ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ছাদেই চলছে ৪ তলার নির্মাণ

বাংলারজমিন

মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি | ২১ মে ২০১৮, সোমবার
মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা বাজারে দুই হাজার দুইশ’ স্কয়ার ফিটের ২০ বছরের পুরাতন ঝুঁকিপূর্ণ একতলা জরাজীর্ণ ভবনের ছাদেই চলছে ৪তলা ভবনের নির্মাণ কাজ। বিল্ডিং কোড বা ভবন নির্মাণের নিয়ম-কাননের তোয়াক্কা না করে ফাটলকৃত এ ছাদেই ৪তলা ভবন নির্মানের কাজ চলছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। নির্মাণাধীন ঝুঁকিপুর্ণ এ ভবন যেকোনো সময় ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এ ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, উপজেলার নহাটা বাজারে ডা. দিব্যেন্দু মল্লিক তপন তার প্রায় ১৫-২০ বছরের পুরাতন ২২০০ স্কয়ার  ফিটের একটি একতলা ভবনের উপর কোন প্রকার ফাউন্ডেশন ছাড়াই ৪তলা ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ ভবনটি অনেক পুরাতন হওয়ায় নিচতলার ছাদে ফাটল ধরেছে।
যে কোন সময় ভেঙে পড়তে পারে। নিচতলার ফাটলকৃত ভাঙ্গা ছাদ ঠেকাতে ব্যাবহৃত হচ্ছে কাঠ ও বাঁশ। এমন অবস্থায় স্থানীয় সাধারণ জনগণ ভবন নির্মাণ কাজে বাঁধা দিলে সে বাধা অতিক্রম করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ভবনের মালিক ডা. দিব্যেন্দু মল্লিক তপন এক প্রকার গায়ের জোরেই জরাজীর্ণ এই ভবনে কোন ফাউন্ডেশন ছাড়া ৪ তলা ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে তারা আরো জানান।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, ভবনটির নিচ তলার ছাদে প্রচুর ফাটল রয়েছে। শুধু তাই নয় ভবনের ভিতর ও বাইরের দেওয়ালেও শত শত ফাটল রয়েছে। এতে যেকোনো সময় ভবনের ছাদ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্মাণ কাজ চলাকালীন ভেঙে পড়তে পারে এমন সন্দেহে ভবনের মালিক ডা. দিব্যেন্দু মল্লিক তপন তার নিজের ওষুধ ঘরের ভেতরে  কাঠ ও বাঁশ দিয়ে ছাদের ফাটল ঠেকিয়ে রেখেছে। এত ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে শ্রমিকেরা। ধারনা করা হচ্ছে ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
ভবনের মালিক ডা. দিব্যেন্দু মল্লিক তপন বলেন, ফাটল থাকলেও সমস্যা নেই আমি আমার নিজের জায়গায় ভবন নির্মাণের কাজ করছি।  নহাটা বাজারের বণিক সমিতির সভাপতি ও নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মিয়া বলেন, শুনেছি ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়রসহ একটি টিম ভবনটি পরিদর্শন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. লিয়াকত হোসেন বলেন, ভবনটি আসলেই ঝুঁকিপূর্ণ এভাবে ভবন নির্মাণ হলে যেকোনো সময়ে ভবনটি ধসে লোকজন মারা যেতে পারে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিদর্শনের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ কাজটি তিনি বন্ধের জোর দাবি করেন।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ঝুঁকিপূর্ণ  ভবন হলে সেটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

খালেদার মুক্তির দাবিতে রিজভী’র নেতৃত্বে মিছিল

ঈদের দিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা

ঈদের পর রাজপথ দখলে রাখবে আওয়ামী লীগ

নরসংদীতে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ১,আহত ৩০

ফেরত যাওয়া রোহিঙ্গাদের নির্যাতন করছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ

মুঠোফোন ক্ষতি করে চোখের, শুক্রাণুরও

পাটুরিয়ায় যানবাহনের লম্বা লাইন, ফেরি চলছে ধীর গতিতে

কোটা আন্দোলনের আরও ১০ শিক্ষার্থী কারামুক্ত

মনবন্ধু আমাকে রেখে পাড়ি জমালো

শহিদুল আলমকে ভয় পায় কে?

কলকাতায় বাংলা ধারাবাহিকের শুটিং বন্ধ

ঘটনা ধামাচাপা দিতে জজমিয়া নাটক সাজানো হয়েছিল

গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ৫

জামালকে দেখতে ভিড়, তুলছেন সেলফিও

সন্তান জন্ম দিতে সাইকেলে করে হাসপাতালে গেলেন এক মন্ত্রী

শেষ মুহূর্তের পশুর হাট, ক্রেতা বেশি দামে ভাটা