পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নও ফাঁস

শেষের পাতা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:২০
চট্টগ্রামের বাংলাদেশ মহিলা সমিতি (বাওয়া) স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে গতকালের এসএসসি পরীক্ষার পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। পরীক্ষার একঘণ্টা আগে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র সম্বলিত কয়েকজন শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন ও উত্তরপত্র জব্দ করেছে প্রশাসন। যা পরীক্ষা শুরুর পর দেয়া মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে রয়েছে। এ ঘটনায় বাওয়া স্কুলের এক শিক্ষক ও ১৬ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে ২৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে প্রশাসন। সূত্র জানায়, বাওয়া স্কুল কেন্দ্রে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ছাড়াও চট্টগ্রামের পটিয়া আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে আসে।
পদার্থ বিজ্ঞান ছাড়াও গতকাল অন্যান্য বিষয়ের পরীক্ষাও ছিল। ফটিকছড়ির হোঁয়াকো উচ্চ বিদ্যালয়েও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে আসা পটিয়া আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বাসে বসে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র ও উত্তর শিখছিল। এ সময় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোরাদ আলী বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে শিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে প্রশ্ন সম্বলিত মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। যাতে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র ছিল। এ সময় ৮ শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন ও উত্তরপত্র জব্দ করা হয়।
তিনি বলেন, পরীক্ষা শুরুর পর দেখা যায় মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল রয়েছে। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন পাওয়া শিক্ষার্থীদের পুলিশ প্রহরায় পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করা হয়। এতে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় ২৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।
প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত বাওয়া স্কুলের এক শিক্ষক ও ১৬ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। তবে আটককৃতদের নাম প্রকাশ করেননি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান।
চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ মোরাদ আলী বলেন, বাওয়া স্কুলের শিক্ষার্থী ছাড়াও এ কেন্দ্রে পটিয়া আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। পরীক্ষা শুরুর পর থেকে শ্যামলী পরিবহণের একটি বাসে আসা পরীক্ষার্থীরা প্রতিদিন পরীক্ষার এক ঘন্টা আগে বাসে বসে তোড়জোড় করে। যা আমার নজরে আসে। এতে আমার সন্দেহ হয়। ফলে মঙ্গলবার সকালে তোড়জোড় দেখে কৌতুহল বশত বাসে উঠে দেখি তারা মোবাইলে প্রশ্নপত্র দেখছে এবং উত্তর শিখছে। তাই মোবাইল ও উত্তরপত্র জব্দ করি।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মোবাইলের হোয়াটসআ্যাপ ডিভাইসে প্রশ্নপত্রগুলো এসেছে। কত নম্বর থেকে এসব প্রশ্ন এসেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে আমরা বেশ কয়েকটি নম্বর চিহ্নিত করেছি। এরমধ্যে বোর্ডের লোকজন ও শিক্ষক জড়িত রয়েছে। এদের মধ্য থেকে বাওয়া স্কুলের শিক্ষকসহ ১৬ জনকে আটক করা হয়।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Nixon pandit

২০১৮-০২-১৩ ২২:৫১:৪১

সত্যি কথা বলতে কি ,আমি ১৯৮৩ সালের পরীক্ষাথী ছিলাম । আমাদের সময় তো প্রশ্নপত্র কখনও ফাঁস হয়নি । তবে ভুরিভুরি নকল হতো , ধরাও পড়তো ,এটা জানতাম । প্রবাদে আছে " আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত " । অন্যটি " শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড "কিন্তু শিক্ষার এই হাল আজ ।

আপনার মতামত দিন

আইসিইউতে রাজধানী

ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টির চক্রান্ত করছে বিএনপি

ওয়ান ইলেভেনের বেনিফিশিয়ারি আওয়ামী লীগ

যেভাবে ঢাকার মেরামত সম্ভব

গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ফারিয়া রিমান্ডে

৪০ লাখ বাংলাভাষী হবে বৃহত্তম রাষ্ট্রবিহীন জনগোষ্ঠী!

ইমরান খানই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

মওদুদের বাড়ি ঘেরাও করে রাখায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য ও আন্দোলনের খসড়া রূপরেখা তৈরি

আত্মমর্যাদা ও মানবাধিকারের স্বপক্ষে একক কণ্ঠস্বর

ঈদের আগে ছাত্রদের মুক্তি দিন: ড. কামাল

‘কার কাছে গেলে ছেলেকে ফেরত পাবো’

বাজপেয়ীকে শেষ বিদায়

পশুবোঝাই ট্রাক ‘ছিনতাই’ শঙ্কায় সিলেটের বেপারিরা

ভোগান্তি মাথায় নিয়ে ঈদযাত্রা

মওদুদ আহমদকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