বিএনপির বিক্ষোভে বাধা লাঠিচার্জ, গুলি, ধরপাকড়

প্রথম পাতা

বাংলারজমিন ডেস্ক | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৩১
হবিগঞ্জে পুলিশের হেনস্তার শিকার পৌর মেয়র জি কে গউছ -নিজস্ব ছবি
হবিগঞ্জ, রাজবাড়ী, মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দিয়েছে। হবিগঞ্জে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশ ৫৪ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে আহত হয়েছেন বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী। রাজবাড়ীতে পুলিশি বাধার মুখে পণ্ড হয়ে যায় বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি। ফরিদপুরে বিএনপির কর্মসূচিতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। এতে আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি। মুন্সীগঞ্জে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ থেকে জানান, হবিগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের 
ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে বাঁধা দেয়াকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট ও টিয়ার সেলে আহত হয়েছেন অন্তত শতাধিক নেতাকর্মী। বিএনপির দাবি সংঘর্ষে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জিকে গউছসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, এসআই মোসলেমসহ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৫৪ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করতে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় শহরের শায়েস্তানগর এলাকা থেকে বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ বাঁধা দেয়। এ সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এসময় পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জি কে গউছ ও সাংবাদিকসহ শতাধিক লোক আহত হন। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পুলিশ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জিকে গউছসকে আটক করে। পরে বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের তোপের মুখে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এছাড়া পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে। এদিকে গ্রেপ্তার আতঙ্কে আহত বিএনপি নেতা-কর্মীরা সরকারী হাসপাতালে ভর্তি বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেন। সংঘর্ষের ঘটনায় শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জি কে গউছ মানবজমিনকে বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। বিশেষ করে ডিবির ওসি শাহ আলমের উস্কানিতেই পুলিশ নেতাকর্মীদের উপর এ হামলা ও গুলি চালিয়েছে। সে আমাকে ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়েছে। এতে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তিনি বলেন, হামলা-গুলি আর মামলা দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের দমানো যাবে না। যতদিন পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দেয়া না হবে ততদিন পর্যন্ত মৃত্যু ভয় অগ্রাহ্য করেও রাজপথে থাকবো। হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়াসিনুল হক জানান, মিছিলের নামে বিএনপি নেতাকর্মীরা রাস্তা অবরোধ করে শহরে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছিল। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ তাদেরকে বাধা দিয়েছিল। এসময় তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ৫৪ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে জানান, সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন- বেগম খালেদা জিয়া এদেশের মুক্তিকামী জনতার আশা আকাঙ্ক্ষার শেষ ভরসাস্থল। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে এদেশে আর কোন প্রহসনের ভোটারবিহীন নির্বাচন হতে দেয়া হবেনা। মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচর অংশ হিসেবে নগরীর রেজিস্টারি মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে জেলা ও মহানগর বিএনপি ছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের সভাপতিত্বে ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা আলহাজ্ব এম.এ হক। বিএনপি নেতা শাহ মো. এহিয়ার পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বিএনপির কেন্দ্রীয় সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, জেলা সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, মহানগর সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরু, সহ-সভাপতি কাউন্সিলার ফরহাদ চৌধুরী শামীম, সহ-সভাপতি জিয়াউল গনি আরেফিন জিল্লুর, সহ-সভাপতি সুদীপ রঞ্জন সেন, সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, জেলা উপদেষ্ঠা আফরোজ মিয়া চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত্‌ চৌধুরী সাদেক, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম সিদ্দীকি, এমদাদ হোসেন চৌধুরী, এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, এডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, আবুল কাশেম ও শামীম আহমদ, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা কাউন্সিলার সালেহা কবির শেপী, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা নিগার সুলতানা ডেইজী ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদ আহমদ।
স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ থেকে জানান, কড়া বেষ্টনীর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপি যৌথভাবে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সকাল ১১টায় শহরের চাষাড়া বালুর মাঠস্থ নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এ সমাবেশ শুরু হয়ে ঘণ্টাব্যাপী চলে।
প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একটি সাজানো, কাল্পনিক অসত্য মামলায় আজ ১২ দিন ধরে বন্দি। তাকে রাখা হয়েছে ২শ’ বছরের পুরনো একটি পরিত্যক্ত কারাগারে। মাদকাসক্তরা যেভাবে একটা জাতিকে নষ্ট করতে পারে তেমনি আওয়ামী লীগের মতো দল গণতন্ত্রকে নষ্ট করতে পারে।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আজ দুই কোটি টাকার মামলার রায়ের কপি পেতে ১২ দিন সময় লাগে। তাহলে ১৪ হাজার কোটি টাকার মামলার বিচার যখন হবে তখন রায়ের কপি পেতে কতদিন লাগবে? আমরা আইন ভাঙবো না বরং শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করব। আর তাতেই জনতার মা’কে মুক্ত করব।
প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ কারাগারে বন্দি সব নেতাকর্মীর মুক্তিও দাবি করা হয়।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন- চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক এটি এম কামাল, সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান আঙুর, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হাই রাজু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপু প্রমুখ।
রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে রাজবাড়ী জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে নেতৃবৃন্দ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম নেতা সাবেক এমপি জেলা বিএনপির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের নেতৃত্বে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে গেলে পুলিশি বাধার মুখে তা পণ্ড হয়ে যায়। এ ঘটনার পর নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনেই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. রোকনদ্দিন চৌধুরী, মো. নইম আনসারী, আ্যডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক খান, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান লাল, অ্যাডভোকেট এমএ গফুর, যুগ্ম সম্পাদক এ. মজিদ বিশ্বাস ও অধ্যাপক চৌধুরী আহসানুল কবির হিটু উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। জনগণের মৌলিক অধিকারকে হরণ করা হয়েছে, জনগণের ভোটের অধিকার নেই, দমন নিপীড়ন করে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়, তিনি বলেন আমরা সবাই মিলে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে পতন ঘটালেও আজকের সরকার সেই স্বৈরাচারী এরশাদকে সঙ্গে নিয়ে গায়ের জোরে ক্ষমতায় টিকে আছে।
স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের পাঁচ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হচ্ছেন- জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মাহমুদ, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আশিকুল ইসলাম সুমন, জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর ফারুক আহমেদ, জেলা যুবদল নেতা ওসমান ও ছাত্রদল নেতা টিপু। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার ও মুক্তির দাবিতে গতকাল সকালে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলের পরপরই পুলিশ পাঁচ নেকাকর্মীকে আটক করে। মিছিলটি শহরের টান বাজার মোড় থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালাইশ্রীপাড়ায় পৌঁছে সমাবেশ করে। জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানান।
চাঁদপুর প্রতিনিধি জানান, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. শফিকুর রহমান ভূঁইয়া ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী গোলাম মোস্তফাকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের নতুন বাজার মোড় এলাকা থেকে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ তাদের আটক করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়ালি উল্যাহ ওলি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নতুন বাজার থেকে আরো তিন ছাত্রদল কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। ওসি বলেন, তিন ছাত্রদল কর্মীর নাম পরিচয় পরে জানানো হবে। এ ছাড়া চাঁদপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার এএনআই শাহীনা জানান, বিএনপির দুই জন শীর্ষ নেতা ছাড়া ও আরো পাঁচ জন বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। তাদের নাম এই মুহূর্তে দেয়ার কোনো নির্দেশ নাই। পরে জানানো হবে।
