সিলেটে সিসিকের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:২৭
‘সিটি করপোরেশনের অঙ্গীকার, নগর হবে পরিষ্কার’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে মাসব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়। সিটি করপোরেশন থেকে প্রায় দেড়শ’ পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ৪০টি গাড়ি, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি এ অভিযানে নামেন। সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে অভিযান শুরু করে কোর্ট পয়েন্ট, জিন্দাবাজারের অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, জিন্দাবাজার পয়েন্ট, চৌহাট্টা হয়ে হযরত শাহজালার (রহ.) এর মাজার এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার কাজের মাধ্যমে মাসব্যাপী এ অভিযানের সূচনা করেন মেয়র। অভিযান চলাকালে রাস্তার দু’পাশ দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারী হকারদের মালামাল আসবাবপত্র তুলে নেয়া হয়। এ সময় হকার ও ফুটপাথ দখলকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।
হকাররা হুড়োহুড়ি করে যতটুকু সম্ভব তাদের পণ্য হেফাজতে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এ সময় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ফুটপাথ থেকে চেয়ার টেবিল, বেঞ্চসহ পণ্য নিয়ে ট্রাকে করে নগর ভবনে নিয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তারা অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলেন। একসঙ্গে চলে পরিচ্ছন্নতার কাজও। পরে আম্বরখানা পয়েন্ট রিকাবিবাজার, লামাবাজার, কাজিরবাজার সেতুর মোড়, তালতলা ভিআইপি রোড ও কিনব্রিজ মোড় এলাকায়ও অভিযান চালানো হয়। এছাড়া জেলা পরিষদের সামনের সড়ক, সিটি পয়েন্টের আশপাশ, বন্দরবাজার ও সিলেটের প্রধান ডাকঘর এলাকার  ফলমূলওয়ালাদের অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়। এর পর নগরীতে যত্রতত্র সাঁটানো গেট, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করা হয়। অভিযান শেষে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, নাগরিকদের পাশাপাশি হকারদেরও আইন মানতে হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান মেয়র। মেয়র জানান, আগামী এক মাস প্রতিদিন এ অভিযান চলবে। নগরীর ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ফুটপাথের অবৈধ স্থাপনাগুলোও উচ্ছেদ করা হবে। অভিযানে সিসিকের সচিব মোহাম্মদ বদরুল হক, কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরান, এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জল, আফতাব হোসেন খান, আব্দুল মুহিত জাবেদ, আব্দুর রকিব তুহিন, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলম, শামছুল হক পাটোয়ারী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমান, কর কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন, লাইসেন্স কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম, উচ্চমান সহকারী মো. মুহিবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘ভারতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের নেপথ্যে চীন সমর্থনপুষ্ট পাকিস্তান’

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই

দ্বিতীয় ধাপে আইনি লড়াই, জামিন প্রশ্নে ফয়সালার অপেক্ষা

নেশার ভয়ঙ্কর জগতে শিশুরাও

মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে নিতে দ্ব্যর্থহীন সমর্থন দিন

অনিশ্চয়তা প্রভাব ফেলছে অর্থনীতির ওপর

শনিবার কালো পতাকা মিছিল বিএনপি’র

জুয়ার আসরে উড়ছে কোটি টাকা

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের স্মরণ

কেন মানুষ মাজারে যায়?

শহীদমিনারের স্রোত গ্রন্থমেলায়

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

চাটখিলে কিশোরীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ

চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে আজ

'বন্দুক যুদ্ধে' শিশু ধষর্ণ মামলার আসামি নিহত

জুতা পায়ে প্রভাত ফেরি