সেলুকাস... কি বিচিত্র বাংলাদেশ

ফেসবুক ডায়েরি

ব্যারিস্টার রুমীন ফারহানা | ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, শুক্রবার
সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক সমপ্রতি যে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাতে বলা হয়েছে ২০১৬ সালে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশ থেকে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে এই টাকার পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা অর্থাৎ কিনা ১ বছরে সেই হিসাব আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বা ২০ শতাংশ বেড়েছে। সরকারি দাবি মতে ২০১৩ সালে বিএনপির চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে আরাফাত রহমানের ২০ কোটি টাকা ফেরত আনে সরকার। এরপর আর একটি টাকাও ফেরত আনেনি সরকার। এখন প্রশ্ন হলো বাকি ৫ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা কাদের? চোখ বন্ধ করে বলা যায় এর মধ্যে ১ টাকাও বিরোধী শিবিরের কারও না। যদি হতো তাহলে সরকারের নর্তনকুর্দনে টেকা দায় হতো।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেছেন পাচারকারীদের নাম প্রকাশ করা হোক। আমরাও তাই বলি সরকারের যদি দুর্বলতা না-ই থাকে তাহলে নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? অর্থমন্ত্রী বলেছেন যে অর্থ পাচার হয়েছে তা যৎসামান্য। এটা নাকি নজরে আনার মতো না। সঠিক বলেছেন। যার কাছে ৪ হাজার কোটি টাকা পিনাট তার কাছে ৫৫৬০ কোটি খুব বেশি টাকা হবার কথা না। তবে হ্যাঁ, ১ লাখ টাকা যার ব্যাংক হিসাবে আছে তিনি অবশ্যই ধনী ব্যক্তি। সেলুকাস... কি বিচিত্র বাংলাদেশ।




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন আজ

রায়ের কপি এখনো মেলেনি

আগাম নির্বাচনের কথা ভেসে বেড়াচ্ছে

৭ই মার্চ বড় জমায়েত করতে চায় আওয়ামী লীগ

গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে গণসংযোগে বিএনপি

যুক্তরাজ্যের কার্গো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

চীন-ভারত দ্বন্দ্বে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আগে আরসা দমন করতে চায় মিয়ানমার

জনতার হাতে আটক সেই খুনি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

শেষ বেলায়ও লজ্জা

শাবি শিক্ষার্থীকে অর্ধনগ্ন করে রাতভর নির্যাতন

জামিনকে আটকে রাখতে ফন্দি-ফিকির করছে সরকার: রিজভী

কলম্বোতে মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের যৌথ প্রস্তুতি

‘অপরিচিত পুরুষের সাথে যখন ফেসবুকে পরিচয় হলো’

পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতের বিপর্যয়ে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী