শিশুপার্কের ফলক থেকে মুছে যাচ্ছে জিয়ার নাম

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২২ মার্চ ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:২২
রাজধানীর শাহবাগের শিশুপার্কের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। ‘শহীদ জিয়া শিশুপার্ক’ থেকে নতুন নাম হয়েছে শুধু ‘শিশুপার্ক’।
পার্কের নামফলকে থাকা সাবেক  প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম এ সপ্তাহের মধ্যে সরিয়ে ফেলা হবে। গতকাল সচিবালয়ে ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস পালন, ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নতুন প্রকল্প সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এ তথ্য জানান। শহীদ জিয়া শিশুপার্কের নাম পরিবর্তন করা হবে বলে শোনা যাচ্ছিল- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন- অবশ্যই, ইতিমধ্যে শিশুপার্কের নাম আমরা পরিবর্তন করেছি। কাগজপত্রে শিশুপার্কের যে নাম ছিল তা এখন আর নেই।
অনেকে হয়তো এটা জানেন না। নতুন কী নাম দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে মোজাম্মেল হক বলেন, নতুন করে কোনো নাম রাখা হয়নি, এখন শুধু শিশুপার্ক। ‘শহীদ জিয়া শিশুপার্ক’ নামফলক এখনো রয়ে গেছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, আমি খুব আন্তরিকভাবে আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি (এ তথ্য জানানোর জন্য), পুরনো নামফলকটা এখনো রয়ে গেছে? আমরা এ সপ্তাহের মধ্যে ইনশাআল্লাহ সরিয়ে দেব। এটা আমাদের দৃষ্টিতে ছিল না। শিশুপার্কের বর্তমান স্থানটিতে ১৯৭১ সালে পাকহানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান যখন প্রেসিডেন্ট ও মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর তখন সাংবাদিক আতাউস সামাদ তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, যেখানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল সেখানে শিশুপার্ক করা হয়েছে কেন? পত্রিকার (বিচিত্রা) ভাষ্য অনুযায়ী জিয়াউর রহমান সাহেব জবাব দিয়েছিলেন, মুসলমানদের পরাজয়ের কোনো চিহ্ন রাখতে নেই। সে জন্য তিনি সেখানে শিশুপার্ক করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, আমরা জানি ঐতিহাসিক স্থানে শিশুপার্কটি। শিশুরা পার্কের সুবিধাও ভোগ করবে এবং দেশের ইতিহাসের কিছু উপাদানও যাতে দেখে যেতে পারে সেই ব্যবস্থাও থাকবে। তিনি বলেন, তাদের (বিএনপি) এটা যাতে বুমেরাং হয়। তারা করেছিল ইতিহাসটা মুছে ফেলতে। আর আমরা ইতিহাস জাগ্রত করতে সেই পরিকল্পনা নিয়েই শিশুপার্কটিকে সংরক্ষণ করছি। শিশুপার্কটি নতুন আদলে হবে। আরো রাইড নিয়ে এটি আকর্ষণীয় হবে। শিশুপার্কটি আরো পূর্বদিকে সরানো হবে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সচিব অপরূপ চৌধুরী, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা কামরুন নাহার উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-০৩-২২ ০০:১০:২৯

এটা অত্যন্ত হিংসাত্মক কাজ। মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার অবদান অবশ্য আছে। সেক্টর কমান্ডার। তাছাড়া স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা তার কন্ঠেই প্রথম পাঠ করা হয়েছিল। আমরা ষাটোর্ধ যারা তখন টগবগে জোয়ান ছিলাম তার কণ্ঠের পাঠ শুনেছি তার স্বীকৃতি স্বরুপ কোথাও কোথাও তার নাম থাকা বাঞ্ছনীয় । যারা এই সব পরামর্শ দিচ্ছে তারা আ লীগকে খুবই নীচে নামিয়ে দিচ্ছে। আ লীগ এত নীচে নামুক তা আমরা চাই না।

Imrul Imtiaz

২০১৮-০৩-২২ ০২:২৬:২৭

Since this is a freedom fight historic landmark, why not name it as "Bongo Bondhu Shishu Park'?

আপনার মতামত দিন

‘নাট্য নির্মাতারা এখন ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন’

কোনো দেশের সঙ্গে মিলছে না বাংলাদেশের কোটা পদ্ধতি

সাত বছরে সর্বনিম্ন ফল

অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায় ইইউ

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা

রাশিয়ায় বাংলাদেশি তরুণদের আর্তনাদ

সিলেটে উৎসবমুখর পরিবেশ, আছে শঙ্কাও

লিটনের পক্ষে খুলনার মেয়র বুলবুলের পক্ষে গয়েশ্বর

বরিশালে আত্মবিশ্বাসী আওয়ামী লীগ, কৌশলী বিএনপি

কোটা আন্দোলন নিয়ে দূতাবাসগুলোর বিবৃতিতে অসন্তোষ

অছাত্রদের হাতেই যাচ্ছে ছাত্রদলের নেতৃত্ব

নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম

গাজীপুরে স্ত্রী-কন্যাকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে আরো দুইদিন

রূপগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভায় জনস্রোত

আরিফকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন সেলিম