‘নিম্ন আদালতের মাধ্যমে সরকার খালেদা জিয়ার মুক্তি বিলম্ব করছে’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৩ মার্চ ২০১৮, মঙ্গলবার, ৭:৫৬
নিম্ন আদালতের মাধ্যমে সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি বিলম্ব করার ‘কলাকৌশল’ করছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। আজ বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল সাজানো ও মিথ্যা মামলার রাজনৈতিক তাৎপর্য ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন। মওদুদ আহমদ বলেন, নিম্ন আদালত এখন সুপ্রিম কোর্টের অধীনে নেই, এটা চলে গেছে নির্বাহী বিভাগের অধীনে। কুমিল্লার মামলা এতাদিন চলছে, ওয়ারেন্ট ইস্যু নেই। এখন উচ্চ আদালতে উনি (খালেদা জিয়া) জামিন পেয়ে গেছেন। আর এখন ওয়ারেন্ট পাঠিয়ে দিয়েছেন। উদ্দেশ্য হলো ২৮শে মার্চ পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়া যেন জেলখানায় থাকে তার ব্যবস্থা করা। এটা হীনমন্যতা ছাড়া আর কিছু না।
কিন্তু তাতে লাভ হবে না। আমরা মনে করি, আপনারা (সরকার) যতোই কলাকৌশল করেন, ছল-চাতুরি করেন, যতোই ষড়যন্ত্র করেন বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হয়ে আমাদের কাছে আবার ফিরে আসবেন।
মওদুদ বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এখন যত মামলা আছে সব স্থগিত আছে, নিয়ন্ত্রণে আছে। ৪টা মামলার মধ্যে দুইটা ঢাকায়, একটা নড়াইল এবং একটা কুমিল্লায়। এসময় তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি একদিনের জন্য বিলম্বিত হলে তার জনপ্রিয়তা দ্বিগুন বাড়বে। বিলম্ব করতে চান? করেন। আমার নেত্রীর কষ্ট হবে ঠিকই কিন্তু তার জনপ্রিয়তা আপনারা ঠেকাতে পারবেন না। উচ্চ আদালতে খালেদা জিয়ার জামিনের বিরুদ্ধে সরকারের আপীলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের নেত্রীর জামিন হয়ে গেলে আশা করেছিলাম উনি আজকে অথবা কালকের মধ্যে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। কিন্তু সরকার আপিল করায় তা হয়নি। সরকার পক্ষ আজকে আপীল করতে গিয়েছিলেন, তারা সময় চেয়েছেন। আমরা বলেছি কালকে ফুল বেঞ্চে শুনানি হবে। আগামীকাল বুধবার ইনশাল্লাহ এক নম্বরে থাকবে বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়টা। আমরা মনে করি, এই বিচারিক প্রক্রিয়ায় আপিল বিভাগ হাইকোর্টের জামিনের রায় বহাল রাখবেন। কিন্তু সন্দেহ হলো জামিন ১৫দিন বিলম্ব হলো। এটা আদালত করে নাই, সরকার করেছে। সরকারি কর্মচারিরা করেছে যারা এটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করেন।
মওদুদ আহমদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে তাকে সঙ্গে নিয়েই আমরা নির্বাচন করবো এবং সেই নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে এবং নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে জোয়ার উঠবে। দেশের মানুষ যখন খালেদা জিয়ার পক্ষে মাঠে নেমে যাবে, তখন বাংলাদেশের রাজনীতির চিত্র পাল্টে যাবে। আপনারা ধর্য্য ধরেন, কেউ হতাশ হবে না।
জিয়া পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কবীর মুরাদের সভাপতিত্বে ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদের পরিচালনায় অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, অধ্যাপক এসএম হাসান তালুকদার, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, প্রকৌশলী রুহুল আলম, শহীদুল ইসলাম শহীদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নিজ আসন থেকেই প্রচার শুরু করছেন শেখ হাসিনা

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহী ৩৪,৬৭১ স্থানীয় পর্যবেক্ষক

উচ্চ আদালতে হাজারো জামিনপ্রার্থী, দুর্ভোগ

পরিস্থিতির উন্নতি না হলে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠবে

হাইকোর্টেও বিভক্ত আদেশ

সব দলকে অবাধ প্রচারের সুযোগ দিতে হবে

পাঁচ রাজ্যে বিজেপির ভরাডুবি

নোয়াখালী ও ফরিদপুরে নিহত ২

ভুলের খেসারত দিলো বাংলাদেশ

চার দলের প্রধান লড়ছেন যে আসনে

কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি

সিলেটে মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু আজ

দেশজুড়ে ধরপাকড়

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের চার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তিন জনের হাতে

আবারো বন্ধ হলো ৫৪টি নিউজ পোর্টাল

নারী প্রার্থীদের অঙ্গীকার