির। বহুদিন পর বাড়িতে গিয়ে এক আশ্চর্য ঘটনার সম্মুখীন হলো। তার বয়স কম হয়নি, সামনের মাসে তেত্রিশে পদার্পণ করবে। এতটা বয়স পেরেয়ি এসেছে এতো ভয়, বিস্ময় কখনও অনুভব করেনি। গ্রামের পথ।
সুনসান নীরবতা। যেন রবীন্দ্র সংগীতের আসর। পিনপতনের শব্দও নেই। গ্রামের পথ কী এরকম বিকেলে এতো নীরব হয় কখনও। সূর্য তখন আকাশে নেই। এইমাত্র বিদায় নিয়েছে। না আলো, না আঁধার। পরনের কালো টি-শার্টটি ঘামে ভিজে গেছে। যেন এইমাত্র নদী সাঁতরে এসেছে সে। ডানপিটে কিশোরের মতো এখন ক্লান্ত খুব। হঠাৎ নড়ে ওঠে পথের পাশের বাঁশপাতা। বাঁশ পাতার শব্দ নীরবতা ভাঙে। দ্রুত হাঁটে মেহেদি। কাঁধে ঝুলানো একটি ভ্যাগ। এতে আছে পুরনো মডেলের ল্যাপটপ।
যে শব্দ তার কানে বিস্ময় আর ভয়ের জন্ম দিলো। সেই শব্দ যেন এখনও প্রতিধ্বনি হচ্ছে বারংবার। কোথায় এসেছে সে! বহুদিন পরে নিজের বাড়ি যাওয়ার কাদা-ধুলোমাখা পথ মেহেদির কাছে ভীষণ অচেনা মনে হচ্ছে। অন্ধকার ধেয়ে আসছে। সামনে ফেরি পেরিয়ে আরো কিছু পথ হাঁটতে হবে। ক্ষেতের আইল দিয়ে। এই সময়ে কী ধানের চারাগুলোর যৌবনকাল, নাকি ধানগুলো পরিপক্ব পোয়াতি? আজকাল তা ভুলে গেছে গ্রামের গৃহস্থ ঘরের পুত্র মেহেদি। তবে হ্যাঁ শহরে পৌষমেলা হয়েছে বেশ আগে। কত আগে মনে নেই। বাংলা মাস যেন শহরের বাসিন্দারা কেউ মনে রাখে না! যাক্‌গে এসব কথা। এগুলো নিয়ে ভাবনার অবকাশ নেই। ওই যে হালকা বাতাস কিছুতেই তার শরীরের নোনাজল মুছে দিতে পারছে না। পথের পাশে শাপলাচড়ে পরিত্যক্ত বাগান বাড়ি। এখানে কেউ থাকে না। পাশের গ্রামের গরু, মহিষ, ছাগল কখনো কখনো ওদিকটায় গেলেও রাখালরা মুহূর্তের মধ্যে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
ওই বাড়ি নাকি ভালো না। অপয়া বাড়ি! অপয়া বলে তা ছেড়ে গেছেন বিদুষী সুন্দরী ক্যাথরিন। তা প্রায় দু’শ বছর পূর্বের কথা। ক্যাথরিন কেন ছাড়লেন বাড়িটি। তিনিতো সম্পদশালী ও সাহসী নারী ছিলেন।  ক্যাথরিনের নাম আশপাশের গ্রামের লোকজন ঠিকমতো বলতে পারেন না। তারা বলেন, কাতনুন ম্যাডাম। আশপাশের লোকজন জানেন- তিনি ভিনদেশি। ইংরেজ। প্রেম করেছিলেন এক বাঙালি যুবকের সাথে। ওই প্রেমিকের সাথে বিয়ের পর এই বাড়িতে উঠেন স্বামী-স্ত্রী। তারপর অনেক দিন পর কাতনুন ম্যাডাম মারা গেলেন। সেই থেকে তার স্বামীও নিখোঁজ। এতটুকু। ভিনদেশী নারী হওয়ার কারণে স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর পরিচয়টাই মুখে মুখে বেশি প্রচার হয়।
ক্যাথরিনের বাড়ির পাশ দিয়ে অনেক বার এসেছে মেহেদি কিন্তু এরকম শব্দ শুনেনি কখনও। যে শব্দ শুনে সে হতবিহ্বল হয়েছে। বুঝতে পারেনি কি করবে। এখানে কোনো মানুষ নেই। অথচ মানুষের শব্দ! তাহলে কী এই কারণেই বাড়িটি অপয়া? তা জানা নেই তার। এই শব্দ সে ছাড়া আর কেউ শুনেছে বলেও জানা নেই মেহেদির। ফেরিতে ওঠার আগে একটা সিগারেট হাতে নেয় সে। সিগারেটে আজকাল বেশ আকর্ষণ তার। টানলে কি হয়। লোকে বলে সুখটান। ক্লাশের ম্যডাম বলতেন, মরণটান। তোমরা কেউ এর ধারে কাছে যেও না।