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জানান, লক্ষ্মীপুরে পৃথকভাবে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে নেতাকর্মীরা। সকালে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সামনে জেলা বিএনপির উদ্যোগে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন সাবু, সহ-সভাপতি ছায়েদুর রহমান ছুট্টু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হারুনুর রশিদ ব্যাপারি, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান, বিএনপি নেতা হিরু চৌধুরী, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম রিটন, সদর উপজেলার যুবদলের সভাপতি খালেদ মো. আলী কিরন, পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ হোসেন ভুলু, ছাত্রদল নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বাবর প্রমুখ। অপরদিকে জেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে পৃথকভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এ সময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ভূইয়া, সদর বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্ছু, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রশিদুল হাসান লিংকন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হারুনুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম মামুন প্রমুখ। এ সময় জেলা-উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি জানান, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। বিক্ষোভ মিছিলটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ভিপি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে শহরের এম বি ক্লথ স্টোরের সামনে থেকে শুরু হয়ে সিকন্দর আলী রোডে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বাদশা, জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক আব্দুর রকিব সাবু, জেলা বিএনপি নেতা সাবেক চেয়ারম্যান শামিম আহমদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মুহিতুর রহমান হেলাল, জেলা যুবদল নেতা আব্দুস সালাম মেম্বার, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শেখ শামীম জাফর, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ নিশাত, জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মুহাইমিন কবির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল হান্নান, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. রুবেল মিয়া এবং বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সিগঞ্জ থেকে জানান, মুন্সিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জসিমকে পুলিশ পেটায়। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের পিটিআই প্রধান সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার প্রতিবাদে ও তার মুক্তির দাবিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাইয়ের নেতৃত্বে বিএনপি তাদের দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি পিটি স্কুল রোডে গেলে পুলিশ লাঠি পেটা শুরু করে। এতে জেলা ছাত্রদল নেতা জসিমসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বান্দরবানে বিক্ষোভ-মিছিল সমাবেশ করেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বান্দরবানে জেলা বিএনপির সভাপতি মাম্যাচিং’র নেতৃত্বে বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। সকালে পুরনো রাজবাড়ি মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাম্যাচিং, বিএনপি নেতা মংশৈ ম্রয়, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক টিমং মারমা প্রমুখ। অপরদিকে শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাবেদ রেজা, বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবিদুর রহমান প্রমুখ। তার আগে পৃথক দুটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের পুরাতন রাজবাড়ির মাঠ এবং বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেছে।
ফরিদপুর প্রতিনিধি জানান, ফরিদপুর জেলা বিএনপির কর্মসূচিতে পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিআর শেল নিক্ষেপ করেছে। এতে দুই সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। সাংবাদিক দু’জন হচ্ছেন, কালেরকণ্ঠ ফরিদপুর প্রতিনিধি নির্মলেন্দু চক্রবর্তী শংকর ও নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি হারুন আনসারী রুদ্র। সমাবেশস্থল থেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইসা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েলসহ আটক হয়েছে বেশ কয়েকজন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল দুপুরে ফরিদপুর শহরের সুপার মার্কেটের সামনে মুজিব সড়কে।
সমাবেশস্থলে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সামা ওবায়েদ রিংকু উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে পুলিশের লাঠিপেটায় সমাবেশটি ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে সামা ওবায়েদ রিংকু একটি দোকানে অবস্থান নেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফরিদপুরে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনকালে পুলিশ হঠাৎ করে আমাদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিআর শেল নিক্ষেপ করে।
