রায়ের কপির জন্য অপেক্ষা খালেদাকে মুক্ত করার শপথ

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৫২
নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে বিপুল নেতাকর্মীর উপস্থিতি -নিজস্ব ছবি
বিএনপির অনশন কর্মসূচি আজ। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। গত রাতে পুলিশের অনুমতি মিলেছে বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র। ওদিকে গতকাল বিএনপি নয়া পল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অবস্থান কর্মসূচির অনুমতি না পেয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি পালন করা হয়। ওদিকে ৫ দিন পরও রায়ের সার্টিফায়েড কপি পাননি খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।
আজ রায়ের কপি পেলে বৃহস্পতিবার 
হাইকোর্টে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। অপরদিকে আজকের অনশন কর্মসূচি নিয়েও রয়েছে উত্তেজনা। একই সময়ে প্রেস ক্লাবের সামনে মহিলা আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সভার কর্মসূচি রয়েছে। আর বিএনপি সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচি পালন করবে। ডিএমপি রমনা জোনের ডিসি মারুফ হোসেন বিএনপিকে মৌখিক অনুমতি দেয়ার কথা জানিয়েছেন। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত পুলিশ বেষ্টনীতে দেড় ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত অবস্থান কর্মসূচিতে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের জেল দেয়া হয়েছে। রাখা হয়েছে দুইশ বছরের পরিত্যক্ত ভবনে। নির্জন করাগারে। এতে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।
ফখরুল ইসলাম আরো বলেন, অবৈধ সরকার সম্পূর্ণ গণবিচ্ছিন্ন ও রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। তাই বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি লাখ লাখ মামলা দেয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর কারণে তার শক্তি অনেক বেড়ে গেছে। দেশনেত্রীকে কারাগার থেকে এ দেশের মানুষ অতিসত্বর বের করে আনবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সরকার মনে করেছে, তারেক রহমান লন্ডনে। আর খালেদা জিয়া জেলে। এতে দলের ভেতরে ভাঙন শুরু হবে। নেতৃত্ব শূন্যতায় ভুগবে বিএনপি। কিন্তু লাখ লাখ মানুষ খালেদা জিয়ার পেছনে রয়েছে। আগের চেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা আরো অনেক বেশি শক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে।
তিনি আরো বলেন, সারা দেশে নেতাকর্মীদের নামে প্রচুর মামলা দেয়া হয়েছে। মামলা করা হয়েছে ১৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। ফখরুল বলেন, এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক কোনো অধিকার নেই, আগেও ছিল না।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য ফখরুল বলেন, এই কর্মসূচি থেকে আমরা শপথ নিই। জনতার উত্তাল তরঙ্গের মধ্যদিয়ে দেশনেত্রীকে জেল থেকে মুক্ত করে আনবো। সেই লক্ষ্যে আন্দোলনকে আরো বেগবান করি। খালেদা জিয়াকে জেলে নিয়ে গিয়ে সরকার ভেবেছে বাংলাদেশের মানুষকে স্তব্ধ করা যাবে। সরকার ভাবছে, বাংলাদেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে, সেটা যাবে না। জনগণ কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে অবশ্যই মুক্ত করে নিয়ে আসবে। অতীতে তাদের নেতা (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) মিথ্যা মামলায় কারাগারে বন্দি ছিলেন। মানুষ তাকে মুক্ত করে নিয়ে এসেছিল। আর খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের নেত্রী। এদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা এবং জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী। রাজপথে নামলে লাখ লাখ মানুষ তার পেছনে আসে।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদের সঙ্গে আছেন। তিনি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, পরিত্যক্ত জনমানব শূন্য কারাগারে দেশনেত্রীকে রেখে বর্তমান সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত করেছে। এর জন্য তাদের (সরকার) বিচার হবে।
তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই, আমাদের এই লড়াই ও সংগ্রাম দেশনেত্রীকে মুক্ত করে আনবার লড়াই। এই লড়াই নেতাকর্মীদের মুক্ত করবার লড়াই। বাংলাদেশের মানুষ এবং গণতন্ত্রকে মুক্ত করবার লড়াই। চাল, ডাল, তেলের দাম বাড়ছে উল্লেখ করে এতে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
হঠাৎ কর্মসূচির ভেন্যুর অনুমতি বাতিল করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, অন্যায়ভাবে খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হয়েছে। অন্যায়ভাবে ডিভিশন বঞ্চিত রাখা হয়েছে। অথচ আমরা অনেকেই জেলে গেছি। গেট থেকে ডিভিশন দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আর খালেদা জিয়াকে তিন দিন সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে। যারা খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রেখেছেন তাদের বিচার চাই। বিএনপিকে বাইরে রেখে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, একটা ভুয়া, বানোয়াট মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নির্জন কারাগারে রাখা হয়েছে।
খালেদা জিয়া খুব শিগগির মুক্ত হবেন এমন আশা ব্যক্ত করে মওদুদ বলেন, আন্দোলন ছাড়া দেশনেত্রীকে মুক্ত করার আর কোনো বিকল্প পথ নেই। কিন্তু এর সঙ্গে আইনি লড়াইও চলবে।
কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাস বলেন, ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে আমাদের কর্মসূচি করতে দেয়া হয়নি। এখান থেকে সেখানে, সেখান থেকে ওখানে ছুটাছুটি করে নেতাকর্মীরা অনেক ক্লান্ত। খালেদা জিয়া ছাড়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র অচল। খালেদা জিয়া জেলে বন্দি মানে বাংলাদেশের গণতন্ত্র বন্দি। খালেদাকে জেলে রেখে দেশ পরাধীন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের জনগণ সেটা হতে দেবে না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিচারের নামে প্রহসন করে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে জলে রাখা হয়েছে। সুতরাং আমরা সুবিচার পাইনি। এরকম অত্যাচারী সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সুবিচার পাওয়ার আশা করা বোকামি। যেখানে প্রধান বিচারপতি সুবিচার পান না, সেখানে খালেদা জিয়ার তো প্রশ্নই উঠে না। দেশের প্রধান বিচারপতিকে অসুস্থ বানিয়ে বিদেশ যেতে বাধ্য করা হয়। এখন খালেদা জিয়াকে নয়, গণতন্ত্রকে আবদ্ধ করা হয়েছে। আমরা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাব। এরপরও আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই আইনি লড়াই করছি। সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা ভাবছেন, খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে নির্বাচন করবেন। ভুলে যান। কারণ খালেদা জিয়া ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। এ ছাড়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, ডা. এ জেম এম জাহিদ হোসেন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মুনশি বজলুল বাসিত আনজু, কাজী আবুল বাশার, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বক্তব্য রাখেন।
এর আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছিলেন রিজভী। সেখানে পুলিশের অনুমতি মিলেনি। পরবর্তী রাতে নয়াপল্টন থেকে প্রেরিত ক্ষুদে বার্তায় ভেন্যু পরিবর্তন করে রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এই কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানানো হয়। সর্বশেষ গতকাল সকাল ১০টায় ফের ভেন্যু পরিবর্তন করে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান রিজভী। বিএনপির এই নেতা বলেন, ডিএমপি কমিশনার আমাদেরকে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করার কথা বলেছেন। বিএনপির পক্ষে কর্মসূচিতে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, কাদের গনি চৌধুরী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদলের সহসভাপতি নাজমুল হাসান, আতিক আল হাসান মিন্টু, আলমগীর হোসেন সোহান, যুগ্ম সম্পাদক মফিজুর রহমান আশিক, কাজী মোক্তার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা সোমবারের মতো গতকালও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ডাকা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ।
পাঁচদিনেও মেলেনি খালেদার রায়ের অনুলিপি
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশের রায় ঘোষণার পাঁচ দিন পরও তার আইনজীবীরা গতকাল পর্যন্ত রায়ের সার্টিফায়েড কপি (রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপি) পাননি। তবে, আজই তা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন খালেদার আইনজীবীরা। একই সঙ্গে আজ রায়ের কপি পেলে বৃহস্পতিবারই হাইকোর্টে আপিল করা হবে বলে জানান তারা। ইতিমধ্যে হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার আপিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন বলে আলাপকালে জানান খালেদার আইনজীবী প্যানেলের একাধিক আইনজীবী। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে গত ৮ই ফেব্রুয়ারি এক রায়ে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত। একই সঙ্গে এ মামলার অন্য ৫ আসামি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ৫ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা গতকালও রায়ের সার্টিফায়েড কপি পাওয়ার প্রত্যাশায় ছিলেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া গতকাল সন্ধ্যায় মানবজমিনকে বলেন, আমরা আজ (গতকাল) রায়ের কপি পাইনি। আদালত থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, বুধবার (আজ) রায়ের কপি সরবরাহ করা হবে। আশা করছি বুধবার রায়ের কপি পাব। যদি বুধবার রায়ের কপি পাই, তাহলে বৃহস্পতিবার আপিল করবো।
এর আগে গত ৮ই ফেব্রুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণার দিন বিচারিক আদালতের কাছে রায়ের কপির জন্য মৌখিক আবেদন করেছিলেন এই মামলায় খালেদা জিয়ার প্রধান আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান। ওইদিন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জানান, তারা রায়ের কপি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাইকোর্টে আপিল করবেন। রায়ের পর রোববার ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে রায়ের অনুলিপির জন্য আবেদন করেন খালেদার আইনজীবীরা। আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান মানবজমিনকে বলেন, বুধবার রায়ের কপি পাওয়া যেতে পারে বলে শুনেছি। ৬৩২ পৃষ্ঠার রায় পর্যালোচনা করতে একটু সময় লাগতে পারে। তবে, খালেদা জিয়ার আপিল এবং জামিনের আবেদনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। এখন রায়ের কপি পেলেই ওই রায়ের আলোকে আমাদের আপিলের ড্রাফটের কিছু প্রয়োজনীয় অংশ সংশোধন করে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা আপিল দায়ের করতে পারবো। খালেদার আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, আমরা বুধবার রাতেও যদি রায়ের কপি পাই তাহলে বৃহস্পতিবারই আপিল করবো। এ ধরনের প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। আপিল আবেদনের জন্য রায়ের যতটুকু পর্যালোচনা প্রয়োজন আমরা ততটুকুই পর্যালোচনা করে আপিল করবো। আর আপিল ফাইল করার সঙ্গে সঙ্গে আমরা খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন করবো।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘ভারতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের নেপথ্যে চীন সমর্থনপুষ্ট পাকিস্তান’

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই

দ্বিতীয় ধাপে আইনি লড়াই, জামিন প্রশ্নে ফয়সালার অপেক্ষা

নেশার ভয়ঙ্কর জগতে শিশুরাও

মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে নিতে দ্ব্যর্থহীন সমর্থন দিন

অনিশ্চয়তা প্রভাব ফেলছে অর্থনীতির ওপর

শনিবার কালো পতাকা মিছিল বিএনপি’র

জুয়ার আসরে উড়ছে কোটি টাকা

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের স্মরণ

কেন মানুষ মাজারে যায়?

শহীদমিনারের স্রোত গ্রন্থমেলায়

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

চাটখিলে কিশোরীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ

চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে আজ

'বন্দুক যুদ্ধে' শিশু ধষর্ণ মামলার আসামি নিহত

জুতা পায়ে প্রভাত ফেরি