সিগারেটের ধোঁয়া উড়ছে। যেন আসমান ঢেকে যাচ্ছে ধোঁয়ায়। আবছা আঁধারে ক্ষেতের আইল দিয়ে হাঁটবে কিভাবে। সাপ, ব্যাঙ কতকিছুই থাকতে পারে। আর কিছু কী থাকতে পারে? এইসব আগে কখনও ভাবেনি মেহেদি। আজ ক্যাথরিনের বাড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে আসার পর থেকেই ভয় তাকে চেপে বসেছে। আচ্ছা, মানুষ কী মরে গেলেই শেষ হয়ে যায়। নাকি তখনও বেঁচে থাকে। শুধু কথা বলতে পারে না, খেতে পারে না, হাঁটা-চলা করতে পারে না। আসলে মানুষ মরে না কখনও। মানুষ বেঁচেই থাকে। আত্মা? কিন্তু আত্মার অস্তিত্ব কেউ প্রমাণ করেছি কী? দার্শনিকরা যুক্তি দেখিয়েছেন...। এরকম চিন্তা আজ কেন আসছে তার মাথায়। মেহেদির মতো একটা ছোটখাটো মানুষ। যার সারাদিন খাটে মার্কেটিং কোম্পানীর হিসাব কষে-কষে। সে এখন কোন হিসাব নিয়ে ব্যস্ত? ফেরি ঘাটে ভিড়েছে। সিগারেটও শেষ। পা চালায় মেহেদি। গন্তব্য নিজের বাড়ি। যেখানে মা পথ চেয়ে আছেন। বাবাও আছেন।
ক্ষেতের আইলে পা দিতেই একটি কণ্ঠ- দাঁড়ান, দাঁড়ান..। কই যাবেন?
মেহেদি বাম দিকে তাকায়। চরের একপাশে দাঁড়িয়ে বর্শিতে মাছ শিকার করছেন এক বৃদ্ধ। সাদা, ময়লা লাগানো গেঞ্জি আর লুঙ্গি পরনে। বৃদ্ধ টর্চ লাইট জ্বেলে মেহেদির মুখের পানে তাকান। বাড়ি কই? মেহেদি জবাব দেয়-মণিগ্রাম। বৃদ্ধ জানায় এদিকে যাওয়া যাবে না।
কেন? প্রশ্ন করে মেহেদি।
এই জমির মালিক কাতনুন ম্যাডামের নিষেধ আছে। থমকে যায় মেহেদি, কার নিষেধ? বৃদ্ধ আবার জানান, কাতনুন ম্যাডাম।
মেহেদি কেঁপে উঠে। কেঁপে ওঠে সে। সব অদ্ভুত কাণ্ড। কাতনুন মানে ক্যাথরিন! বলেই থেমে যায় সে। বৃদ্ধ বলেন- হুম। মেহেদি রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে বৃদ্ধের পানে তাকিয়ে বলে- কি বলছেন, মাথা ঠিক আছে তো। তিনিতো মারা গেছেন আজ থেকে শত-শত বছর পূর্বে। কিছুক্ষণ আগে ক্যাথরিনের বাসার সামনে অদ্ভুত শব্দ শুনেছে সে। এখন আবার শুনতে হচ্ছে তিনি বেঁচে আছেন। মেহেদি অবাক হয়ে লোকটার পানে আবার তাকায়।
বৃদ্ধ লোকটা জানান, তিনি ম্যাডামের বাসার লোক। মেহেদি নিজেকে আর বিশ্বাস করতে পারছে না। এখন সে কোথায় আছে। সত্যি এসব শুনছে। নাকি সব স্বপ্নের ঘোরে হচ্ছে। ঘটে যাচ্ছে একের পর এক অদ্ভুত কাণ্ড। সে কী নিষেধ উপেক্ষা করেই পা বাড়াবে? ভাবনার অবকাশ নেই। এখন কী করবে মেহেদি তাও বুঝতে পারছে না। সে একবার বৃদ্ধের মুখের দিকে আরেক বার আকাশের দিকে তাকায়। বৃদ্ধ বলেন, অবাক হচ্ছেন, ভয়ও করছে তাই না।
কিসের ভয়, ভয়ের কী আছে? কেঁপে উঠে মেহেদির কণ্ঠস্বর। বৃদ্ধের ঠোঁটে হাসির আভা। যেন এক যুবকের অসহায় অবস্থা দেখে তিনি খুব মজা পাচ্ছেন। মেহেদি ভরাট কণ্ঠে বলে, আপনি আমাকে ক্যাথরিন ম্যাডামের কাছে নিয়ে যান।
চমকে ওঠেন বৃদ্ধ। বৃদ্ধের চোখে-মুখে দুশ্চিন্তার চাপ। পিচ্চি ছেলেটা বলে কী। এতো সাহস জন্মালো কিভাবে?
