নয়াপল্টনে মিলনের জানাজায় নেতাকর্মীদের ঢল

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৩ মার্চ ২০১৮, মঙ্গলবার, ৫:৪৪ | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৫২
ছবি: নাসির উদ্দিন
কারাগারে মারা যাওয়া ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনের জানাজায় নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছিল নয়াপল্টনে। আজ বাদ জোহর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নিহত মিলনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, আহমদ আজম খান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আতাউর রহমান ঢালী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হারুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুজ্জামান শিমুল, সেলিম রেজা হাবিব, আবদুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নেতা মফিজুর রহমান আশিক, কাজী মোকতার হোসেনসহ বিএনপি, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জাকির হোসেন মিলনের মরদেহ নয়াপল্টনে পৌঁছালে সেখানকার পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে। কফিনটি দলীয় পতাকায় ঢেকে দেয়ার মাধ্যমে সম্মান জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে বক্তব্য দিতে দিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দুইজনই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। মির্জা আলমগীর বলেন, সারা বাংলাদেশ আজ নির্যাতন, নিপীড়নের শিকার। হে আল্লাহ, এ দুঃশাসন থেকে জাতিকে মুক্তি দিন।
আমাদের সন্তানদের, আমাদের দেশের মানুষকে মুক্তি দিন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য যারা লড়াই করছেন, প্রাণ দিচ্ছেন- তাদের প্রতি আমাদের স্যালুট, অভিবাদন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা মানুষকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমেই দেশের মানুষের দাবি আদায় করব। স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, পুলিশ এভাবে পিঠিয়ে একটি ছেলেকে মেরে ফেলল? কি অপরাধ ছিল তার? মানববন্ধন থেকে ছেলেটিকে ধরে নিয়ে গেল, আজ আমরা তার লাশ পেলাম। আমরা কোথায় বসবাস করছি। সেদিন মহাসচিবের কাছ থেকে ছিনিয়ে একটি ছেলেকে নিয়ে গেল। যেন পিতার কোল থেকে তার সন্তানকে কেড়ে নিয়ে যাওয়া হল। মির্জা আব্বাস বলেন, এই বাংলাদেশে আমাদের অবস্থা রোহিঙ্গাদের চেয়ে বেশি খারাপ হয়ে গেল নাকি? যখন যাকে ইচ্ছা ধরে নিয়ে যাবে, পিটিয়ে মেরে ফেলবে। যাদের কাছে আমি আশ্রয় নেব, তারাই যদি আমাকে পিটিয়ে মেরে ফেলে, যেখানে আমাদের আশ্রয় নেয়ার কথা, সেখানেই যদি আমরা আশ্রয় না পাই তাহলে কোথায় যাব। হাইকোর্টের নির্দেশ আছে সাদাপোষাকে কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। সে নির্দেশ অমান্য করে পুলিশ আজ পেটোয়াবাহিনীর আচরণ করছে। তারা এখন মানুষের রক্ষক নয়, আওয়ামী লীগের রক্ষক। আমি আজ আল্লাহর কাছে বিচার দিতে দিচ্ছি, এ অবিচারের শাস্তি দিন। তারা মরহুম মিলনের আত্মার মাগফিরাত কামনা, তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

[কাফি]



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নিজ আসন থেকেই প্রচার শুরু করছেন শেখ হাসিনা

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহী ৩৪,৬৭১ স্থানীয় পর্যবেক্ষক

উচ্চ আদালতে হাজারো জামিনপ্রার্থী, দুর্ভোগ

পরিস্থিতির উন্নতি না হলে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠবে

হাইকোর্টেও বিভক্ত আদেশ

সব দলকে অবাধ প্রচারের সুযোগ দিতে হবে

পাঁচ রাজ্যে বিজেপির ভরাডুবি

নোয়াখালী ও ফরিদপুরে নিহত ২

ভুলের খেসারত দিলো বাংলাদেশ

চার দলের প্রধান লড়ছেন যে আসনে

কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি

সিলেটে মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু আজ

দেশজুড়ে ধরপাকড়

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের চার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তিন জনের হাতে

আবারো বন্ধ হলো ৫৪টি নিউজ পোর্টাল

নারী প্রার্থীদের অঙ্গীকার