ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৩ জুন ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৩১
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নবম সংসদের আগে গড়ে উঠা কাজী ফারুক আহমেদের দল ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দলটি কোনো ধরনের প্রতিবেদন জমা ও প্রয়োজনীয় শর্তাদি প্রতিপালনে ব্যর্থ হওয়া নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের কাছে বারবার কমিশন প্রতিবেদন চেয়েছে। তারা তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। পাশাপাশি নিবন্ধন শর্তও প্রতিপালন করছে না দলটি।
তাই কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল ঘোষণা  করেছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন দলগুলোকে নিবন্ধন দেয়ার সুযোগের পাশাপাশি বিদ্যমান নিবন্ধিত দলগুলোর কার্যক্রমও খতিয়ে দেখছে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় নিবন্ধন বাতিল হলো ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের। ২০০৮ সালে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন চালুর পর ২০০৯ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের পরে ফ্রিডম পার্টি, দশম সংসদের আগে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল হয়। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে বাতিল হলো ২৯ নম্বর নিবন্ধিত দল ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ৮ই অক্টোবর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকার তৎকালীন চেয়ারম্যান কাজী ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে ২০০৯ সালের ২৪শে মে কাজী ফারুককে প্রশিকার চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। এরপর দলটির কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ে। এ নিয়ে বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত দল হলো ৩৯টি। নির্ধারিত সময়ে নিবন্ধন আবেদন না করায় নাজমুল হুদার ‘তৃণমূল বিএনপি’কে ‘না’ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দলটি গেল বছরের মার্চে ইসিতে নিবন্ধন আবেদন করে। কিন্তু কমিশন নিবন্ধন আবেদনের বিজ্ঞপ্তি দেয় অক্টোবরে। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি, গঠনতন্ত্র ও আনুষঙ্গিক দলিলাদি সহ নতুন করে আবেদন করতে ব্যর্থ হয় দলটি। কিন্তু আদালতে শরণাপন্ন হন নাজমুল হুদা। মঙ্গলবার কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, নির্ধারিত সময়ের পরে আবেদনটি আসায় কমিশন তা বাতিল করে দেয়। পরে তিনি (নাজমুল হুদা) আদালতে যান এবং মহামান্য হাইকোর্ট কমিশনকে বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেন। কমিশন আদেশটি বিবেচনায় নিয়ে দলটির কাগজপত্র দেখেন। যেহেতু আবেদনটি নির্ধারিত সময়ে আসেনি এবং সরকারি নির্ধারিত ফি জমা দেননি। তার আবেদন যাচাই বাছাই করে আরো দেখা গেছে নিবন্ধন দেয়ার মতো তথ্য সেখানে নেই। তাই কমিশন তৃণমূল বিএনপির নিবন্ধন আবেদন নাকচ করে দিয়েছে। ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ আরো বলেন, এবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৭৫টি নতুন দল আবেদন করে। সেখান থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ে ১৯টি দল বাতিল হয়। এরপর তথ্য সংশোধন করে দেয়ার জন্য চিঠি দেয়া হয়। তাতে ৯টি দল ব্যর্থ হলে তাদের আবেদন বাতিল করা হয়। বাকি ৪৭টি দল থেকে দুইটি দলের আবেদন আমলে নিয়েছে কমিশন। এখন মাঠপর্যায়ে এদের খোঁজ নেয়া হবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

আমীর খসরুকে দুদকে তলব

কোন প্রহসনের নির্বাচনে যাব না: নজরুল

১১ সিটিতে কোরবানির নির্ধারিত স্থান ২৯৫৪

চলে গেলেন বাজপেয়ী

সাইবার হামলার আশঙ্কায় দেশের সব ব্যাংকে সতর্কতা জারি

যেসব ছবির মাধ্যমে আলোড়ন তোলেন শহিদুল আলম

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেত্রী লুমা ৩ দিনের রিমান্ডে

পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন শুক্রবার

স্ত্রী সন্তানের সঙ্গে ঈদ করা হলো না প্রবাসী নাছিরের

‘ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন’

সুপ্রিমকোর্টে দেড় মাসের ছুটি

প্রশ্নপত্র ফাঁস: জনতা ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা নতুন করে নেয়ার নির্দেশ

মানুষবাহী মহাকাশযানের ঘোষণা দিলেন মোদী

সরকার হটানোর চক্রান্ত চলছে, ওয়ান-ইলেভেনের গন্ধ পাচ্ছি

পেট্রোবাংলার ৭ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

র‌্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু নিহত, অপহৃত ২৩ জেলে উদ্ধার