দুই মামলার রায়ে তারেক রহমানকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন

সংসদ রিপোর্টার | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বুধবার, ৮:৩৬
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, মানি লন্ডারিং, গ্রেনেড হামলা, রাষ্ট্রদ্রোহসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে দুটি মামলার রায় হয়েছে। একটি মামলায় ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর মামলায় ১০ বছর মিলিয়ে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ বুধবার সংসদ অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি’র প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এ তথ্য জানান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। তিনি জানান, ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়েরকৃত মানি লন্ডারিং মামলায় নিম্ন আদালত তারেক রহমানকে খালাস দেন। উক্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়।
আপিলের রায়ে আসামি তারেক রহমানকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ঢাকা মহানগর দায়রা কোর্টে দায়েরকৃত রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মন্ত্রী জানান, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় তারেক রহমানের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত তারেক রহমানকে জরিমানার টাকা অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে আনুপাতিক হারে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমাদানের নির্দেশ প্রদান করেছেন। এছাড়া দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার কার্যক্রম চলছে। আইনমন্ত্রী জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে ২০০৭ সালে কাফরুল থানায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. যোবায়দা রহমান ও শাশুড়ী সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু আসামি হিসেবে অভিযুক্ত হন। উক্ত মামলার দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে ডা. যোবায়দা রহমান হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করেন। হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত দরখাস্ত খারিজ করে দেন। উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে করা মিস পিটিশনটি এখন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে। দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, সারা বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মোট বিচারাধীন মামলার সংখ্যা এক লাখ ৬৫ হাজার ৫৫০টি। সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আরো ৪১টি ট্রাইব্যুনাল সৃজনের মঞ্জুরী প্রদান করেছে এবং উক্ত ট্রাইব্যুনালসমূহের জন্য ২০৫টি সহায়ক পদও সৃজন করা হয়েছে। নবসৃজিত এ পদগুলোতে আমরা অতি দ্রুত নিয়োগ প্রদান করছি যাতে করে এই মামলাগুলো আরো দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

morshed

২০১৮-০২-১৪ ০৮:২৪:২৩

যেই মামলায় ৭ বছরের জেল দিয়েছন ওই মামলায় আদালতে খালাস পেয়েছিলেন তখন আপনি দুদকের আইনজীবী ছিলেন আর তখন আপনি তার দুর্নীতির কনো প্রমান দিতে পারলেননা আর যখন আপনাকে আইনমন্ত্রী বানালো ঠিক তখন থেকে আপনি সব প্রমান পেতে শুরু করলেন so funny.

আপনার মতামত দিন

জামালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

‘নাট্য নির্মাতারা এখন ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন’

কোনো দেশের সঙ্গে মিলছে না বাংলাদেশের কোটা পদ্ধতি

সাত বছরে সর্বনিম্ন ফল

অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায় ইইউ

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা

রাশিয়ায় বাংলাদেশি তরুণদের আর্তনাদ

সিলেটে উৎসবমুখর পরিবেশ, আছে শঙ্কাও

লিটনের পক্ষে খুলনার মেয়র বুলবুলের পক্ষে গয়েশ্বর

বরিশালে আত্মবিশ্বাসী আওয়ামী লীগ, কৌশলী বিএনপি

কোটা আন্দোলন নিয়ে দূতাবাসগুলোর বিবৃতিতে অসন্তোষ

অছাত্রদের হাতেই যাচ্ছে ছাত্রদলের নেতৃত্ব

নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম

গাজীপুরে স্ত্রী-কন্যাকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে আরো দুইদিন

রূপগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভায় জনস্রোত