তাকে না দেখে আমি আজ কোথাও যাব না। আপনি আমাকে তার কাছে নিয়ে যান। মেহেদির সরল আবদার। বৃদ্ধ বলেন, ম্যাডামের নিষেধ। আমি ছাড়া তিনি আর কারও সাথে কয়েক দিনের মধ্যে দেখা করবেন না। যখন তিনি লোকজনের সাথে দেখা করবেন তখন আপনাকে জানাবো।
মেহেদির আবদারে কাতর বৃদ্ধ এক সময় রাজি হন। আবার ফেরিতে করে ওপারে যেতে হয় মেহেদিকে। সাথে বৃদ্ধ। হাঁটতে থাকে দু’ জন। বৃদ্ধ গলা ছেড়ে সুর ছড়িয়ে দেন ‘আমার মনের বেদন/ মনে রইলো বুঝলি নারে তুই..।’ মিশে যায় রাতের বাতাসে। মেহেদি হাঁটছে, ঘামছে। যেন পা চলে না। বৃদ্ধ অভয় দেন, ভয় পাবেন না যুবক। আপনার বয়সে আমরা বাঘের সাথে লড়াই করেছি। ভয় পাইনি।
ক্যাথরিনের বাড়ির সামনে আসা মাত্রই মেহেদিকে থামিয়ে দেন বৃদ্ধ। এইখানে দাঁড়ান। অনুমতি ছাড়া কুটুমখানায়ও নেওয়া যাবে না। কুটুমখানা মানে মেহমানদের জন্য সংরক্ষিত কক্ষ। কী আর করা, বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকে মেহেদি। তখনও একটা ঘুঙানির শব্দ কানে আসে মেহেদির। পরিত্যক্ত এই বাড়িতে যে মানুষ থাকে- এই ধারণা এই এলাকার কারও নেই। মেহেদিরও ছিলো না। তাও নারী। ক্যাথরিন। কত আগে মরে ঘাস হয়ে গেছে। অথচ বৃদ্ধ বলছেন ক্যাথরিন বেঁচে আছেন! এ কোন ক্যাথরিন? জ্যাক বায়রণের প্রেমিকা ক্যাথরিন নাকি অন্য কেউ?
মশা ঝাঁক বেঁধে ঘিরে ধরেছে মেহেদিকে। বৃদ্ধের দেখা নেই। অনেক্ষণ পর বৃদ্ধ বাইরে আসেন। বলেন, মেহেদি কি আপনার নাম? ম্যাডাম জানতে চেয়েছেন। বিস্ময়ের শীর্ষ চূড়া ছুঁয়ে যায় মেহেদি- কী আশচর্য, তিনি আমার নাম জানলেন কী করে। এখন পর্যন্ত তো আপনাকেও আমার নাম বলা হয়নি।
বৃদ্ধ বলেন, চলেন। এসব ম্যাডামকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করবেন। মেহেদি পা বাড়ায়। সে কী। ঘরের ভেতরতো অদ্ভুত সুন্দর। সারা ঘরজুড়ে আলোর ঝলকানি। ম্যাডাম ক্যাথরিন কোথায়?
এই যে আমি। চিনতে পেরেছেন জনাব মেহেদি?
চোখ আটকে গেল। পলক পড়ছে না তার। কাকে দেখছে মেহেদি। দৃষ্টি সীমাবদ্ধ। ক্যাথিরন আবার বলেন, কেমন আছো জ্যাক বায়রণ?
মেহেদি আবার থমকে উঠে- আমি বায়রণ নই, আ-আ-আমি মেহেদি।
ক্যাথরিনের ঠোঁটে হাসি আর কথায় ঝরে পড়ছে ক্ষোভ। তিনি বলেন- জানি সেদিনের বায়রণ এখন মেহেদি। আপনি সব পারেন, নাম পাল্টালেন। যাকে ভালোবাসলেন তাকে খুন করলেন। প্রেমিকাকে খুন করে দিব্যি ভুলে যেতে পারেন তার ইতিহাস। আপনি খুনির চেয়ে বর্বর।
কথাগুলো বারংবার চার দেওয়ালে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে ‘আপনি খুনির চেয়েও বর্বর! খুনির চেয়ে বর্বর।’ মেহেদি এসব কী শুনছে। এক অচেনা ভিনদেশী নারীর কাছে। মেহেদি জানতে চায়, ম্যাডাম আপনি এসব কী বলছেন- বুঝতে পারছি না। আমি খুনি হতে যাব কেন!
ক্যাথরিন জবাব দেন, ভুলে গেছেন। আমি আপনাকে ভালোবেসেছিলাম। আমাদের বিয়ে হয়েছিলো। তারপর এক রাতে স্কচ হুইস্কি পান করে আপনি মাতাল হয়ে বাসায় ফিরলেন। বাসায় তখন আমি অসুস্থ। আমার পাশে এক বন্ধুকে দেখে চটে গেলেন। তার সামনেই আমাকে যা তা বললেন। বন্ধুটি অপদস্থ হয়ে বের হয়ে গেল।
