তাঁকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে পাস করে এসে যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে হয়

ফেসবুক ডায়েরি

আহমেদ তানভীর | ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:২৬
আমাদের দেশের রাজনৈতিক সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এ দেশের জন্মলগ্ন থেকে কখনোই শিক্ষা বা গবেষণার পীঠস্থান হিসেবে দেখেনি। তারা এটিকে দেখেছে রাজনৈতিক পেশিশক্তি প্রদর্শনের অন্যতম জায়গা হিসেবে। তাদের কাছে হিসাব অত্যন্ত সোজা। যেকোনো আন্দোলন, রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক হোক, সেটি গড়ে ওঠে এবং বেগবান হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঠান্ডা রাখতে পারলে অনেকখানি নাকে তেল দিয়ে ঘুমানো যায়। এই রাজনৈতিক পেশিশক্তির আঁধারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে প্রথমে যেটি দরকার, সেটি হলো ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক শক্তির একান্ত অনুগত একজন ব্যক্তি।
বেশির ভাগ সময়ে তাঁকে আনুগত্যের পরীক্ষা দিতে হয় দলীয় শিক্ষকদের নেতৃত্ব দিয়ে এবং তাঁর নেতা হওয়ার যে ক্ষমতা আছে, সেটির প্রমাণ দিয়ে। সে ক্ষেত্রে তাঁকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে পাস করে এসে যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে হয়।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

অস্ট্রেলিয়া গেলেন প্রধানমন্ত্রী

রানা প্লাজা ধসের পর চাকরি হারিয়েছেন ৪ লাখ শ্রমিক

সেনা ছাড়াই ভোট, সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ

দুই প্রার্থীর সঙ্গে মার্কিন কূটনীতিকের বৈঠক

তৃপ্তির লাশ উদ্ধার, রহস্য

এপ্রিলের মধ্যে গেজেট না হলে ফের আন্দোলন

ইসির সিদ্ধান্তে অশুভ উদ্দেশ্য দেখছে বিএনপি

বিকাশের শেয়ার কিনছে আলিবাবা

এম শামসুল ইসলাম আর নেই

পাসপোর্টের সঙ্গে নাগরিকত্বের সম্পর্ক নেই- ডিজি

বড় দু’দলেই কোন্দল

‘ভারত সফরে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়নি’

হানিফের বক্তব্য স্বীকৃত স্বৈরাচারের পদধ্বনি: রিজভী

হিজড়াদের চিহ্নিত করে স্মার্টকার্ড দেবে সরকার

‘ভারত সফরে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়নি’

বিকাশের শেয়ার কিনছে আলীবাবা