প্রযুক্তি দিয়েই প্রশ্নফাঁস মোকাবিলা সম্ভব

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৯
সরকারের অবহেলা, অসচেতনতা ও সৎ ইচ্ছার অভাবে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস হচ্ছে। এ সমস্যা একটি জাতীয় সংকট। এ সংকটের মোকাবিলা প্রযুক্তি দিয়েই সম্ভব।  
গতকাল রাজধানীতে বেসিস কনফারেন্স হলে ‘প্রশ্নফাঁস বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধান ও প্রযুক্তিগত সমাধান’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এমন মতামত তুলে ধরে। গোলটেবিলটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম, জাগো ফাউন্ডেশন, পরিবর্তন চাই ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি আইটি সোসাইটি।
প্রশ্নফাঁস বিষয়ে বিডিজবস প্রধান নির্বাহী ও বেসিস’র সাবেক সভাপতি ফাহিম মাশরুর বলেন, চলমান এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস সরকারের অজ্ঞতা, অবহেলা বা অসহায়ত্ব দায়ী কিনা জানি না। তবে প্রশ্নফাঁস এখন মহামারীর মতো জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের মতো প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে এ সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে।
প্রশ্নফাঁস মোকাবিলা প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমেই সম্ভব।
প্রশ্নফাঁসের কারণ উল্লেখ করে প্রযুক্তিবিদ মীর শাহরুক ইসলাম বলেন, প্রশ্ন ছাপা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশ্ন পরিবহন ও সংরক্ষণে সবচেয়ে প্রশ্নফাঁসের ঝুঁকি বেশি। এজন্য মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল বাক্স ব্যবহারের মতো বড় বড় পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সরকারকে রিমোট আনলক স্মার্টবক্সের মতো প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি।
পরিবর্তন চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ফিদা হক বলেন, ইন্টারনেট ও ফেসবুক বন্ধ করা প্রশ্নফাঁস রোধে যৌক্তিক কোনো সমাধান নয়। পরীক্ষাকে প্রশ্নফাঁসমুক্ত করতে প্রযুক্তির সার্বিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
প্রশ্নফাঁসের কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে ঢাকা ইউনিভার্সিটি আইটি সোসাইটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, প্রশ্নফাঁসে পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সহযোগিতা ও সরকারের বিচারহীনতার ভূমিকা রয়েছে। এজন্য প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে বলে মনে করেন এ প্রযুক্তিবিদ।
উপস্থিত বক্তারা বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে শিক্ষক, অভিভাবক, পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রযুক্তির ইতিবাচক দিক নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এদিকে সরকারকে পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন, প্রযুক্তির পুরো ইকো সিস্টেমে আমূল পরিবর্তন আনার পাশাপাশি সরকারকে আইনি প্রয়োগের ওপর জোর দিতে হবে বলে মনে করেন তারা।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মাসিক পত্রিকা টেক ওয়ার্ড বাংলাদেশ-এর সম্পাদক নাজনিন নাহার, জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করবী রাশেদ, শিশু শিক্ষার কর্মী রাখাল রায়, প্রযুক্তিবিদ জাহিদুল ইসলাম বিপুল প্রমুখ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-০২-১৪ ২৩:৩৭:১৫

যত দিন চরিত্রের সংশোধন হবে কোন প্রযুক্তিও কাজে আসবে না। শিক্ষা ব্যবস্থায় পাঠ্য বইয়ে সততা ন্যায় শিক্ষা বা মানবিক গুণাবলী শিক্ষার ঠাই নাই। কানাডায় প্রথম শ্রেণী থেকে বাচ্চাদের সত্য কথা বলার এমন শিক্ষা দেওয়া হয় যে মাবাবার হাজার অনুরোধে ও সে মিথ্যা বলে না। এমনকি যদিও সে জানে এবং বুঝে তার সত্য কথা বলায় মাবাবা অপদস্থ হবেন। উল্টো সে যুক্তি দেয় এই খারাপ কাজ করলে অপদস্থ হবে জেনেও কেন খারাপ কাজ কর।

আপনার মতামত দিন

আলোচনা অনুষ্ঠানে অসত্য তথ্য দিলে জেল-জরিমানা

বাকস্বাধীনতা খর্বের প্রতিবাদে মাহবুব তালুকদারের ওয়াকআউট

জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে জিডি তদন্তে ডিবি

‘আইন পাস হয়ে গেছে, এখন কিছু করার নেই’

ভাঙনের মুখে বিকল্প ধারা

ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

ভিন্ন চিত্র, নানা হিসাব

খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ২৩শে অক্টোবর পর্যন্ত বাড়লো

সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা স্মারক হচ্ছে

প্রশ্ন ফাঁস, ঢাবি’র ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ স্থগিত

নারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এম জে আকবরের মামলা

মজুরি বাড়ায় রক্তক্ষরণ হচ্ছে -বিজিএমইএ

পুনরায় অসত্য তথ্য দিয়েছেন জাফরুল্লাহ- সেনাসদর

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে স্বাগত জানালো ২০ দলীয় জোট

হাঁটুভাঙা বিএনপি কোমর ভাঙা বুড়োর ঘাড়ে

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রামীরা এক জায়গায় এসেছেন: খসরু