প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: মওদুদ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ মার্চ ২০১৮, শনিবার, ২:১৬
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের যেসব নেতারা বেশি বেশি গণতন্ত্রের কথা বলেন- এমন ৫ জন নেতার এলাকায় যান। দেখবেন প্রথমত তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হননি। দ্বিতীয়ত বিরোধীদলের কোনো ঘরোয়া প্রোগ্রামও করতে দেননা। এলাকায় দল চালায় থানার ওসি। আওয়ামী লীগ নেতারা তাদের সহযোগিতা ছাড়া কিছুই করতে পারেননা। এসবের একটি কথাও যদি মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেন কেউ তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।
আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত দেশনেত্রীর কারাবাস দীর্ঘায়িত করার সরকারি ষড়যন্ত্র বন্ধ ও সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদী আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের এসব নেতারা মুখে বলে গণতন্ত্র আছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে করে অন্যটা। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে শত শত মামলা দিয়ে হয় জেলখানায় না হয় ঘরছাড়া করে রেখেছে। আমি এখন ইচ্ছা করেই খুব একটা গ্রামের বাড়ি যাইনা। গেলেই অন্তত আমার ৫০ জন ছেলেকে গ্রেপ্তার করে। তারা মা বাবার সঙ্গে ঈদ করতে পারেনা। রাতে ঘরে ঘুমোতে পারেনা। এসময় তিনি বলেন, যেসব আওয়ামী লীগ নেতা এখনো গণতন্ত্রের কথা বলেন মেহেরবানি করে তারা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আয়নায় নিজের মুখটি দেখবেন। এই সরকার এতো নিচে নেমে গেছে যে দেশের মানুষের সঙ্গে এদের কোন সম্পর্ক নেই। বিশ্বময় স্বৈরাচার সরকারের যেভাবে পতন হয়েছে এই সরকারেরও তেমন পত হবে। এটাই ইতিহাসের নিয়ম।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের একজন নেতা ইতিমধ্যে মুখ ফসকে বলেই দিয়েছেন নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রের কথা। তিনি বলেছেন, সব কিছু হয়ে গেছে এখন নির্বাচনে বিজয় শুধু আনুষ্ঠানিকতা। এতোদিন আমরা যে সন্দেহ করে আসছিলাম সেটাই আজ স্পষ্ট হয়েছে। তবে তারা যতোই ষড়যন্ত্র করুক না কেন বাংলাদেশের মাটিতে এটা হতে দেয়া হবেনা। আওয়ামী লীগকে এই নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবেনা।       
নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরামের উপদেষ্টা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ সভাপতি নাছির উদ্দিন হাজারীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব ভিপি ইব্রাহিম, বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

[আলিম/এফএম]

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Juned Abedin

২০১৮-০৩-১৭ ১৪:৫২:৪৩

বাস্তাব কথা,আসলে কথাটি ১০০% সটিক।কোন রাজনৈতিক নেতা মুখে আজ প্রথম কোন সটিক কথা শুনিলাম।

আজিম রেজা(রিয়াদ)

২০১৮-০৩-১৭ ১২:০৪:৪৮

আমরা সৈয়দাবাদ কলেজ শাখা তথা কসবা উপজেলা ছাত্রলীগ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম♩ মওদুদ সাহেব,আইন মন্ত্রীর এলাকায় এসে দেখে যান♩

Joynal abdin

২০১৮-০৩-১৭ ০৭:১৯:১৩

Apnar kothagolo 100% right

আপনার মতামত দিন

রাজশাহীতে ক্রমশ ঘোলাটে হচ্ছে পরিবেশ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারে হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কর্নার

কুষ্টিয়ায় মাহমুদুর রহমানের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

আইএসআই আমাকে প্রধান বিচারপতি বানাতে চেয়েছিল

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সরোয়ারের শঙ্কা

ঢাবিতে সমাবেশ ছাত্রলীগের মারধর

আইটিইউ নির্বাচনে জয় চায় বাংলাদেশ

শিল্পনগরীর বেহালদশা, রপ্তানিতে পিছিয়ে পড়ছে চামড়া শিল্প

যুক্তরাষ্ট্রে বেক্সিমকো ফার্মার চতুর্থ ওষুধ রপ্তানি শুরু

জন্মদিনের পার্টির কথা বলে ডেকে তরুণীকে গণধর্ষণ

তিন সিটিতে প্রচারণায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ

মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ঢাবি শিক্ষকদের

মাহমুদুর রহমানকে নিরাপত্তা দিতে আসেনি পুলিশ: ফখরুল

অ্যানি আলী খানের মরদেহ উদ্ধার

রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি ৮ই অক্টোবর