এতে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এ ঘটনায় আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে জানান, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগরী সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সরকারের সাজানো-পাতানো রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাটির রায়ও হাস্যকর। দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার ও বিচারককে একদিন জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। জনগণ তাদের ছাড়বে না। গত দু’বারের অবৈধ সরকারের প্রধান হিসেবে কত হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছেন, তারও একদিন বিচার হবে। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেশবাসী খুব ভালো করেই চেনে। কোনো দুর্নীতিবাজ-লুটেরা অবৈধ সরকারের সাজানো-পাতানো মামলার রায়ে কলঙ্কের তকমা লাগিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেশের জনগণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা যাবে না।
বিক্ষোভ সমাবেশ বক্তৃতা করেন কেসিসি’র মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সাবেক এমপি কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সাবেক এমপি মুজিবর রহমান, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, মোল্লা আবুল কাশেম, আবদুল জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম মেজো ভাই, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, স ম আবদুুর রহমান, শেখ জাহিদুল ইসলাম, শাহ্‌ জালাল বাবলু, শেখ ইকবাল হোসেন, ফখরুল আলম। ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিজেপি সভাপতি এডভোকেট লতিফুর রহমান লাবু, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট লস্কর শাহ্‌ আলম, জেপি (জাফর) সভাপতি মোস্তফা কামাল, মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আক্তার জাহান রুকু, বিজেপি’র সিরাজউদ্দিন সেন্টু, খেলাফত মজলিসের নগর সেক্রেটারি মাওলানা নাসির উদ্দিন ও পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাব’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. সেখ মো. আখতার উজ জামান।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাজানো-পাতানো রাজনীতিক হয়রানিমূলক মামলার রায় বাতিল ও অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. গাজী আবদুুল হক। সমাবেশে বক্তৃতা করেন- জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, খান জুলফিকার আলী জুলু, শেখ আবদুর রশিদ, মনিরুল হাসান বাপ্পী, কামরুজ্জামান টুকু, চৌধুরী কাওসার আলী, খান আলী মুনসুর, মেজবাউল আলম, সাইফুর রহমান মিন্টু, ডা. আবদুল মজিদ, শরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার খোকন, এসএ রহমান বাবুল, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, আবদুর রকিব মল্লিক, মোস্তফা উল বারী লাভলু, তসলিমা খাতুন ছন্দা, মোশাররফ হোসেন মফিজ, শামসুল আলম পিন্টু, আলী আজগর, মুর্শিদুর রহমান লিটন, ওয়াহেদুজ্জামান রানা, শামীম কবির, তৈয়বুর রহমান, এবাদুল হক রুবায়েদ, উজ্জ্বল কুমার সাহা, ইলিয়াস মল্লিক, আবদুল মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, আহসানুল হক লড্ডন, সুলতান মাহমুদ, শরফরাজ হিরো, মশিউর রহমান যাদু, সাইফুল হাসান রবি, শেখ হাফিজুর রহমান, আরিফুর রহমান, খায়রুল ইসলাম জনি, নুরুল আমীন বাবুল, খন্দকার ফারুক, মিরাজুর রহমান রহমান, জাবির আলী, অধ্যাপক আইয়ুব আলী, কাজী মিজানুর রহমান, ওয়াইজ উদ্দিন সান্টু, গোলাম কিবরিয়া আশা, হাবিবুর রহমান হবি, জসিম উদ্দিন লাবু, রফিকুল ইসলাম বাবু, শামসুল বারী পান্না প্রমুখ।
মেহেরপুর প্রতিনিধি জানান, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গতকাল সকাল ১০টায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মেহেরপুর জেলা বিএনপি। সাবেক সংসদ সদস্য ও মেহেরপুর জেলা বিএনপি’র সভাপতি মাসুদ অরুণ-এর নেতৃত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ইলিয়াছ হোসেন, আনছারুল হক, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ভুট্টো, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক আঃ আওয়াল, মনিরুজ্জামান গাড্ডু, সদর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, আঃ রহিমসহ জেলা নেতৃবৃন্দ। খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি মাসুদ অরুণ।
জয়পুরহাট প্রতিনিধি জানান, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি। গতকাল দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপাসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এডভোকেট কামরুল ইসলাম মনির। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি নেতা ফয়সল আলিম, মমতাজ উদ্দীন মণ্ডল, মতিয়র রহমান, মাওনানা ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

জামায়াত নেতা শামসুল ইসলাম কারাগারে

মেজর (অব.) মান্নানকে দুদকে তলব

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে ‘ঢাকা পরিচ্ছন্নতা অভিযান’

‘আইনমন্ত্রীর কথায় মামলা হবেনা’

৫৭ ধারায় গ্রেপ্তার চবি শিক্ষক

আড়াই বছরের শিশুকে ধর্ষণ

চুরির অভিযোগে পালাক্রমে ধর্ষণ

নিম্ম আদালতেও আমীর খসরুর জামিন

‘মিয়ানমারে হস্তক্ষেপের কোনোই অধিকার নেই জাতিসংঘের’

বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে পানিপথ করিডোর নির্মাণ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে ভারত

‘জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্য হতে পারে’

আদালতের প্রতি দুই আসামীর অনাস্থা একজনের জামিন বাতিল

২৭শে সেপ্টেম্বর বিএনপির জনসভার ঘোষণা

আপিলেও বৃটিশ যুবতীর জেল বহাল

বাংলাদেশের ইতিহাসে যেখানে মাশরাফিই প্রথম

বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ি, আছে ৩টি হেলিপ্যাড, সিনেমা হল, ৬০০ কাজের লোক (ভিডিও)