মেহেদি রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে শোনে। কোনো কথা বলে না। ক্যাথরিন বলেন, আপনি আমাকে বলতেন আমাকে অনেক ভালোবাসেন। অথচ মুহূর্তেই পাল্টে গেলেন। মাতাল হয়ে আমার শরীরে হাত তুললেন। আমাকে চিৎকার করারও সুযোগ দিলেন না। মেহেদি বলে, ম্যাডাম-আপনি ভুল করছেন। আমি মেহেদি। আপনাকে এর আগে কখনও দেখিনি। ক্যাথরিন বলে যান- আপনি আমার গলা চেপে ধরলেন। আমি কথা বলতে পারছি না। শব্দ বের হচ্ছে না। আমার শ্বাস আটকে যাচ্ছে। তবু আপনার মায়া হলো না। ভালোবাসা! বিশ্বাস যেখানে থাকে না সেখানে ভালোবাসা থাকে না। আপনি আমাকে আসলে কখনও ভালোবাসতেন না।
মেহেদি, পাগলপ্রায়। এই নারী এসব কী বলছেন। মেহেদি দু’হাতে মাথা চেপে ধরে। অদ্ভুত কথা শুনে নিজেকে ঠিক রাখতে পারছে না সে।
ক্যাথরিন বলে, আমাকে লাশ করে এই মৃতপুরীতে রেখে আপনি চলে গেলেন। অথচ দেখেন, আমি আপনাকে দেখার জন্য, শেষ কথাগুলো বলার জন্য আজ পৃথিবীতে ছুটে এসেছি। যে কথা আপনি আমাকে বলার সুযোগ দেননি। তাই  আপনার কোনো অনুশোচনাও নেই। শুনুন- আমি কোনো পাপ করিনি। আমি আপনাকে ভীষণ ভালোবাসতাম।
মেহেদি নিশ্চুপ। শরীরের নোনাজলে স্নান করছে সে। মাথা থেকে পা পর্যন্ত ভিজে গেছে তার। মেয়েটি এসব কী শোনাচ্ছে তাকে। সে পূর্বে জন্মেছিলো? মানুষতো একবারই পৃথিবীতে জন্মে। তাহলে কী সব ভুল শুনছে সে। মেহেদি ভাবে- এই বৃদ্ধ লোক, এই রাত, তার সামনের সুন্দরী রমণী সব মিথ্যে! এরকম সরল-সুন্দর মেয়েকে কেউ কাঁদাতে পারে? তাও আবার খুন! তার কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তার ফাঁসি হওয়া উচিত। মেহেদি চিৎকার করে বলে- আমাকে শাস্তি দাও...। ভূকম্পনে কেঁপে ওঠে পৃথিবী, হাওর ভরা ধানগাছ।

লেখক : সাংবাদিক ও গল্পকার

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

হল প্রশাসনও ছাত্রলীগের কাছে জিম্মি

শুধু ভাতার ওপর নির্ভরশীল হলে চলবে না: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে ৬ মাসে প্রায় ৬০০ নারী ধর্ষিত

‘একটা যৌক্তিক সমাধান চাই’

খালেদা জিয়ার নতুন কোনো রোগ ধরা পড়েনি

রেগে গেলেন পুতিন

বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হচ্ছে: মান্না

মানবতাবিরোধী অপরাধে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় আবারো জামিনের মেয়াদ বাড়লো খালেদার

যুক্তরাষ্ট্রে আরেক রাশিয়ান গুপ্তচর মারিয়া

রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক, নিজ দলেই সমালোচনা

সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

বার্সেলোনায় মেট্রোরেল দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি তরুণের মৃত্যু

বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে টপলেস কেটি প্রাইসের অন্যজগত

সৌদি আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু