রংপুরে রথীশ হত্যা মামলার আসামির কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর থেকে | ১৬ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার
রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের পিপি রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা হত্যা মামলায় আসামি মিলন মোহন্ত কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মিলন নিহত বাবু সোনার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ছিলেন। গত ৫ই এপ্রিল তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছিল। মিলন নগরীর তাজহাট এলাকার বাসিন্দা। শনিবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মিলনের ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
কিন্তু মিলনের লাশ শ্মশানে দাহ করতে দেয়নি বাবু সোনার ভক্ত-অনুসারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৯শে মার্চ বৃহস্পতিবার রাতে বাবু সোনাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করা হয়। এরপর তার লাশ তাজহাট মোল্লাপাড়ায় একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ঘরে পুঁতে রাখা হয়। ৫ই এপ্রিল রাতে বাবু সোনার স্ত্রী স্নিগ্ধা ভৌমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব আটক করে। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন এবং লাশের অবস্থান সম্পর্কে জানান। সেই সূত্র ধরে ওইদিন রাতে মোল্লাপাড়ার একটি বাড়ির মেঝে খুঁড়ে বাবু সোনার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয় ৩রা এপ্রিল। এ ঘটনায় পুলিশ বাবু সোনার স্ত্রী স্নিগ্ধা ভৌমিক, তার প্রেমিক কামরুল ইসলাম, মিলন মোহন্ত, ছাত্র মোল্লাপাড়া এলাকার সবুজ ইসলাম ও রোকনুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে।
গত ৫ই এপ্রিল কামরুল বাদে অপর ৪ আসামিকে রংপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আরিফা ইয়াসমিন মুক্তার এজলাসে হাজির করা হয়। আদালতে মিলন মোহন্তসহ আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে তাদের রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আমজাদ হোসেন মিলন মোহন্তের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে মিলনকে গ্রহণ করার পরপরই তাকে আমরা চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেই। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল।
এদিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনিবার মিলন মোহন্তের লাশের ময়নাতদন্ত হয়। এরপর তার লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাজহাট এলাকায় তার বাড়িতে লাশ নিয়ে গিয়ে রংপুরের দখিগঞ্জ শ্মশানে দাহ করতে চাইলে পিপি রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনার ভক্ত-অনুসারীরা বাধা দেয়। এরপর লাশ নিয়ে যাওয়া হয় তাজহাট শ্মশানে। সেখানেও বাবু সোনার ভক্ত-অনুসারীরা বাধা দেয়। পরে শ্মশানের বাইরে ক্যানেলের ধারে তাকে দাহ করা হয়।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সোনা কারসাজির নিরপেক্ষ তদন্ত চায় ফিনল্যান্ড বিএনপি

চবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানবন্ধনেও ছাত্রলীগের হামলা!

রিমান্ডে আসাদ পংপং

ছোট বড় সকল নির্বাচনে স্বচ্ছতা দেখতে চায় ইইউ

ঢাকায় সর্বোচ্চ গরম

দেশের বাইরে পাসের হার ৯২ দশমিক ২৮ শতাংশ

জাবিতে ১৯ বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে মানববন্ধন

আবারও বড় ঋণ কেলেঙ্কারিতে জনতা ব্যাংক

বিবি’র ওপর ‘আস্থা’ রাখুন!

হুমায়ূন আহমেদের শেষের দিনগুলো

দিনাজপুরে ছেলেরা পিছিয়ে

আরিফকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন সেলিম

যশোর বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বললেন বিপর্যয় নয়, কম পাস

ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ২০ থেকে ২৬ জুলাই

গতানুগতিক পড়ালেখায় ভাল ফল সম্ভব নয়

পাকিস্তানের নির্বাচনে দৃষ্টি সেনাবাহিনীর!