সিলেটে মাঠে আওয়ামী লীগ নেতারা

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:০১
রাজপথে সহিংস ঘটনা ঘটালে ঘরে বসে থাকবে না সিলেট আওয়ামী লীগ। সম্মিলিতভাবে তারা সহিংসতাকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। সিলেটে বিএনপির চলমান আন্দোলন নিয়ে সতর্ক রয়েছে তারা। আগের তুলনায় অনেক বেশি সংযমীও সিলেট আওয়ামী লীগের নেতারা। সিলেট আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা এমন কথাই বলেছেন। এদিকে, রাজপথে ছাত্রলীগকে নিয়ে কিছুটা বিব্রত আওয়ামী লীগ।
ছাত্রলীগের ভেতরে অনেক হাইব্রিড নেতাকর্মী রয়েছে। যারা অস্ত্র নিয়ে রাজপথে মহড়া দিচ্ছে। খালেদা জিয়ার রায়ের দিন সিলেটের রাজপথে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতারা বিব্রত। এ কারণে ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণে আরো বেশি কৌশলী হতে হচ্ছে সিনিয়র নেতাদের। রাজপথে আওয়ামী লীগ বিএনপির মুখোমুখি অবস্থান খুব কমই দেখা যায়। ২০০৬ সালে গোটা দেশের ন্যায় সিলেটেও মুখোমুখি হয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। জামায়াতের নেতারা সিলেটে ছাত্র শিবিরকে নিয়ে শোডাউন দিয়েছিলেন। তবে, ওই সময় আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের থাকায় রাজপথে খুব বেশি শক্তি প্রদর্শন করতে পারেনি। ফলে সিলেটের রাজপথ বিএনপির দখলেই ছিল। গেল ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন নিয়েও সিলেটের রাজপথে আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে মুখোমুখি হতে দেখা যায়নি। উভয় দল বা জোটই নিজেরা সংযমী হয়ে কর্মসূচি পালন করেন। আর ওই সময় সংঘর্ষ হলেও পুলিশের সঙ্গে হয়েছে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের। ২০১৩ সালে সিলেটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ভাঙচুরের পর রাজপথে নামে আওয়ামী লীগ। ওই সময়ও বিএনপি-জামায়াত সিলেট আওয়ামী লীগের মুখোমুখি হয়নি। কিন্তু গত ৮ই ফেব্রুয়ারি পরিস্থিতি বদলে যায়। আগে জানা গিয়েছিল বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হলে সিলেটে প্রতিক্রিয়া দেখাবে বিএনপি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগও আনন্দ মিছিল বের করবে। এতে করে সিলেটে আগের রাত থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আর রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সিলেটের রাজপথ সহিংস হয়ে উঠে। আওয়ামী লীগ মিছিল দিতে চাইলে বিএনপিই তাদের মিছিলে উস্কানি দেয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে ওই দিন লাভের চেয়ে ক্ষতিই হয়েছে আওয়ামী লীগের। কারণ, রাজপথে ছাত্রলীগের আড়ালে হাইব্রিড কর্মীরা অস্ত্রের মহড়া দিয়েছে। সিনিয়র নেতারা তখন জেলা পরিষদ ও আদালতের ভেতরে ছিলেন। যারা অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়েছে তাদের অনেককেই চেনাও যায়নি। গতকাল পর্যন্ত পুলিশ অনেক অস্ত্রবাজদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। তবে, সংঘর্ষের পর যখন আওয়ামী লীগ নেতারা আনন্দ মিছিল করছিলেন তখন আর ওই অস্ত্রবাজদের রাজপথে দেখা যায়নি। এ সময় সিলেট আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ও বদরউদ্দিন আহমদসহ প্রায় সবাই উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে সিলেটে বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করার কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিলেট মহানগর সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান জানিয়েছেন, সিলেটের মানুষ শান্তি চায়। কোনো বিশৃঙ্খলা এই এলাকার মানুষ পছন্দ করেন না। যদি কেউ শান্তি বিনষ্ট করতে চায় আওয়ামী লীগ তাতে প্রতিবাদী হয়ে উঠে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে এখন সিলেটের মানুষও জ্বালাও-পোড়াওয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘ভারতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের নেপথ্যে চীন সমর্থনপুষ্ট পাকিস্তান’

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই

দ্বিতীয় ধাপে আইনি লড়াই, জামিন প্রশ্নে ফয়সালার অপেক্ষা

নেশার ভয়ঙ্কর জগতে শিশুরাও

মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে নিতে দ্ব্যর্থহীন সমর্থন দিন

অনিশ্চয়তা প্রভাব ফেলছে অর্থনীতির ওপর

শনিবার কালো পতাকা মিছিল বিএনপি’র

জুয়ার আসরে উড়ছে কোটি টাকা

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের স্মরণ

কেন মানুষ মাজারে যায়?

শহীদমিনারের স্রোত গ্রন্থমেলায়

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

চাটখিলে কিশোরীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ

চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে আজ

'বন্দুক যুদ্ধে' শিশু ধষর্ণ মামলার আসামি নিহত

জুতা পায়ে প্রভাত ফেরি