আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষ রায় হত্যা মামলা

ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে | ১৪ জানুয়ারি ২০১৮, রোববার, ৪:৪৫ | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৪৭
প্রভাষ রায়
নড়াইল জেলা সদরের ভদ্রবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রভাষ রায় ওরফে হানু হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মো. সাহিদুর রহমান মিনা ওরফে শহিদ ও তার ভাই মো. ইলিয়াছ মিনা ও ছেলে আশিকুর মিনা ওরফে আশিকসহ নয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে  ৫০হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার দুপুরে খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ রব হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণাকালে সব আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন-নড়াইল জেলা সদরের মীরাপাড়ার মৃত মজিদ মিনার দু’ছেলে ভদ্রবিলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সাহিদুর রহমান মিনা ওরফে শহিদ (৫২), তার ভাই মো. ইলিয়াছ মিনা (৫৬), সাহিদুর রহমান মিনার ছেলে মো. আশিকুর মিনা ওরফে আশিক (২২), মোশারফ মিনার ছেলে মো. রাসেল মিনা (৩০), মৃত হাতেম মোল্লার ছেলে বাশার মোল্লা (৩০), মোশারফ মোল্লার ছেলে রবিউল মোল্লা (২৫), আটেরহাট এলাকার মৃত হারান মোল্লার ছেলে এনায়েত মোল্লা (৫৩), পইলডাঙ্গা এলাকার মতিয়ার মোল্লার ছেলে ইয়াসিন মোল্লা (২৪) ও মুসা মিনার ছেলে মামুন মিনা (২৮)।
উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী ফকির মো. জাহিদুল ইসলাম নথীর বরাত দিয়ে জানান, ভদ্রবিলা ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রভাষ রায় নৌকার পক্ষে কাজ করেন। অপরদিকে আসামি মো. সাহিদুর রহমান মিনা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
নির্বাচনের পর চেয়ারম্যানের সমর্থকরা প্রভাষ রায়ের বাড়ি ভাংচুর করে। এঘটনায় প্রভাষ রায় চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রভাষ রায় শহর থেকে স্বরস্বতী পুজা পরিদর্শন শেষে মীরাপাড়া বাজারের ফারুকের চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ভদ্রবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. খায়রুজ্জামান ফকিরের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় পুর্বপরিকল্পনা অনুয়ায়ি আসামিরা একত্রিত হয়ে প্রভাষ রায়ের উপর হামলা চালায়। এসময় তারা একটি বড় ছোরা প্রভাষ রায়ের পেটে ডুকিয়ে দেয় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে বাজারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নড়াইল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখান থেকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত সাড়ে ৯টার দিকে প্রভাষ রায় মারা যায়। এ ঘটনায় প্রভাষ রায়ের স্ত্রী টুটুল রানী রায় বাদি হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ৫/৭জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন (যার নং- ৪)। ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ভবতোষ রায় ৯জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৭জন স্বাক্ষীর মধ্যে ১৬জন স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি এডভোকেট এনামুল হক।
[এমকে]

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-০১-১৪ ০৪:৪৬:১৯

পরাজিত ব্যক্তি সাধারণত প্রতিশোধ নেয়। কিন্তু নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার দলীয় সমর্থকের উপর একটি জনবহুল বাজারে প্রকাশ্যে খুন। সুবিচার হয়েছে।

আপনার মতামত দিন

ফেনীতে সাড়ে ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

ছেলেকে হত্যার পর মায়ের স্বীকারোক্তি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী নিখোঁজ

নাখালপাড়ায় নিহত এক ‘জঙ্গি’ কাজেম আলী স্কুলের ছাত্র

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র খুন

অর্থমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পথচারীদের ওপর, আহত ৩০

রেকর্ড গড়া জয় বাংলাদেশের

নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন গ্রেপ্তার

আইভীকে হাসপাতালে দেখে আসলেন ওবায়দুল

তিস্তা কূটনীতিতে চোখ ঢাকার

ভারতের পাশাপাশি মুসলিম দেশগুলোর অব্যাহত সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ

শাহজালালে বৈদেশিক মুদ্রাসহ দুই যাত্রী আটক

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানী হত্যার রিট শুনানি ফের পেছালো

যশোরে বিএনপি নেতা অমিতের বক্তব্যে তোলপাড়